সুকমার জঙ্গিলে বুরধবার সেনা আর নকশালিদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। আর সেনার এনকাউন্টারে খতম হয় দুই উর্দিধারি নকশাল জঙ্গি। মৃত দুজনের মধ্যে একজন মহিলাও ছিলেন। যদিও এই ঘটনা আমাদের দেশে এখন খুবই সাধারণ ব্যাপার। কারণ প্রায় দিনই ভারতীয় সেনার হাতে কোন না কোন জঙ্গি মারা যাচ্ছে। কিন্তু এই খবরকে অসাধারণ বানালেন ভারতের মহিলা কম্যান্ডোরা।

সেনা আর নকশালিদের মধ্যে সংঘর্ষে সেনার দলে ছিল মহিলা কম্যান্ডোরা। নকশালিদের এনকাউন্টার করা দলে যুক্ত ছিল ১০ জন মহিলা কম্যান্ডার। আর এটাই প্রথম অবসর যখন দলে থাকা মহিলা কম্যান্ডোরা তাঁদের বীরত্ব দেখালেন। দান্তেওয়ারার পুলিশ পর্যবেক্ষক অভিষেক পল্লবা এই তথ্য দিয়ে বলেন, প্রথমবার মহিলা কম্যান্ডোরা যাদের ‘দন্তেশ্বরী লড়াকু” নাম দেওয়া হয়েছে। তাঁরাও এনকাউন্টার দলে যুক্ত ছিলেন।

উনি জানান, ‘দন্তেশ্বরী লড়াকু” নামের এই কমিহ্লা কম্যান্ডর দলে ৩০ জন মহিলাকে ভর্তি করানো হয়েছে। ওই দলের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হল, তাঁদের মধ্যে পাঁচজন মহিলা এমনও আছে যারা আগে নকশাল ছিল আর পড়ে তাঁরা স্যারেন্ডার করে দেয়। আর তাঁদের থেকে সেনা অনেক সুবিধাও পাচ্ছে। তাঁরা এলাকার নকশা সমেত নকশালদের চিহ্নিত করার কাজ চালাচ্ছে। মহিলা কম্যান্ডো দলের নেতৃত্বে আছে ডিএসপি দিনেশ্বরী নন্দ।

এই মহিলা কম্যান্ডোদের বিশেষ ট্রেনিং দেওয়া হয়েছে। এরা নকশালিদের তরফ থেকে প্ল্যান্ট করা আইইডি বিস্ফোটক কে নিস্ক্রিয় করা থেকে শুরু করে নকশালিদের ধরপাকড় করার মত বিপদজনক কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আর তাঁর সাথে এই কম্যান্ডোদের মোটর সাইকেল চালানোরও বিশেষ ট্রেনিং দেওয়া হয়েছে। এরফলে তাঁরা দুর্গম রাস্তায় যেখানে চারচাকা গাড়ি যেতে পারেনা। সেখানে তাঁরা মোটর সাইকেলের সাহায্যে সহজেই পৌঁছে যেতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.