গ্রন্থটি প্রতিটি হিন্দুগৃহে ধর্মগ্রন্থের মতো পবিত্র হয়ে উঠতে চলেছে। সেই গ্রন্থে এক হাজার বৎসরব্যাপী বিভিন্ন ইসলামিক আক্রমণকারীদের বিরুদ্ধে নিরবচ্ছিন্ন ও গৌরবময় হিন্দু প্রতিরোধের কথা বলবে। দীর্ঘদিন ধরে আমাদের ঐতিহ্য, ইতিহাস ও সত্যের চারপাশে বোনা মিথ্যাকে ধ্বংস করবে। গ্রন্থটি সর্বশ্রেষ্ঠ রাজবংশের সত্যকে প্রকাশ করবে। কেবলমাত্র সর্বশ্রেষ্ঠ হিন্দু রাজবংশই নয়, শুধু ভারতেরRead More →

“দেখো তো চেয়ে আমারে তুমি চিনিতে পার কি না।…দুজনে মিলি সাজায়ে ডালি বসিনু একাসনে,          নটরাজেরে পূজিনু একমনে।কুহেলি গেল, আকাশে আলো দিল-যে পরকাশি          ধূর্জটির মুখের পানে পার্বতীর হাসি।”(সাগরিকা, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে গেলে রুদ্র ও রুদ্রাণীর যোদ্ধৃত্ব রূপের সম্মিলন দরকার। মহাকাল ও মহাকালীর মিলন। শান্তি তো অত্যাচারীও দিতে পারে। কিন্তু সেRead More →

রানী চন্দ লিখছেন (আমার মা’র বাপের বাড়ি), আশ্বিনের সংক্রান্তি — ধীর শান্ত। শীতল জিনিস খাও, শীতল হয়ে থাকো। হেমন্তের কালটা ভালো নয়। হাওয়া, ‘ওম’ ভারী — এ কথা শুরুতেই মনে রাখতে হয়। মামীরা আশ্বিন সংক্রান্তিতে ভাত রান্না করে জল ঢেলে রাখেন, পরদিন ভিজে ভাত খান। বলেন — ‘আশ্বিনের ভাত কার্তিকেRead More →

দেবী মাহাত্ম্যে আমরা জানতে পারি সকল দেবতার মিলিত তেজ ও শক্তিতে গড়ে উঠেছিল দেবী দুর্গার অবয়ব এবং আয়ূধ। এরই মধ্যে দেখা যায়, সূর্যদেব তাঁর নিজের শরীরের প্রচণ্ড কিরণ দেবীর লোমকূপে কূপে ঢেলে দিয়েছিলেন। তাই দেবী হয়ে উঠেছিলেন তীব্র জ্যোতির্ময়ী। অসুর সেই প্রখর আলোর দিকে তাকালে চোখ ধাঁধিয়ে যাবে তার। অশুভRead More →

আশা পারেখ সেই সমস্ত নামগুলোর মধ্যে একটি যারা সত্তরের দশকে বলিউডে চুটিয়ে অভিনয় করেছেন এবং বলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে হিট ছবির রাজ্যে একপ্রকার রাজত্ব করে গেছেন। বর্ষীয়ান এই অভিনেত্রীই এবার মুখ খুললেন সেকাল ও একালের বলিউড ইন্ডাস্ট্রিকে কেন্দ্র করে। তিনি একদিকে দিকে বলিউড সিনেমার বর্তমান দৃশ্য ও নাচগানের সমালোচনা করেন। আবার অপরদিকেRead More →

মনসা – মঙ্গল বা পদ্মা পুরাণ বঙ্গের সুপরিচিত গ্রন্থ। যখন জয়দেব – বিদ্যাপতি – চণ্ডীদাসের কলকাকলীতে পশ্চিমবঙ্গ মুখরিত, তখন কবি শ্রী বিজয় গুপ্ত ভক্তি ব্যাকুল কণ্ঠে দেবী মনসার পূজা প্রচার কাহিনী বর্ণনা করে পূর্ব বঙ্গ প্লাবিত করেন। মনসা নতুন দেবতা নন। পৃথিবীর প্রায় সকল দেশের ইতিহাসে সর্প পূজার রীতি প্রচলিতRead More →

সুদর্শনে গোপাল-গোবিন্দ ।কবি বলছেন “মানুষই দেবতা গড়ে/তাহারই কৃপার ‘পরে/করে দেব মহিমা নির্ভর।” জন্মাষ্টমীতে বংশীধারী কৃষ্ণকে প্রদর্শন করে আমরা শক্তি হারিয়েছি। বাঁশির-রূপে বাঙালিকে জারিত করেছে কে? মধ্যযুগীয় বিদেশি শাসনের পৃষ্ঠপোষকতায় হিন্দু প্রবুদ্ধজন, কবি ব্যক্তিত্ব। তারপর এল কথক ঠাকুরের কারুকাজ; পরিবর্তন এল পালাগান, কীর্তন, শিল্প সংস্কৃতিতে— ধীরে ধীরে জারিত হয়ে শ্রীকৃষ্ণ উপস্থাপিতRead More →

আমরা জানি শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেব কামারপুকুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন এবং মৃত্যুবরণ করেছিলেন কলকাতার কাশীপুর উদ্যানবাটিতে। কিন্তু যিনি ঈশ্বর তাঁর কী জন্ম আছে, না কি মৃত্যু? ঈশ্বর যিনি, তিনি জন্মরহিত, তিনি অবিনশ্বর, তিনি অব্যক্ত, নির্বিশেষ, নির্বিকার। ঈশ্বর যখন সাকাররূপ ধারণ করে আসেন এবং ব্যক্তস্বরূপে লীলাবেশ ধারণ করেন, তখন তিনি অবতারূপে গণ্য হন।Read More →

স্বাধীনতা দিবসে মহারাষ্ট্রের শিন্ডে সরকারের তরফে দেওয়া হল বিশেষ নির্দেশিকা। এই নির্দেশিকা অনুযায়ী, মহারাষ্ট্রের সরকারি আধিকারিকদের ফোন কল রিসিভ করার পরে ‘হ্যালো’-এর পরিবর্তে ‘বন্দে মাতরম’ বলতে হবে। এই নির্দেশিকা কার্যকরী হওয়ার ঘোষণাটি করেছেন মহারাষ্ট্রের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী সুধীর মুঙ্গান্তিওয়ার। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মহারাষ্ট্রের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী সুধীর মুঙ্গান্তিওয়ার বলেন, “আমরাRead More →

তখনই জেনেছিলাম রাখীফুলের কথা। যে বাড়িতে ঝুমকোলতার ফুল ফোটে ভাইবোনকে হাত ধরে সেই বিকেলেই নিয়ে যায় দিদি। বেড়ার উপর ঝুমকোলতার ছড়ানো সবুজ চাদর, মাঝেমাঝে উঁকি মারছে এক একটি স্বর্গের ফুল, ভারী মিষ্টি তার গন্ধ। “ফুলগুলি যেন কথা,/ পাতাগুলি যেন চারি দিকে তার/ পুঞ্জিত নীরবতা॥” আগ্রহে, উৎসাহে, আতিশয্যে ফুল নেড়েচেড়ে দেখতে গিয়েRead More →