উন্নয়ন নিয়ে রাজ্য সরকারকে তীব্র খোঁচা দিলেন প্রাক্তন আইপিএস অফিসার এবং ঘাটালের বিজেপি প্রার্থী ভারতী ঘোষ। তিনি বলেন, উন্নয়ন মানে সরকারি বাড়িগুলির রং পরিবর্তন করে নীল সাদা করা নয় এই নীল সাদা রং করলেও গ্রামের মানুষ পানীয় জল পায় না কারণ এখনই গরমে পানীয় জলের জন্য চলছে হাহাকার। সজল ধারা হয়ে গেছে অশ্রুধারা। গ্রামের মেধাবী ছেলে মেয়েরা শহরে যাবে তার রাস্তাটুকু হয়নি এই ভাবেই নির্বাচনী প্রচারে তৃণমূলকে ব্যাপক সমালোচনা করছেন ভারতী ঘোষ।

প্রার্থী হিসাবে নাম ঘোষণার পর থেকেই তিনি মাঠে নেমে পড়েছেন একের পর এক জনসংযোগে। এক সময়ের আইপিএস অফিসার গ্রামে গ্রামে ঘুরে বেড়াচ্ছেন কখনো গাড়িতে কখনো হেঁটে এমনকি তিনি আক্রমণেরও শিকার হয়েছেন। কিন্তু সেই জায়গাতে দাঁড়িয়ে চড়া রোদকে উপেক্ষা করে তিনি প্রচার করছেন। আজ ঘাটাল বিধানসভার বিভিন্ন এলাকায় প্রচার করেন তিনি। প্রথমে বিশালক্ষ্মী মন্দিরে পুজো দিয়ে তিনি জনসংযোগ শুরু করেন মানুষের সাথে এবং রানীর বাজার, রাধানগর, কুশমান গ্রামে যান।

কুশমান গ্রামে প্রচারের ফাঁকে তিনি বলেন, রাজ্য সরকার উন্নয়ণ করেছে কি উন্নয়ন করেছে শুধু বাড়িগুলি নীল সাদা রং পরিবর্তন করলেই কি উন্নয়ন হয়। গ্রামের রাস্তাঘাট হয়নি আজ গ্রামে শিক্ষিত মেধাবী ছেলে মেয়েরা শহরে যেতে পারে না যোগাযোগ ব্যবস্থা না থাকায়। বলছে উন্নয়ন হয়েছে তাহলে কলকাতায় ২৯ দিন ধরে ছাত্র-ছাত্রীদের অনশন করতে হল কেন তিনি প্রশ্ন তোলেন। এরপরই তিনি স্থানীয় ইস্যু নিয়ে প্রশ্ন তোলেন রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে। এখনও পানীয় জল পায়নি এইসব গ্রামগুলি, আবাস যোজনার ঘর পায় না, কেন্দ্রের শৌচালয় দেওয়া হয়নি গ্রামের মানুষকে এবং গরীব মানুষরা ভাতার টাকাও পান নি। নেতারা নিচ্ছে সমস্ত টাকা। কুশমান প্রাইমারী স্কুলের সামনে একটি ভাঙা টিউবওয়েলকে দেখিয়ে বলেন, রাজ্য সরকার বলছে এটা সজলধারা প্রকল্পের অংশ অামি বলছি এটা অশ্রু ধারা জল প্রকল্পের অংশ চোখের জল ফেলতে ফেলতে মানুষ শেষ এক ফোটাও জল পায় না। তিনি মানুষকে আশ্বাস দিয়ে বলেন, জিতলে দু’বছরের মধ্যে মাস্টারপ্ল্যান, পানীয় জল, রাস্তার ব্যবস্থা করে দেবেন ২ বছরের মধ্যে।

কুমারেশ রায়

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.