প্রতিটা জাতির একটি নির্দিষ্ট আস্থার জায়গা থাকে। যাকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয় সেই জাতির সভ্যতা – সংস্কৃতি – ধর্ম। ইহুদিদের যেমন ছিলো সলোমনের মন্দির! যখনই ইহুদিদের কেউ আঘাত দিতে চাইত‚ মানসিকভাবে দুর্বল করতে চাইতো‚ তখন তারা আঘাত হানত সলোমনের মন্দিরে। বারবার তাদের শত্রুরা ধ্বংস করেছে সলোমনের মন্দির! একইভাবে ভারতবাসীর আস্থারRead More →

নৈহরবাঁ হমকো নঁহি ভাবে।। সাঁঈ কী নগরী পরম অতি সুন্দর জঁহ কোই জায় না আবে চাঁদ সুরজ জঁহ পবন ন পানী কো সন্দেশ পহুঁচাবে! পরিপূর্ণতার দিকে নিয়ে যায় ব্রহ্ম কখনো নিরাকার আবার কখনো সাকার রূপে। তিনি কখনো চন্দ্র, সূর্য , পবন, জল ; আবার কখনো বৃক্ষ – লতা- পাতা- ঘাস,Read More →

থিরুক্কুরাল যা থিরুভাল্লুভার রচিত তামিল ভাষার ধ্রুপদী রচনা, সাহিত্যকর্মের মধ্যে একটি প্রধান স্থান রাখে। একে বলা হয়েছে ‘সর্বজনীন বেদ’ এবং প্রায়শই আমাদের প্রধানমন্ত্রী তার সমৃদ্ধির জন্য উদ্ধৃত করেন। ক্ষমতাসীন সরকারের পক্ষ থেকে এটিকে জনপ্রিয় করার চেষ্টা করা হয়েছে যাতে সমস্ত ভারতেয় ভাষায় অনুবাদ করা হয়। নাস্তিক দ্রাবিড় দল দ্বারা প্রাচীনকালেরRead More →

আমরা অনেকেই শুনেছি তিব্বতের গীয়ত সন্ন্যাসীদের কথা। তাঁদের অসাধারণ জব করার শক্তি এবং প্রাচীন পবিত্র লেখার মৃদু গঞ্জনধ্বনি । তাঁরা পশ্চিমের স্রোতাদের মন্ত্রমুগ্ধ করেছেন তাদের দীর্ঘ মনোযোগী ও সঠিক তিব্বতীয় বৌদ্ধ মন্ত্র দ্বারা। তাঁদের উপস্থিতিতে আপনি অনুভব করবেন স্বচ্ছতা এবং অন্তরের শক্তির স্থানান্তরিত শক্তি । বৌদ্ধ ঐতিহ্য ও পবিত্র ভাষাRead More →

গগনের থালে রবি চন্দ্র দীপক জ্বলে,                    তারকামণ্ডল চমকে মোতি রে।।                   ধূপ  মলয়ানিল,  পবন চামর  করে,                    সকল বনরাজি ফুলন্ত জ্যোতি রে।।                  কেমন আরতি, হে ভবখণ্ডন, তব আরতি–                    অনাহত শব্দ বাজন্ত ভেরী রে।।চাঁদ , চাঁদপানা, চন্দ্রকলার ন্যায়, নক্ষত্র মন্ডলে চন্দ্রকলা, চাঁদের মতো মুখ , বামন হয়ে চাঁদে হাত …..চাঁদ নিয়ে কত সৌন্দর্য , কত রোম্যান্টিসিজম তাই না? পূর্ণিমা চন্দ্রালোকে  উদ্ভাসিত পৃথিবী কত প্রেম , কত অভিসার ,কত উত্থান কত পতনের সাক্ষী। চন্দ্রালোক শীতল এক স্বর্গীয় রাত্রিতে দেবীRead More →

 ‘কন্যাদান’ এই বিবাহের ঋতুতে অদ্ভুত – যদিও সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত নয় – ভারতে এবং বিশ্বব্যাপী উভয় কারণেই খবরে রয়েছ ৷ এর একটি অংশ মানিয়াভারের একটি বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে – “ভারতীয় জাতিগত পোশাক”-এর নির্মাতারা – যা এই সচেতনতা বাড়াতে চেষ্টা করছে যে একটি কন্যা ‘দান’ করার মতো বস্তু নয়।  এর পরেRead More →

জয় হিন্দ বন্ধুগণ! আজ আরো একবার আপনাদের কাছে Mission Kali নিয়ে এসেছে Dharma Worrior- এর আরো একটি নতুন পর্ব।  ছত্তিসগড়- এর এক-তৃতীয়াংশ জনবসতি হল আদিবাসী অধ্যুষিত এবং এই সহজ সরল আদিবাসী মানুষ গুলিকে খ্রীষ্ট ধর্মে রূপান্তরিত করার জন্য বিভিন্ন রকমের প্রলোভন দেওয়া হয়। কিন্তু বাস্তরের জেলা মুখ্যালয়, জগদলপুর থেকে ১০Read More →

১.বাংলা পঞ্জিকাবর্ষের অষ্টম মাস অগ্রহায়ণ। হেমন্ত-মরশুমের পরিসমাপ্তিতে পাকা ধানকে কেন্দ্র করেই তার কৃষি-সংস্কৃতি। অঘ্রাণ ক্ষেতে ‘মধুর হাসি’, ‘ফসলের সুবর্ণ যুগ’ নিয়ে আসে, আর তাই এ ‘লক্ষ্মীর মাস’। ব্রীহি ধানের উৎপাদন প্রাবল্যেই একসময় অঘ্রাণকে বছরের প্রথম মাস বা ‘মার্গশীর্ষ’ ধরা হত। বছরের আগে আসে বলেই অগ্রহায়ণ (অগ্র=আগে, হায়ণ=বছর); তার সংক্রান্তি বাRead More →

‘এক পবন, এক হি পানি, এক জ্যোতি সংসারাএর হি খাক ঘরে সব ভাণ্ডে একি সৃজন হারাএক বায়ু একটাই সূর্য। এক মাটিতে গড়া নশ্বর দেহ, একজনই সৃজনকর্তা। এক ওঙ্কার সত্যনাম পরমপুরুষের কীর্তনেই আস্থা ছিল তাঁর। মানুষে মানুষে ভেদাভেদ, সে তো ঈশ্বরের সৃষ্টি চরম অবমাননা। তাঁর প্রবচন দূর করেছিল সামাজিক বৈষম্য। তিনিRead More →

এই প্রশ্ন সবার মনে জাগতে পারে। জাগবেও। এর উত্তর ঋগ্বেদে আছে। সেখানে বলা হয়েছে প্রকৃতির প্রধান ঋতু তিনটে : গ্রীষ্ম, বর্ষা ও শীত। উপমহাদেশের বাইরে কোথাও এত আলাদা করে তিনটে ঋতু দেখা যায় না। সেখানে গ্রীষ্মকালে অথবা শীতকালেই বৃষ্টি হয়ে থাকে। আমরা যাকে তুষারপাত বলি, তা আসলে শীতকালীন বৃষ্টি ছাড়াRead More →