রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তনের পর প্রশাসনিক স্তরে স্বচ্ছতা ফেরাতে এবং দুর্নীতি দমনে এক নজিরবিহীন ও কড়া পদক্ষেপ করলেন নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পূর্বতন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের আমলে যে সমস্ত সরকারি আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির তদন্তের ফাইল বছরের পর বছর আটকে রাখা হয়েছিল, আইনি জট কাটিয়ে সেগুলির ছাড়পত্র দিলেন তিনি। এর ফলে শিক্ষা, পুরসভা এবং সমবায়— এই তিন দফতরের অভিযুক্ত অফিসারদের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ বা পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চালানোর ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই (CBI)-এর সামনে আর কোনো আইনি বাধা রইল না।
আটকে থাকা চার মামলার ফাইল সিবিআই-এর হাতে
প্রশাসনিক নিয়ম অনুযায়ী, কোনো সরকারি পদাধিকারী বা আধিকারিকের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট পেশ কিংবা আইনি পদক্ষেপ করতে গেলে সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক অনুমতির (Sanction for Prosecution) প্রয়োজন হয়। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ, বিদায়ী সরকারের মুখ্যমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই প্রয়োজনীয় অনুমতি দেওয়ার প্রক্রিয়া ইচ্ছাকৃতভাবে আটকে রেখেছিলেন। ফলে দুর্নীতির অকাট্য প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও অনেক প্রভাবশালী অফিসারের বিরুদ্ধে সিবিআই আইনি পদক্ষেপ করতে পারছিল না।
নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রাথমিক জট কাটিয়ে এমন ৪টি গুরুত্বপূর্ণ মামলার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক অনুমোদন দিয়ে দিয়েছে। নবান্ন সূত্রে জানা গেছে, অনুমোদনের সেই সরকারি অর্ডারের কপি ইতিমধ্যে সিবিআই-এর দফতরেও পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে শিক্ষা ক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি, পুরসভা নিয়োগ দুর্নীতি এবং সমবায় দফতরের একাধিক আর্থিক অনিয়মের ঘটনায় অভিযুক্ত অফিসাররা এবার সরাসরি কেন্দ্রীয় এজেন্সির আইনি ব্যবস্থার মুখে পড়বেন।
দুর্নীতির প্রশ্নে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি
প্রশাসনের শীর্ষ স্তরে এই বড় সিদ্ধান্তের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট ভাষায় তাঁর সরকারের অবস্থান জানিয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন:
“নতুন সরকারের কাছে রাজ্যের মানুষের অনেক প্রত্যাশা রয়েছে। দুর্নীতির প্রশ্নে আমাদের সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ (Zero Tolerance) নীতি নিয়ে চলবে। প্রশাসনে কোনো ধরনের বেআইনি কাজ বা দুর্নীতি বরদাস্ত করা হবে না।”
অস্বস্তিতে আমলাতন্ত্রের একাংশ
মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই যেভাবে শুভেন্দু অধিকারী কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে তদন্ত ও চার্জশিট পেশের চূড়ান্ত ছাড়পত্র দিলেন, তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহল। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে নতুন মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট বার্তা দিলেন যে, দুর্নীতির শিকড় উপড়ে ফেলতে তিনি সম্পূর্ণ বদ্ধপরিকর। সরকারের এই অতিসক্রিয়তার জেরে আগামী দিনে রাজ্যের একাধিক প্রভাবশালী আমলা ও উচ্চপদস্থ সরকারি আধিকারিক তীব্র আইনি অস্বস্তিতে পড়তে চলেছেন বলে মনে করা হচ্ছে।
রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তনের পর প্রশাসনিক স্তরে স্বচ্ছতা ফেরাতে এবং দুর্নীতি দমনে এক নজিরবিহীন ও কড়া পদক্ষেপ করলেন নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পূর্বতন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের আমলে যে সমস্ত সরকারি আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির তদন্তের ফাইল বছরের পর বছর আটকে রাখা হয়েছিল, আইনি জট কাটিয়ে সেগুলির ছাড়পত্র দিলেন তিনি। এর ফলে শিক্ষা, পুরসভা এবং সমবায়— এই তিন দফতরের অভিযুক্ত অফিসারদের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ বা পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চালানোর ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই (CBI)-এর সামনে আর কোনো আইনি বাধা রইল না।
আটকে থাকা চার মামলার ফাইল সিবিআই-এর হাতে
প্রশাসনিক নিয়ম অনুযায়ী, কোনো সরকারি পদাধিকারী বা আধিকারিকের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট পেশ কিংবা আইনি পদক্ষেপ করতে গেলে সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক অনুমতির (Sanction for Prosecution) প্রয়োজন হয়। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ, বিদায়ী সরকারের মুখ্যমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই প্রয়োজনীয় অনুমতি দেওয়ার প্রক্রিয়া ইচ্ছাকৃতভাবে আটকে রেখেছিলেন। ফলে দুর্নীতির অকাট্য প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও অনেক প্রভাবশালী অফিসারের বিরুদ্ধে সিবিআই আইনি পদক্ষেপ করতে পারছিল না।
নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রাথমিক জট কাটিয়ে এমন ৪টি গুরুত্বপূর্ণ মামলার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক অনুমোদন দিয়ে দিয়েছে। নবান্ন সূত্রে জানা গেছে, অনুমোদনের সেই সরকারি অর্ডারের কপি ইতিমধ্যে সিবিআই-এর দফতরেও পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে শিক্ষা ক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি, পুরসভা নিয়োগ দুর্নীতি এবং সমবায় দফতরের একাধিক আর্থিক অনিয়মের ঘটনায় অভিযুক্ত অফিসাররা এবার সরাসরি কেন্দ্রীয় এজেন্সির আইনি ব্যবস্থার মুখে পড়বেন।
দুর্নীতির প্রশ্নে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি
প্রশাসনের শীর্ষ স্তরে এই বড় সিদ্ধান্তের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট ভাষায় তাঁর সরকারের অবস্থান জানিয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন:
“নতুন সরকারের কাছে রাজ্যের মানুষের অনেক প্রত্যাশা রয়েছে। দুর্নীতির প্রশ্নে আমাদের সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ (Zero Tolerance) নীতি নিয়ে চলবে। প্রশাসনে কোনো ধরনের বেআইনি কাজ বা দুর্নীতি বরদাস্ত করা হবে না।”
অস্বস্তিতে আমলাতন্ত্রের একাংশ
মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই যেভাবে শুভেন্দু অধিকারী কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে তদন্ত ও চার্জশিট পেশের চূড়ান্ত ছাড়পত্র দিলেন, তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহল। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে নতুন মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট বার্তা দিলেন যে, দুর্নীতির শিকড় উপড়ে ফেলতে তিনি সম্পূর্ণ বদ্ধপরিকর। সরকারের এই অতিসক্রিয়তার জেরে আগামী দিনে রাজ্যের একাধিক প্রভাবশালী আমলা ও উচ্চপদস্থ সরকারি আধিকারিক তীব্র আইনি অস্বস্তিতে পড়তে চলেছেন বলে মনে করা হচ্ছে।

