কেন রূপান্তরের সময় বাদশাহরা প্রমাণ রেখেছিলেন ?

ভারতবর্ষের বিভিন্ন বিতর্কিত ধর্মীয় বা বিজয় স্থাপত্যের সঠিক ইতিহাস জানার জন্য হঠাৎ করেই দেশবাসির উৎসাহ যেন বেড়েই চলেছে। সরকার এবং আদালতও মানুষের সঠিক ইতিহাস জানার এই উৎসাহের প্রতি সন্মান জানিয়ে ভারতের পুরাতত্ব বিভাগের পন্ডিত ব্যক্তিদের সত্যান্বেশনের জন্য কাজে লাগানো শুরু করেছেন। এমতাবস্থায় একটা বাবরি, জ্ঞানভাপি, কুতুবমিনার ইত্যাদি বিভিন্ন মধ্যযুগীয় শাসকদেরRead More →

স্বাধীনতা সংগ্রামী ও বিপ্লবী অগ্নিকন্যাসুনীতি চৌধুরী (জন্মঃ- ২২ মে, ১৯১৭ – মৃত্যুঃ- ১২ জানুয়ারি, ১৯৮৮)

কুমিল্লার ফয়জুন্নেসা সরকারি হাইস্কুলের অষ্টম শ্রেণির দুটি ছাত্রী কুমারী সুনীতি চৌধুরী ও কুমারী শান্তি ঘোষের রিভলবারের গুলিতে নিজের বাড়িতেই নিহত হয়েছিলেন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মি. স্টিভেন্স ১৯৩১ সালের ১৪ ডিসেম্বর। শান্তির বয়স তেরো এবং সুনীতির চৌদ্দ হলেও ইংরেজ জজ হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছিলেন কী ধাতুতে গড়া ওই দুই বালিকা। বিচার চলারRead More →

মুকুজ্জে শুনে পা ছুঁয়ে  পেন্নাম করে ফেললুম।

(বানানো গল্প নয়। সত্যি ঘটনা) “এতক্ষণ ধরে বোকার মত বসে ছিলি কেন? ঢেউ গুনতে পারিস নি? প্রতি ঢেঊয়ে সাত পয়সা করে হলে এতক্ষণে তুই লাখপতি হয়ে যেতিস, জানিস?” আমি বললুম, বোকার মত বসে থাকিনি তো। আমি তো ইলিশ মাছের নৌকো গুনছিলাম। ছোটোকাকা ছেড়ে দেবার লোক নন। বলল, সেটা অবশ্য ঠিকইRead More →

২০ মে’র  চুকনগর

হানাদারদের নৃশংসতা ও অত্যাচারের মুখে প্রাণের ভয়ে খুলনা, বাগেরহাট, বরিশাল, ফরিদপুর, রামপাল, মোড়েলগঞ্জ, কচুয়া, শরণখোলা, মংলা, দাকোপ, বটিয়াঘাটা, চালনার লাখ লাখ হিন্দু ধর্মাবলম্বীসহ বিপুল সংখ্যক মানুষের উদ্দেশ্য তখন খুলনার ডুমুরিয়া হয়ে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতে পৌঁছানো। উদ্দেশ্য একটাই ভারতে শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় নেওয়া। ভারতীয় সীমান্তে পাড়ি জমাতে হলে ডুমুরিয়া পর্যন্তRead More →

প্রয়াণ দিবসে বিপিনচন্দ্র পাল-কে শ্রদ্ধা।

১৮৭৭ সালে শিবনাথ শাস্ত্রীর আদর্শে বিপিনচন্দ্র পাল (৭ নভেম্বর, ১৮৫৮ — ২০ মে, ১৯৩২) হিন্দুধর্ম ত্যাগ করে হলেন ব্রাহ্ম। ব্রাহ্মধর্মের প্রচারক হিসাবে নিজেকে তৈরি করতে তিনি বৃত্তি নিয়ে ইংল্যান্ড গেলেন (১৮৮৯)। বাগ্মীতার জন্যই সেখান থেকে অন্য একটি বৃত্তি নিয়ে আমেরিকা। দুর্দান্ত সেই বক্তৃতা, শুনে মোহিত হয়ে যেতেন মানুষ; তখনও স্বামীজিRead More →

প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধা — ডাক্তার নীলরতন সরকার

ইংরেজিতে পদবীর বানান লিখতেন Sircar। খ্যাতনামা ডাক্তার ছিলেন, ছিলেন শিক্ষাবিদ৷ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসাবেও তাঁর অধিষ্ঠান (১৯১৯-১৯২১), শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর সঙ্গেও ছিল ঘনিষ্ঠতা। একসময় কলকাতার একটি স্কুলে শিক্ষকতা করেছিলেন, সেই স্কুলে সহকর্মী হিসাবে পেয়েছিলেন নরেন্দ্রনাথ দত্তকে, পরে যিনি স্বামী বিবেকানন্দ। তাঁর মৃত্যুর (১৮/০৫/১৯৪৩) কয়েক বছর পর ১৯৪৮ সালে তাঁর নামে NRSRead More →

প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধা দ্বিজেন্দ্রলাল রায়কে(১৯ শে জুলাই, ১৮৬৩ — ১৭ ই মে, ১৯১৩) কেবল জাতীয়তাবাদী নাট্যকার, সঙ্গীত-রচয়িতা নন, ডি. এল. রায় একজন কৃষিবিদও।

দ্বিজেন্দ্রলাল রায় যে একজন কৃষি-বিশেষজ্ঞ ছিলেন এই তথ্য আমাদের অনেকের জানা নেই। স্নাতকোত্তর ইংরাজী সাহিত্যের একজন কৃতীছাত্র কেন কৃষিবিজ্ঞান নিয়ে পড়তে বিলাতে গিয়েছিলেন তা আজও বাঙ্গলা সাহিত্যের গবেষকদের কাছে কৌতুহলের বিষয়। কৃষিবিদ্যায় উচ্চতর ডিগ্রি নিয়ে ব্রিটিশ সরকারের অধীনে উচ্চপদে কর্মরত হওয়া যাবে এ বাসনা হয়তো ছিল, বিশেষ করে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তেরRead More →

তিনি ‘সঙ্ঘ’ দিলেন, এবার বোঝবার পালা — এক থাকবো, না ধ্বংসপ্রাপ্ত হবো।

তিনি আমাদের ‘সঙ্ঘ’-সম্পৃক্ত করেছেন; একত্রিত করেছেন, সঙ্ঘবদ্ধ করেছেন, এক থাকতে উপদেশ দিয়েছেন। তিনি শাক্যমুনি গৌতম বুদ্ধ। ‘সঙ্ঘ’ বলতে আদিতে বৌদ্ধভিক্ষু-সমাজ বোঝালেও, ক্রমে তাই হয়ে ওঠে নানান হিন্দু সমাজের নয়নের মণি। তাছাড়া বৌদ্ধধর্মকে হিন্দু ধর্ম থেকে তো আলাদা করা যায়ই না। গৌতম বুদ্ধকে দশাবতারের অন্যতম কল্পনার মধ্যেই হিন্দু ধর্মের বৃহত্তর সমন্বয়Read More →

সার্ধ দ্বি শতবর্ষে রাজা রামমোহন রায়কে যেমন দেখছি -রামমোহনের মতবাদকে হিন্দুধর্ম থেকে আলাদা করাই যায় না।

হয়তো নির্ধারিত কালের পূর্বে তাঁর আবির্ভাব। হয়তো কালের আগেই তিনি ভারতবর্ষে জন্ম নিয়েছিলেন। জন্ম হুগলির খানকুলের রাধানগর গ্রাম। আর মৃত্যু ইংলন্ডের ব্রিষ্টল শহর। কর্ম ও কৃত্যে তো বটেই, জন্ম-মৃত্যুতেও যিনি প্রাচ্য ও প্রতীচ্যকে যুক্ত করলেন, সেই রাজা রামমোহন রায় (১৭৭২/১৭৭৪–১৮৩৩) ছোটোবেলায় আমাদের কাছে কিছুটা অস্পষ্ট ছিলেন। হয়তো বড়দের কাছেও। কারণRead More →

দিল্লির বাটলা হাউসের এনকাউন্টারের বাস্তব;  কংগ্রেস নেতারা এটিকে ভোটের জন্য ব্যবহার করেছিলেন, প্রাক্তন এলজি তেজেন্দ্র খান্না তার টেল-অল বইতে প্রকাশ করেছেন

কংগ্রেসের মতো ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে দেশের সৈন্য এবং পুলিশ সদস্যদের সততা এবং নিষ্ঠা নিয়ে সন্দেহ করার প্রবণতা ও সন্ত্রাসবাদী এবং দেশবিরোধী শক্তিগুলিকে নিরস্ত করার সময় সৈন্য ও পুলিসের চরিত্র হনন ও আক্রমণের প্রবণতা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক ।একজন প্রাক্তন বেসামরিক কর্মচারী যিনি ক্যাডারে উঠেছিলেন এবং দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর হিসাবে দায়িত্ব পালনRead More →