কোজাগরী লক্ষী পূজা

শুরুতেই সকল গুরূজন দের জানাই বিজয়ার প্রনাম |মা এর ভাসানে যখন মন বিষন্ন তখনই দেবী লক্ষ্মীর আগমন আমাদের মনে নতুন আসার আলো জ্বেলে যায়। এবার যদি দেবী লক্ষ্মীর আরাধনার কথা বলতে হয়, তবে বলি আমার মা বলেন লক্ষ্মী চঞ্চলা। তাই দেবী লক্ষ্মীর আরাধনা সিষ্টাচার মেনে করতে হয়,বিশেষত মেয়ে দের। আমাদেরRead More →

পাহিমাংদেহিমহালক্ষ্মী – প্রথম পর্ব

প্রথম পর্ব যা শ্ৰীঃ স্বয়ং সুকৃতিনাং ভবনেষ্বলক্ষ্মীঃ পাপাত্মনাং কৃতধিয়াং হৃদয়েসু বুদ্ধিঃ।। শ্রদ্ধা সতাং কুলজনপ্রভবস্য লজ্জাতাং ত্বাং নতাঃ স্ম পরিপালয় দেবি! বিশ্বম্।।যে দেবী পুণ্যবান্ ব্যক্তিগণের গৃহে লক্ষ্মী স্বরূপিণী এবং পাপীগণের গৃহের অলক্ষ্মী রূপিণী , যাঁদের মন নির্মল সেই ব্যক্তিদের বুদ্ধি , বিদ্যা স্বরূপিণী , যাঁরা সৎ তাঁদের হৃদয়ে দৃঢ় বিশ্বাস স্বরূপিণীRead More →

শুভ বিজয়া 

‘ওঁ দেবি ত্বং জগতাং মাতঃ স্বস্থানং গচ্ছ পূজিতে।  সংবত্সর ব্যতিতে তু পুনরাগমনায় চঃ।’ বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গোৎসব। দেবী দুর্গা আদ্যাশক্তি মহামায়া জগৎ জননী। অশুভ শক্তিধর অসুরাধিপতি মহিষাসুরকে বধ করে তিনি শুভ শক্তির প্রতিষ্ঠা করেন। শ্রীশ্রীচণ্ডী থেকে পাই, ব্রহ্মার বরে বলীয়ান প্রবল ক্ষমতাশালী মহিষাসুর স্বর্গরাজ্য আক্রমণ করে দেব সৈন্যসমূহকে পরাজিত ওRead More →

সেই শ্বেত শুভ্র কোমল সুন্দর শিল্পের কথা – পঞ্চম পর্ব

পঞ্চম পর্ব বৈশ্য সমাজে প্রচলিত নৌকাপূজার জন্য বাণিজ্যের প্রতীক হিসাবে চিত্রিত এবং রঞ্জিত শোলার নৌকা প্রস্তুত হয়। শীতলা , মনসা ইত্যাদি পূজার জন্য কাগজের দোলা , নৌকা প্রভৃতি সামগ্রী মালাকারগণ প্রস্তুত করেন। প্রথমে বাঁশের বাতা দিয়ে কাঠামো প্রস্তুত করা হয় , তারপর ওই কাঠামোতে কাগজ সাঁটা হয়। কাগজে কখনো কখনোRead More →

বাংলার বাদশা ও বেগম – দর্পণা রায়

অমরবঙ্গজ্যোতিষ্ক পবিত্র ভারতভূমি বহু মহামানবের আবির্ভাধন্য। আমি প্রথমে যে মহাপুরুষটির কথা বলিব তিনি সেইসব নির্বোধদের মধ্যে পড়েন না যাঁহারা নিজের জীবন বিপন্ন করিয়া দেশোদ্ধারে ব্রতী হইয়াছিলেন। সেই মন্দবুদ্ধি মহামানবদের কাহারও কপালে জুটিয়াছিল প্রবাসে মৃত্যু, কাহারও মৃত্যুপূর্বে চরম অবহেলা ও একাকিত্ব, কাহারও বা অপমৃত্যু।           অর্থনীতিতে “rational man” সংজ্ঞায়িত হইয়াছে এইরূপে – “who tries to maximize hisRead More →

পারিজাত – রঞ্জিৎ কুমার পড়িয়া (অভাগা কবি )

এই নিষ্প্রাণ দেহটাতে নেই কোনো ভালবাসার ছাপ, অর্থহীন রিক্ত জীবনটাতে অর্নিদিষ্ট কালের অভিশাপ। দুই চোখে ধোঁয়া আর ধোঁয়া হৃদয়ে পড়েনি তার আঁচ , প্রতিফলন বেচে দেওয়া – মৃত্যুর মুখ মোড়া সেই কাঁচ। দুর্লভ নিঃস্বার্থ এই জীবনে অকেজো স্বপ্ন অচেতন, স্বর্গ সুখের খোঁজে ফিরে শেষ মেশ মৃত‍্যুকে আলিঙ্গন। অবাঞ্ছিত মায়াবী কোনো ছায়াRead More →

কবিতা : ইচ্ছেডানা এবং মেঘ,বৃষ্টি,জল – মিতালী মুখার্জী

আমার কিছু কষ্ট আছে। কষ্ট নিয়েই আমি বাঁচি। মন কে বলি রোজ সকালে বেশ তো আছি, ভালই আছি। মাঝে মাঝে ফাগুন হাওয়া কেমন যেন ডাক দিয়ে যায়, পাগলা মন কে শাসন করে ফেরাই তাকে পূবালী বায়। আমার মতো অনেক যারা উল্টো হাওয়ার পাগলাক্ষ্যাপা, দুঃখ যাদের জীবন গাথা কষ্ট দিয়ে জীবন মাপা!Read More →

গল্প : অ্যাসাইলাম – সন্দীপ চক্রবর্তী

মাধাইপুর স্টেশনে নেমে শৌভিক পকেট থেকে পোস্টকার্ডটা বের করল। চিঠিতে বেশ প্রাঞ্জল ভাষায় পথনির্দেশ দিয়েছেন মহিলা। –মাধাইপুর স্টেশনে নামবে। স্টেশনের বাইরে অটোস্ট্যান্ড পাবে। অটোওয়ালাকে মাধাই আচার্যের আশ্রমে যাব বললেই তোমাকে পৌঁছে দেবে। আমার গুরুদেবের নামেই স্টেশনের নাম। এখানকার লােকেরা ওঁকে খুব শ্রদ্ধা করে। তােমার কোনও অসুবিধে হবে না। পােস্টকার্ড যথাস্থানেRead More →

গল্প : পিথু বুড়ি – নবনীতা বসুহক

১ আমাদের গ্রামে লম্বা, ঢেঙ্গা একজন বুড়ি থাকত। সাড়ে পাঁচ ফুটের বেশি লম্বা গায়ের পিথুর গায়ের  রঙ ছিল মিশকালো। মুখ রামকিঙ্করের ভাস্কর্য এর মত, খোদাই করা। যেন প্রাচীনকাল থেকে উড়ে আসা এই যুগে অবস্থান করা কোন আদিম মানবী। পিথু বুড়ির বয়স কেউ বলত ষাট, কেউ বলত সত্তর, আবার কেউ বা বলতো পঁচাত্তর বছর। জাতিতে ছিলRead More →

গল্প : হিরো নাম্বার ওয়ান – অনীশ ঘোষ

কাছারির মাঠে কাল জীবনের প্রথম একটা বড় ম্যাচ খেলতে নামবে পুলক। এতকাল স্কুল বা কলেজের হয়ে অনেক ম্যাচ খেলেছে সে অনেক মাঠেই। মাঝমাঠের প্লেয়ার হিসেবে তার বেশ নামডাকও হয়েছে। পাড়ার অগ্রবাণী ক্লাব কিংবা তাদের বীণাপানি স্কুলের টিমে পুলক ছিল নিয়মিত ফুটবলার। কিন্তু সে সব তো একেবারেই সাদামাঠা খেলা। আগে যখনRead More →