পশ্চিমবঙ্গ কেবল একটি প্রদেশের নাম নয়, শত শত বছরের একটি আস্ত ইতিহাস।

২০ শে জুন, পশ্চিমবঙ্গ প্রতিষ্ঠা দিবস। বাঙালি হিন্দুর বিজয় দিবস। একটি রথযাত্রার দিন, শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী রথের সারথী। তিনি পশ্চিমবঙ্গের রথ ছুটিয়ে নিয়ে দিল্লিতে চলেছেন। বাংলা মা ভারত মাতায় একাকার হবেন।পশ্চিমবঙ্গ কেবল একটি প্রদেশের নাম নয়, কেবল পূর্বতন বঙ্গপ্রদেশের পশ্চিমাংশ নয়। পশ্চিমবঙ্গ একটি ভাবনার নাম, পশ্চিমবঙ্গ বাঙালির অস্তিত্বের নাম, পশ্চিমবঙ্গ বাঙালিরRead More →

স্বাধীনতা সংগ্রামী, অগ্নিযুগের বিপ্লবী এবং সাহিত্যিক পূর্ণেন্দু দস্তিদার (জন্মঃ- ২০ জুন, ১৯০৯ – মৃত্যুঃ- ৯ মে, ১৯৭১)(সংসদ বাঙালি চরিতাভিধান অনুযায়ী)

১৯৩০ সালের ডিসেম্বর মাসে যুব বিদ্রোহের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে পূর্ণেন্দু দস্তিদারকে পুলিশ গ্রেফতার করে। শুরু হয় জেল জীবন। যখন তাঁকে বন্দী করা হয় তখন তাঁর ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ বর্ষের পরীক্ষা প্রায় ঘনিয়ে এসেছিল। তখন কারাগারে থেকে রাজবন্দীদের পরীক্ষায় অংশ নেয়ার সুযোগ-সুবিধা ছিল খুবই সীমিত। ফলে তাঁর পক্ষে ইঞ্জিনিয়ারিং পরীক্ষা দেয়াRead More →

স্বাধীনতা সংগ্রামী এবং অগ্নিযুগের বিপ্লবীশহীদ দীনেশচন্দ্র মজুমদার (জন্মঃ- ১৯০৭ – মৃত্যুঃ- ৯ জুন, ১৯৩৪)(সংসদ বাঙালি চরিতাভিধান অনুযায়ী)

বিপ্লবী অনুজাচরণ সেনের মাধ্যমে যুগান্তর বিপ্লবী দলে যোগদান করেন দীনেশচন্দ্র। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় বাঘা যতীনের নেতৃত্বে বিপ্লবী অভ্যুত্থানের সময় বালেশ্বরের গুপ্ত ঘাঁটির পরিচালক শৈলেশ্বর বোস যক্ষ্মা রোগে আক্রান্ত হলে অনুজাচরণ রাত জেগে সেবা করেন। এরপর দলনেতার নির্দেশে তিনি বগুড়া ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগণায় বিপ্লবী সংগঠনের কাজে বর্তী হন। লাঠি খেলারRead More →

স্বাধীনতা সংগ্রামী বীরসাঃ

কালক্রমে শান্তশিষ্ট মুন্ডা উপজাতি ইংরেজ শাসন বিরোধী হয়ে উঠেছিল এবং এক রক্তক্ষয়ী সংগ্রামে তারা অবতীর্ণ হয়েছিল।কিন্তু কেন? নৃতাত্ত্বিক-ইতিহাসবিদ কুমার সুরেশ সিং তাঁর The Dust-Storm and the Hanging Mist: A Study of Birsa Munda and His Movement in Chotanagpur (1874–1901)গ্রন্থে মুন্ডা বিদ্রোহের বিস্তৃত বিবরণ দিয়েছেন।প্রথমে আলোকপাত করা যেতে পারে মুন্ডা বিদ্রোহেরRead More →

অরণ্যষষ্ঠী-ব্রত প্রাচীন অরণ্য-চেতনার কথাই স্মরণ করিয়ে দেয়।

১.ব্রত হল মনস্কামনার স্বরূপ; মানুষের কামনা চরিতার্থতার অন্যতম ক্রিয়াকর্ম। সনাতনী ধর্মের সুলভ সংস্করণ এই ব্রত, হিন্দু রমণীর সমকালীন জীবন্ত বর্ণনা, যে বর্ণনার পরতে পরতে নানা যুগের নানান আঁচড়, যে আবরণ একের পর এক সরালে বেরিয়ে আসে আবহমান ভারতবর্ষের এক শাশ্বত রূপ। অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছেন, “চিনির ডেলার আকারে কুইনাইন পিল।” ব্রতগুলিRead More →

প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধা — স্বর্গীয় তপন শিকদার (২০ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৪ — ২ জুন, ২০১৪) – শ্যামাপ্রসাদের তথ্যনিষ্ঠ জীবনীরচনায় তপন শিকদার।

শ্রী তপন সিকদার তখন ‘ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী স্মারক সমিতি’-র সাধারণ সম্পাদক এবং শ্রী বাজপেয়ীর প্রধানমন্ত্রীত্বে ভারত সরকারের রসায়ন ও সার দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী। এইসময় তিনি সমিতির পক্ষ থেকে নিবেদন করলেন একটি সঙ্কলিত ও সম্পাদিত গ্রন্থনা “শতবর্ষের আলোয় শ্যামাপ্রসাদ”। বইটির প্রকাশকাল ২০০২ সালের জুলাই মাস। বইটির লেখক তালিকা এবং বিষয় বৈচিত্র্য দেখলেইRead More →

মিজোরামের ধর্মান্তকরণ

১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধে জেতার পরে ব্রিটিশশক্তি ভারতে দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। তারা তৎকালীন ভারতের অন্যতম বৃহত্তম প্রদেশ বাংলার অবিসংবাদিত শাসক হয়ে ওঠে। উল্লেখ্য যে সেই সময়ের বাংলা প্রদেশ ছিলো বর্তমান বিহার, উড়িষ্যা, পশ্চিমবঙ্গ, বাংলাদেশ এবং আসাম নিয়ে গঠিত। বানিজ্যিক সুবিধার জন্য একসময় তারা সমৃদ্ধশালী বন্দর চট্টগ্রামকেও এর সাথে যুক্ত করেRead More →

স্বাধীনতা সংগ্রামী ও বিপ্লবী রাসবিহারী বসু (জন্মঃ- ২৫ মে, ১৮৮৫ – মৃত্যুঃ- ২১ জানুয়ারি, ১৯৪৫) (সংসদ বাঙালি চরিতাভিধান অনুযায়ী)

১৯১১ সালে ভারতের বড়লাট লর্ড হার্ডিঞ্জ দিল্লির দরবারে ঘোষণা করেন, ১৯১২ সালে ভারতের সমস্ত প্রভাবশালী ও বিত্তবান ব্যক্তিকে নিয়ে তিনি শোভাযাত্রা করবেন। ঘোষণা অনুযায়ী ১৯১২ সালের শীত কালে একটি শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়। শোভাযাত্রাটি কুইন্স গার্ডেন হয়ে চাঁদনীচক দিয়ে দেওয়ান-ই-আমের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। রাজ্যের সকল মানুষ এই শোভাযাত্রা দেখছেন। বড়লাটRead More →

দেশপ্রেমিক কবি – হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় (জন্মঃ- ১৭ এপ্রিল, ১৮৩৮ – মৃত্যুঃ- ২৪ মে, ১৯০৩)

বাংলা মহাকাব্যের ধারায় তাঁর বিশেষ দান হল স্বদেশ প্রেমের উত্তেজনা সঞ্চার। জাতীয়তাবাদের আদর্শে তিনি তাঁর রচনায় দেশপ্রেমকে তুলে ধরেন। ১৮৭২ সালের জুলাই মাসে এডুকেশন গেজেট-এ তাঁর ‘ভারতসঙ্গীত’ কবিতাটি প্রকাশিত হলে ব্রিটিশ সরকার তাঁর প্রতি রুষ্ট হন, এমনকি পত্রিকার সম্পাদক ভূদেব মুখোপাধ্যায়কেও এজন্য জবাবদিহি করতে হয়। এ কবিতায় তিনি স্পষ্ট ভাষায়Read More →

ডাকরা গণহত্যা

ছবিটি ডাকরা কালী মন্দিরের – মুক্তিযুদ্ধে যেখানে শত শত মানুষকে জবাই করে হত্যা করেছিলো রজ্জব আলী ফকিরের নেতৃত্বে রাজাকারেরা। যে ভয়াবহ ও পৈশাচিকতার গণহত্যা ভুলে গেছে সবাই। প্রজন্মের জানা নেই আজ। রাজাকার ও শান্তি কমিটি দ্বারা সংগঠিত দেশের সর্ববৃহৎ গণহত্যা ছিলো ডাকরা গণহত্যা। ডাকরা মূলত বাগেরহাটের রামপালের পেড়িখালি ইউনিয়নের একটিRead More →