দেওয়াল জুড়ে গ্রাম্যজীবনের রঙিন দৃশ্যপট। ট্রেনের গায়ে রাম-সীতা বা পুরানের কোনও গল্পগাথা। প্ল্যাটফর্মের আনাচ কানাচে রাধা-কৃষ্ণের প্রেম লীলা। একটা গোটা রেল স্টেশনকে মধুবনী বা মৈথিলি চিত্রকলার আদরে মুড়ে ফেলেছে বিহার,— মধুবনী স্টেশন। রাজ্যের সুপ্রাচীন সংস্কৃতির ছোঁয়া এই স্টেশনের সর্বত্র। রামধনুর সাত সুর খেলে এই স্টেশনের ইট-কাঠ-পাথরে। মৈথিলি লোকগাথার গল্প বলেRead More →

হিমাচল প্রদেশের মান্ডি শহরটি বহুদিন ধরেই পর্যটনপ্রেমীদের কাছে পরিচিত। এই শহরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে আপনি মুদ্ধ হয়ে যাবে। দু’পাশ থেকে পাহাড় স্বাগত জানাবে আপনাকে। তাই কয়েক দিনের অবকাশ কাটানোর জন্য বেছে নিতেই পারেন এই নিরিবিলি শরটিকে। বিয়াস এবং সুকেটি নদীর সঙ্গম স্থলে এই শহর অবস্থিত। বাংলার নবদ্বীপের মতোই এই শহরেও ছড়িয়েRead More →

পৃথিবীতে এমন অনেক স্বর্গদুয়ার আছে, যেখানে কোনও যানবাহন যায় না। পায়ে হেঁটে পৌঁছতে হয় সেইসব ভ্রমণক্ষত্রে। বহু বাঙালি ট্রেকিং-এ যান। পাহাড়ের কোলে বেয়ে হেঁটে হেঁটে শিখরে পৌঁছতে কার না ভাল লাগে! তবে ট্রেকিং-এ যেতে হলে নিজের শরীরকে রাখতে হবে একদম ফিট। এর জন্য সাড়া বছর প্রস্তুতির প্রয়োজন। অর্থাৎ মন চাইলেইRead More →

ছুটি কাটানোর দারুণ ঠিকানা অসমের শৈলশহর হাফলং। ৬৮০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত হাফলং উত্তর কাছার জেলার সদর শহর। হাফলং শব্দটি এসেছে ‘হাঁফলাঁও শব্দটি থেকে। দিমাশি ভাষায় হাঁফলাঁও-এর অর্থ উইয়ের ঢিপি। মূলত পাহাড়িয়া পরিবেশ উপভোগ করতেই পর্যটকরা পাড়ি জমান এখানে। ১০ কিলোমিটার দূরেই জাটিঙ্গা। শিয়ালদহ থেকে ভোরবেলার কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে চেপে পরদিন দুপুরেRead More →

হৃষীকেশের সুবিখ্যাত ঝুলন্ত সেতু লছমনঝোলা চিরতরে ছুটি নিল। মানে গঙ্গাবক্ষের বিখ্যাত সেতুটি নেই হয়ে গেল! বিশেষজ্ঞরা জানিয়ে দিয়েছেন, তাকে সারিয়েও আর চালানো সম্ভব না। ফলে সেতুটিকে ‘মুক্তি’ দিতে চলেছে স্থানীয় প্রশাসন। স্বভাবতই একথা শুনে গোটা দেশের মন খারাপ। গড় ভারতীয়ের ভ্রমণের অ্যালবামে লছমনঝোলার স্মৃতীচিত্র আছেই। তাছাড়া কত সন্তের চরণচিহ্ন, কতRead More →

গোকর্ণ, পাহাড় ও সমুদ্রের মেলবন্ধনে এক অপূর্ব, একাকী ভ্রমণ দ্রষ্টব্য। যারা একটু নিরিবিলি, নির্জনে নিভৃতে ছুটি কাটাতে চান তাদের জন্য একেবারে আদর্শ ভ্রমণস্থল। যেকোনো কারণেই হোক গোকর্ণ গোয়া বা বিশাখাপত্তনমের থেকে অনেক বেশী সুন্দর হলেও এখানে ভারতীয় পর্যটকের সংখ্যা লক্ষ্যণীয় ভাবে কম। বিশেষ করে কুদলে বীচের 99% পর্যটকই ইউরোপিয়ান, রাশিয়ানRead More →

২০মে ১৯৬১ শনিবার কলকাতা ইউনিভর্সিটি ইনস্টিটিউ হলে নিখিল ভারত জনসঙ্ঘের সাধারণ সম্পাদক পণ্ডিত দিনদয়াল উপাধ্যায় আসাম সরকারের নতুন করে বাঙালি নিধনযজ্ঞ শুরু করার প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন যে , কোন গণতান্ত্রিক দেশে যে এরূপ দমননীতি চালানো যেতে পারে , তো তাঁর ধরণা ছিলনা। Read More →

চিত্ততলে যে নাগবালা ছড়িয়ে ছিঁড়ে কেশের কেশর কাঁদছে—–অফুরন্ত অশ্রুধারা সহস্রবার নাসার বেশর বাঁধছে ;মানিক-হারা পাগল-পারা যে বেদনা বাজছে তাহার বক্ষে, পলে-পলে পলক বেয়ে অলক ছেয়ে ঝরছে যাহা চক্ষে ; দুঃখে-ভাঙা বক্ষে যাহা নিশ্বসিয়া সকাল-সাঁঝে টুটছে—- মহাকালের সোপানতলে নাগকেশরের ফুল হয়ে তাই ফুটছে ! শোনা যায়, নাগলিঙ্গম গাছে যখন ফুল ফোটেRead More →

​শহিদ হরিগোপাল বল ওরফে টেগরা বয়সে ছিল সব চেয়ে ছোট মাত্র ১৪বছর বয়স। বড়ই এক রাখো ছেলে মাঝে মাঝে পাহাড়ের আড়াল থেকে উঠে দাঁড়িয়ে দেখে নিতে চাইছে শত্রু সেনার অবস্থান পাহাড়ের নিচে গোর্খা রেজিমেন্টের সেপাইদের মেশিনগান থেকে গুলি ছুটছে অবিরত । হঠাৎ পাহাড় কাঁপিয়ে আর্তনাদ করে উঠলো সে । একটাRead More →

আমি মফস্বলের মেয়ে বেহালা চৌরাস্তা ছাড়িয়ে শিলপাড়া ছাড়িয়ে আরো ভিতরে আমার বাড়ি ছিল । এখনো গেলে প্রাচীন মফস্বলের সোঁদা গন্ধ ভেসে আসে। আমার জন্মের ঠিক এক বছর আগে ১৯৮৮ সালে আমার কাকা, বাবা ,বড় পিসি মিলে কেনারাম গাঙ্গুলীর শেষ প্রান্তে দের কাঠা জমি কিনে নিজেদের স্বপ্নের বাড়িতে তৈরি করেছিলেন। বাড়িতেRead More →