কলকাতায় কন্টেইনমেন্ট জোনের সংখ্যা বাড়লেও রাজ্যে কমেছে

অক্টোবরে রাজ্যে ৩,২৬৪ টি কন্টেইনমেন্ট জোন ছিল৷ সেখান থেকে কমে বর্তমানে ১,৯৩৬ টি৷ তবে শহর কলকাতায় কন্টেইনমেন্ট জোনের সংখ্যাটা বেড়েছে৷কোন জেলায় কতটি কন্টেইনমেন্ট জোন রইল তার তালিকা৷

রাজ্যের ২৩ টি জেলার মাত্র একটি জেলায় কন্টেইনমেন্ট জোনের সংখ্যা শূন্য৷ আবার কোন কোন জেলায় ৫০০ এর বেশি কন্টেইনমেন্ট জোন রয়েছে৷

এক নজরে রাজ্যের কন্টেইনমেন্ট জোন–

২৮ নভেম্বরের তথ্য অনুযায়ী, * কলকাতায় মাত্র ৩ টি কন্টেইনমেন্ট জোন ৷ *হাওড়া ২২ টি। *দক্ষিণ ২৪ পরগনা ৩৩ টি ৷ *উত্তর ২৪ পরগনা ৮ টি ৷ *হুগলি ১৮ টি ৷ *নদিয়া ৪৬ টি ৷ *পূর্ব মেদিনীপুর ২৭ টি ৷ *পশ্চিম মেদিনীপুর ৩৫১ টি৷ *পূর্ব বর্ধমান ৫৬৩ টি৷ *পশ্চিম বর্ধমান শূন্য *মালদা মাত্র ৪টি ৷

*জলপাইগুড়ি ১৪ টি ৷ *দার্জিলিং মাত্র ৭ টি ৷ *কালিম্পং ৯ টি ৷ *উত্তর দিনাজপুর ১৩৮ টি ৷ *দক্ষিণ দিনাজপুর ১১টি ৷ *মুর্শিদাবাদ ৪৭ টি ৷ *বাঁকুড়া ৪৬ টি ৷ *বীরভূম ১২৭টি ৷ *কোচবিহার ৩৩৫টি ৷ *পুরুলিয়া ৭৮ টি ৷ *আলিপুরদুয়ার ৪৮টি ৷

*ঝাড়গ্রামে মাত্র ১ টি কন্টেইনমেন্ট জোন৷ কেন্দ্রের নতুন নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে ওই গাইডলাইন কার্যকর হবে৷ তাতে পরিস্থিতি বিবেচনা করে কনটেনমেন্ট জোনে নাইট কার্ফু জারি করতে পারবে স্থানীয় প্রশাসন৷

কিন্তু কনটেনমেন্ট জোনের বাইরে লকডাউন জারি করতে গেল রাজ্যগুলিকে কেন্দ্রের অনুমতি নিতে হবে। কলকাতাসহ রাজ্যের বেশ কয়েকটি জেলার সংক্রমণ ও মৃত্যু উদ্বেগ বাড়াচ্ছে বঙ্গে৷ তার মধ্যে শীর্ষে কলকাতা৷ শহরে মোট আক্রান্ত ১ লক্ষ ৫ হাজার ৯৯৭ জন৷

আর উত্তর ২৪ পরগণায় মোট আক্রান্ত ১ লক্ষ ১৪৫ জন৷

রবিবারের স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী,কয়েকটি জেলায় মোট আক্রান্ত যথাক্রমে হাওড়া (৩১,০৬০),দক্ষিণ ২৪ পরগনায়(৩১,৭১৭),হুগলী (২৪,৯৮০),পশ্চিম বর্ধমান (১৩,০৭৬),পূর্ব বর্ধমান ( ১০,২৯২) জন৷ পূর্ব মেদিনীপুর ( ১৮,০০৮) ও পশ্চিম মেদিনীপুর (১৭,৮৯২) জন,

নদীয়া ( ১৮,২২৪) জন,মুর্শিদাবাদ (১০,৭৯৫) জন৷ মালদা ( ১১,৪০৭) জন, জলপাইগুড়ি (১২,৩১৯) জন দার্জিলিং (১৫,২৮৮) জন ও কোচবিহার ( ১০,৫৩৯) জন৷ বাকি জেলায় সংক্রমণ ১০ হাজারের নিচে৷

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.