বর্দ্ধমান – দেবগ্রাম ও বিক্রমপুরের কিছু কথা দ্বিতীয় পর্ব

দ্বিতীয় পর্ব উত্তরম যৎ শিলাবত্যাঃঅজয়াস্যচৈব দক্ষিণম্ভাগীরথ্যাঃ পশ্চিমায়াং তুদ্বারকেশ্বরম্ চ্ পূর্বস্যাম্জনপদং তদ্ বর্দ্ধমান নাম।রাঢ়ী যত্র সন্ততিঃ ॥ পূর্ব পর্বেই উল্লেখ করেছিই যে জৈন আচারঙ্গ সূত্রের মধ্যে বজ্জভূমির পথে কুকুরের উৎপাতের উল্লেখ আছে। তার জন্য নাকি হাতে দণ্ডের ব্যবহার করতে হত মহাবীর ও তার অনুগামীদের । তার উল্লেখ পেয়ে অনেকেই এই কথাRead More →

বর্দ্ধমান  – দেবগ্রাম ও বিক্রমপুরের কিছু কথা – প্রথম পর্ব

প্রথম পর্ব রাঢ় বঙ্গ, রাঢ় অঞ্চলের মালভূমি , সুপ্রাচীন ভারতের এক প্রাচীনতম ভূখন্ড, গন্ডোয়ানা মালভূমির শেষাংশ। সেই ছোটনাগপুর মালভূমি ক্রমশ অবনমিত হয়ে খড়্গপুরের প্রান্তভূমিতে এসে সমতলে মিশেছে। তাই রাঢ় অঞ্চলের একাংশ পাহাড় , ডুংরি সমন্বিত এবং অবশিষ্ট অংশ সমতল। বঙ্গ তথা রাঢ় অঞ্চলের কথা আমরা বহু প্রাচীন গ্রন্থাবলীতে পাই। ব্যাসদেবRead More →

নদীমাতৃকা দেবী সরস্বতী দ্বিতীয় পর্ব

দ্বিতীয় পর্ব  জল জীবন। জল জীবন ধারণের সঞ্জীবনী তরল। তাই জলকে প্রাচীন ঋষিরা নানারূপে নানা ভাবে পূজা করেছেন। তাঁরা জল সংরক্ষণ , জল দূষণ প্রতিরোধ করতে, জল বাস্তুতন্ত্রের স্থিতি বজায় রাখতে সদা সতর্ক এবং যত্নবান ছিলেন । তাই বেদে উল্লিখিত হয়েছে-  পয় পৃথিব্যাং পয় ওষধীষু পয়ো দিব্যন্তরিক্ষো পয়ো ধাঃ। পয়স্বতীঃRead More →

নদীমাতৃকা দেবী সরস্বতী প্রথম পর্ব

প্রথম পর্ব ধরাতলে                  চঞ্চলতা সব-আগে নেমেছিল জলে।                        সবার প্রথম ধ্বনি উঠেছিল জেগে                                      Read More →

সন্ন্যাস -দ্বিতীয় পর্ব

দ্বিতীয় পর্ব যক্ষের বিরহ চলে অবিশ্রাম অলকার পথে           পবনের ধৈর্যহীন রথে বর্ষাবাষ্প-ব্যাকুলিত দিগন্তে ইঙ্গিত-আমন্ত্রণে           গিরি হতে গিরিশীর্ষে, বন হতে বনে। সমুৎসুক বলাকার ডানার আনন্দ-চঞ্চলতা তারি সাথে উড়ে চলে বিরহীর আগ্রহ-বারতা           চিরদূর স্বর্গপুরে, ছায়াচ্ছন্ন বাদলের বক্ষোদীর্ণRead More →

সন্ন্যাস -প্রথম পর্ব

প্রথম পর্ব সে অনেক কাল আগের কথা। কত কাল আগে ? সেই তখন মগধ ষোড়শ মহাজন পদের এক অন্যতম শক্তিশালী মহাজন পদ ছিল। বর্তমানের বিহারের পাটনা, গয়া আর বাংলার কিছু অংশ নিয়ে গঠিত ছিল মগধ। রাজগৃহ ছিল মগধের রাজধানী। পরে অবশ্য পাটলিপুত্র হয় মগধের রাজধানী। শোন আর ভাগীরথীর মিলন স্থলেRead More →

শিক্ষাবিদ শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী

কল্যাণ গৌতম। ১৯৩৪ সালের ৮ ই আগষ্ট মাত্র ৩৩ বছর বয়সে ভারতবর্ষের সর্বাপ্রেক্ষা বৃহত্তম বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য পদে আসীন হলেন শ্যামাপ্রসাদ। পিতাপুত্র কোনো একটি ঐতিহ্যবাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রসরতাকে প্রবলগতি-সম্পন্ন করেছেন এমন উদাহরণ সম্ভবত একটিই — উপাচার্য হিসাবে স্যার আশুতোষ মুখার্জী এবং তাঁর উত্তরাধিকারী ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী৷ আশুতোষের প্রয়াণের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনে উৎকর্ষতারRead More →

কাব্য ও কথা-বার্তা : মে সংখ্যা – সূচীপত্র

সম্পাদকীয় প্রচ্ছদ নিবন্ধ মোহিত রায় শ্রীপর্ণা বন্দ্যোপাধ্যায় গল্প সিদ্ধার্থ সিংহ ……  আগাম ইন্দ্রাণী সমাদ্দার……  ভয় দেবদাস কুণ্ডু ……. অলীক আনন্দ কল্যান সেনগুপ্ত ……. ভয় অণুগল্প চুমকি চট্টোপাধ্যায় ……. মুন্সী ফ্যমিলির লকডাউন সোমনাথ বেনিয়া …….. ঘা রম্যরচনা দর্পণা রায় ….. প্রশ্ন: বামাতি ও জামাতির তুলনা করো  বিশেষ রচনা ডা. শিবাজী ভট্টাচার্য…..Read More →

গল্প: ভয়

স্যার, আপনাকে অভিক রায় ডেকেছেন। ফ্লোরের পিয়ন এসে দাঁড়ায়। কে অভিক রায়? অনির্বাণের আজ প্রথম দিন নতুন অফিসে, ড্রয়িংহলে বসে একটু নিজের বইপত্র গুছিয়ে রাখছে, এমন সময় পিয়ন এসেছে। আজ্ঞে সামনের চেম্বারে উনি বসেন। মালিকের ভাগ্নে। গেল তাহলে। এনার কাছেও কি ইন্টারভিউ দিতে হবে? ভিতরটা গুড় গুড় করে ওঠে। কেমনRead More →

কবিতা: ক্ষুধার পৃথিবী

ক্ষুধার ভেতর জন্ম নেয়  আরও একটি ক্ষুধার শরীর।  আলোর মুখোশ ভেদ করে  যেটুকু আলো আসে,  তাতে পড়ে না কোন প্রতিবিম্ব।  নগ্ন উৎসের কাছে যে ফিরে আসে  রামধনুর কোরিওগ্রাফি তার অজানা।  প্রাসাদের বাইরে নক্‌শার যে কারুকাজ ভেতরেও কি আছে সুদৃশ্য সিংহাসন? ক্ষুধার ভেতর ডুবে যাচ্ছে একটা করে পৃথিবী… মহাপৃথিবীর যাত্রী হয়েRead More →