মন্দিরে মম কে আসিলে হে!               সকল গগন অমৃতগমন, দিশি দিশি গেল মিশি অমানিশি দূরে দূরে ॥               সকল দুয়ার আপনি খুলিল,               সকল প্রদীপ আপনি জ্বলিল,      সব বীণা বাজিল নব নব সুরে সুরে ॥ ভারতের মন্দিরগুলি শিল্পকলা, ধর্মীয় বিশ্বাস, মূল্যবোধ ও হিন্দু জীবনদর্শনের এক সংমিশ্রণ। এগুলি হল একটি পবিত্র ক্ষেত্রের মধ্যেRead More →

পর্ব_২ এই তীর্থ-দেবতার ধরণীর মন্দির-প্রাঙ্গণে যে পূজার পুষ্পাঞ্জলি সাজাইনু সযত্ন চয়নে সায়াহ্নের শেষ আয়োজন; যে পূর্ণ প্রণামখানি মোর সারা জীবনের অন্তরের অনির্বাণ বাণী জ্বালায়ে রাখিয়া গেনু আরতির সন্ধ্যাদীপ-মুখে সে আমার নিবেদন তোমাদের সবার সম্মুখে “ঋক্-রচয়িতা ঋষি ছন্দে মন্ত্ররচনা করিয়া গিয়াছেন, এই মন্দিরও পাথরের মন্ত্র; হৃদয়ের কথা দৃষ্টিগোচর হইয়া আকাশ জুড়িয়াRead More →

পর্ব_১ সব লেখা লুপ্ত হয়, বারম্বার লিখিবার তরে নূতন কালের বর্ণে। জীর্ণ তোর অক্ষরে অক্ষরে কেন পট রেখেছিস পূর্ণ করি। হয়েছে সময় নবীনের তুলিকারে পথ ছেড়ে দিতে। হোক লয় সমাপ্তির রেখাদুর্গ। নব লেখা আসি দর্পভরে তার ভগ্নস্তূপরাশি বিকীর্ণ করিয়া দূরান্তরে উন্মুক্ত করুক পথ, স্থাবরের সীমা করি জয়, নবীনের রথযাত্রা লাগি।Read More →

পর্ব ২ সেই যে আগের পর্বে বলেছিলাম -শ্বেতরাজার মুলুকে , তাঁর রাজঅবরোধে ষড়যন্ত্র করে দুষ্ট ম্লেচ্ছ আত্মাদের আক্রমণ ঘটল, সেই ভীষণ যুদ্ধে শ্বেতরাজা , তাঁর দারুন সৈন্যদল বীরগতি প্রাপ্ত হলেন। তারপর , দুশো বৎসর অতিক্রম করল। এই দুশো বৎসরের মধ্যে শ্বেতরাজার গড়ে মারী মহামারী হয়ে অতিমারীর রূপ নিল। মার মহামারRead More →

রামায়ণ অর্থাৎ শ্রীরামচন্দ্রের কাহিনী। সেই কাহিনী গ্রন্থে অর্থাৎ গল্পের বইতে দর্শন? আসলে মহাভারতের যুদ্ধের পরে কলিযুগের আরম্ভে ঋষিরা মানুষের মেধা এবং ধর্মের প্রতি মানুষের অনুরক্তির হ্রাসের কথা চিন্তা করে সমস্ত তত্ত্ব ও দর্শনকে সর্বসাধারণের মধ্যে প্রচার করার উদ্দেশ্যে জীবনের গভীর তত্ত্বগুলিকে কাহিনীর আকারে প্রকাশ করার পরিকল্পনা করেন। এই মহান্ জ্ঞানসত্রRead More →

মন্দির – শ্রদ্ধা-ভজনে বিমুগ্ধ বন্দনা মন্দির – পরমেশ্বরের শুদ্ধতম প্রসাদ মন্দির – আত্মার জাগরণী উজ্জ্বল কণা মন্দির – ধরণীর বুকে ভগবানের প্রাসাদ। সেই মন্দিরের দেশ হল ভারতবর্ষ। ভারতের প্রতিটি রাজ্যের অসংখ্য সুপ্রাচীন মন্দিরের অবস্থান রয়েছে। যার মধ্যে অন্যতম হলো  কর্ণাটক। কর্ণাটক ভারতের এক মন্দিরময় রাজ্য, যেখানে ৩৫০০০ সুন্দর, ঐতিহাসিক এবংRead More →

“হাটের লোকের পায়ে-চলা রাস্তার বাইরে আমাদের পা সরতে ভরসা পায় না বলেই আমাদের দেশে স্টাইলের এত অনাদর। দক্ষযজ্ঞের গল্পে এই কথাটির পৌরাণিক ব্যাখ্যা মেলে। ইন্দ্র চন্দ্র বরুণ একেবারে স্বর্গের ফ্যাশানদুরস্ত দেবতা, যাজ্ঞিক মহলে তাঁদের নিমন্ত্রণও জুটত। শিবের ছিল স্টাইল, এত ওরিজিন্যাল যে মন্ত্র-পড়া যজমানেরা তাঁকে হব্যকব্য দেওয়াটা বে-দস্তুর বলে জানত।”Read More →

দ্বিতীয় পর্ব নমঃ শিবায় শান্তায় কারুণাত্রায় হেতবে নিবেদিতামি চাত্মানং ত্বং গত্বিং পরমেশ্বর॥ তিন কারণের (সৃষ্টি, স্থিতি ও বিনাশের)হেতু শান্ত শিবকে প্রণাম ।হে পরমেশ্বর তুমিই পরমগতি ।তোমার কাছে নিজেকে সমর্পণ করি । সুপ্রাচীন ভারতবর্ষের বলি রাজার পুত্রের রাজত্ব বঙ্গ, সেথায় হতো শিবের উপাসনা। সেই বঙ্গ যেখানে  এক সময় সূচিত হয় #নাথ_যোগী যুগ।Read More →

প্রথম পর্ব ওঁ ধ্যায়েন্নিত্যং মহেশং রজতগিরিনিভং চারুচন্দ্রাবতংসং রত্নাকল্পোজ্জ্বলাঙ্গং পরশুমৃগবরাভীতিহস্তং প্রসন্নম্।পদ্মাসীনং সমন্তাৎ স্তুতমমরগণৈর্ব্যাঘ্রকৃত্তিং বসানং বিশ্বাদ্যং বিশ্ববীজং নিখিলভয়হরং পঞ্চবক্ত্রং ত্রিনেত্রম্।। শিব রুদ্র , প্রলয়ংকর  , সর্বশক্তিমান , আদিপিতা।  তিনি হিমালয় থেকে কন্যাকুমারী অরুণাচল থেকে গুজরাট সকল ভারতবাসী একমাত্র গণদেবতা । মহাদেব ,লিঙ্গরাজ, লিঙ্গেশ্বর, পশুপতি , মহাকালেশ্বর ,বৈদ্যনাথ , আশুতোষ ভোলেবাবা কত তাঁর নাম। তিনিRead More →