কদমখন্ডির ঘাট – তৃতীয় পর্ব

তৃতীয় পর্ব কোথায় অবন্তিপুরী; নির্বিন্ধ্যা তটিনী; কোথা শিপ্রানদীনীরে হেরে উজ্জয়িনী স্বমহিমচ্ছায়া– সেথা নিশিদ্বিপ্রহরে প্রণয়চাঞ্চল্য ভুলি ভবনশিখরে সুপ্ত পারাবত, শুধু বিরহবিকারে রমণী বাহির হয় প্রেম-অভিসারে সূচিভেদ্য অন্ধকারে রাজপথমাঝে ক্বচিৎ-বিদ্যুতালোকে; কোথা সে বিরাজে ব্রহ্মাবর্তে কুরুক্ষেত্র; কোথা কন্‌খল, যেথা সেই জহ্নুকন্যা যৌবনচঞ্চল, গৌরীর ভ্রুকুটিভঙ্গী করি অবহেলা ফেনপরিহাসচ্ছলে করিতেছে খেলা লয়ে ধূর্জটির জটা চন্দ্রকরোজ্জ্বল।Read More →

“হোয়াটএবাউটিজম”

  ইন্দোরে একজন কৌতুক অভিনেতাকে গ্রেপ্তারের পরে, ভারতীয় উদারপন্থী এবং মেকিমানবতাবাদীগণ পুনরায় তাঁদের প্রিয় প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করছেন।  আজকাল হিন্দুদের কেন কোনও মজা করতে নেই?  কেন তারা রসিকতা নিতে পারে না?  এবং সংবিধানের বাক্ স্বাধীনতার অধিকারের বিষয় কি তারা ওয়াকিবহাল নয়?  মজার বিষয় হল যখন বৈদেশিক ধর্মগুলি জড়িত থাকে তখন বাকস্বাধীনতারRead More →

কদমখন্ডির ঘাট – দ্বিতীয় পর্ব

দ্বিতীয় পর্ব অন্ধকার রুদ্ধগৃহে একেলা বসিয়া পড়িতেছি মেঘদূত; গৃহত্যাগী মন মুক্তগতি মেঘপৃষ্ঠে লয়েছে আসন, উড়িয়াছে দেশদেশান্তরে। কোথা আছে সানুমান আম্রকূট; কোথা বহিয়াছে বিমল বিশীর্ণ রেবা বিন্ধ্যপদমূলে উপলব্যথিতগতি; বেত্রবতীকূলে পরিণতফলশ্যাম জম্বুবনচ্ছায়ে কোথায় দশার্ণ গ্রাম রয়েছে লুকায়ে প্রস্ফুটিত কেতকীর বেড়া দিয়ে ঘেরা; ১২০৬ খ্রিস্টাব্দে রচিত শ্রীধর দাসের সদুক্তি কর্ণামৃত নামক কোশকাব্যে জয়দেবেরRead More →

প্রাচীন ভারতীয় নাট্যশালা হয়ে কলকাতার ছবিঘর – চতুর্থ অঙ্ক

চতুর্থ অঙ্ক সীতাবেঙ্গরা সম্বন্ধে একটি প্রবাদ আছে যে , সীতাদেবী এখানে বাস করতেন। সীতাবেঙ্গরা গুহা ভিতরের দিকে ছয় ফুট উঁচু। মাঝে মাঝে ছয় ফুটেরও কম। গুহার একেবারে ভিতরে দেয়ালের চারিপাশে উঁচু বেদি দিয়ে ঘেরা। একটি বড় নালি ওই বেদির নিম্ন দিয়ে দেয়ালের দিকে চলে গেছে। মেঝের উপর কতকগুলি গর্ত বেশRead More →

কদমখন্ডির ঘাট – প্রথম পর্ব

প্রথম পর্ব পৌষের সংক্রান্তি কাল তীব্র শীত রাত! অসুস্থ শরীর নিয়ে পড়ে আছে ঘরের কোনায়-  সাধক কবির চোখে নেমে আসে আকুতির জল.. এবার তার মন্দভাগ্যে গঙ্গা স্নান নেই। ভক্ত প্রাণ কেঁদে ওঠে , অন্ধকার শুক্লপক্ষ চাঁদ… পরদিন ভোরবেলা অবাক বিস্ময়ে দেখে কেন্দুবিল্ব গ্রামের মানুষ অজয়ের কানায় কানায়  সাদা জলে মিশেRead More →

বোসন

একবার এক পলিতকেশ প্রথিতযশা অধ্যাপককে ছাত্ররা প্রশ্ন করেন তিনি পিএইচডি করেননি কেন? অধ্যাপক উত্তর দিয়েছিলেন তার ‘ফেলা কাগজের ঝুড়ির’ কাগজেও একটা পিএইচডি হতে পারে। তিনি আচার্য সত্যেন্দ্রনাথ বসু। আধুনিক ভারতীয় বিজ্ঞান সাধকদের মধ্যে অগ্রগণ্য, সর্বাগ্রগণ্য বললেও হয়তো  অতিশয়োক্তি হয় না।  ১৮৯৪ সালের আজকের দিনে (পয়লা জানুয়ারি) এই  ভারতীয় বিজ্ঞান সাধকRead More →

খন্ডন ভব বন্ধন জগবন্দন বন্দি তোমায়

যুগাবতার শ্রীরামকৃষ্ণ, কলির দেবতা। অসংখ্য ভক্তর পাপ ধারণ করে দুরারোগ্য কর্কট রোগে আক্রান্ত, তিনি নীলকন্ঠ। ১৮৮৫ সাল শেষ হয়ে আসছে, কেউ জানেনা সে একা যাবে না। শুধু একজন ছাড়া। তিনি জানেন লীলা সময় শেষ হয়ে এসেছে, কাজ বুঝিয়ে দিয়েছেন, এবার বিশ্রাম। শুধু একটা কাজ বাকি- একটাই। ভক্ত গিরিশ জানতে চেয়েRead More →

প্রাচীন ভারতীয় নাট্যশালা হয়ে কলকাতার ছবিঘর – তৃতীয় অঙ্ক

তৃতীয় অঙ্ক কার্য্যঃ শৈলগুহাকারো দ্বিতুমির্নাট্যমণ্ডপ। নাট্য মণ্ডপের আকার পর্বতগুহার মতো হতো। আর দোতলা বা দ্বিভূমি হতো। দ্বিতল হবার স্বার্থকতা এই যে , স্বর্গ বা অন্তরীক্ষের অভিনয় উপরের তলায়  এবং মর্ত্যভূমির যা কিছু অভিনয় সকলই নীচের তলায় অভিনীত হতো। রঙ্গপীঠের বাতায়ন ছোট ছোট হত।  না হলে বাদ্যযন্ত্র ও অভিনেতার গম্ভীর –Read More →

শ্রীশ্রীমা

সারদা দেবী (২২ ডিসেম্বর ১৮৫৩ – ২০ জুলাই ১৯২০) ছিলেন উনিশ শতকের বিশিষ্ট বাঙালি হিন্দু ধর্মগুরু রামকৃষ্ণ পরমহংসের পত্নী ও সাধনসঙ্গিনী এবং রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের সংঘজননী। ভক্তগণ তাঁকে শ্রীশ্রীমা নামে অভিহিত করে থাকেন। রামকৃষ্ণ আন্দোলনের বিকাশ ও প্রসারে তাঁর ভূমিকা অনস্বীকার্য।              জয়রামবাটী গ্রামেRead More →