কেউ চিনলোই না ৮০-র দশকের বাংলা ডিস্কো জ্যাজ়ের এই গায়িকাকে

বাংলায় ডিস্কো জ্যাজ? ধুস্ ওসব আবার হয় না কি! যত্ত সব ঢপের কথা। গানবাজনা নিয়ে বাঙালির এই ধরনের সনাতনী ভাবমূর্তির জন্যই বোধহয় তাঁরা এখনও জানেন না রূপা বিশ্বাসের নাম। বাংলা ভাষায় ‘বুগি’ জঁরের গানবাজনা হতে পারে একথা এখনও ভাবতে শেখেননি বাঙালিরা, ৮০-র দশকের কথা বাদই দিলাম। কিন্তু, সেই সময়ই অভাবনীয় কাণ্ডটি ঘটিয়েছিলেনRead More →

সত্যজিৎ রায়ের আগেই প্রথম বাঙালি হিসেবে লে’জিয়ঁ দ’ন্যর পেয়েছিলেন যিনি

১৯২১ সালে চন্দননগরে নির্মিত হয়েছিল দুর্গাচরণ রক্ষিত ঘাট। যাঁর নামে এই ঘাটের নামকরণ, তিনি ইতিহাসের পাঠ্যপুস্তকে উপেক্ষিতই থেকে গেছেন। বেশিরভাগ বাঙালির একটা ভুল ধারণা আছে যে, ভারতীয়দের মধ্যে সর্বপ্রথম ফরাসি দেশের সর্বোচ্চ সম্মান লে’জিয়ঁ দ’ন্যর (Chevalier de legion d’Honour) সম্মান লাভ করেছিলেন নাকি সত্যজিৎ রায়। লে’জিয়ঁ দ’ন্যর প্রদানের রেওয়াজ চালুRead More →

৫জুন , বিশ্ব পরিবেশ দিবসকে মনে রেখে

বৃক্ষের সমাদর করে প্রাচীন ভারতের শাস্ত্রকারেরা বলছেন, ‘এক বৃক্ষে দশ পুত্র সমাচরেৎ’। অর্থাৎ এক বৃক্ষ দশ পুত্রের সমতুল্য। বলেছেন, যে ব্যক্তি পথের ধারে, জলাশয়ের ধারে গাছ লাগাবে তার স্বর্গবাস নিশ্চিত, যতদিন সেই রোপিত বৃক্ষ ফল ও ছায়া দান করবে (পদ্মপুরাণ)। অগ্নিপুরাণে (২০৩/১৬) বলা হয়েছে বৃক্ষচ্ছেদন করলে বজ্রশস্ত্রে পড়তে হয় —Read More →

হ য ব র ল’ : মৃত্যুর কাছাকাছি এসে এমন রসিকতা আর কেউ করেননি

হাড় হিম করা মাঘের শীতেই জ্বরটা বাঁধিয়েছিলেন সুকুমার রায় (Sukumar Ray)। কালাজ্বর। ১৯২১ সালে সেই যে অসুস্থ হলেন, ১৯২৩ সাল পর্যন্ত তার যন্ত্রণা ভোগ করেছিলেন। দু’বছরব্যাপী যন্ত্রণার ভিতর তিনি যা যা লিখে গিয়েছিলেন, প্রায় সবই এমন হাস্যকর যে স্রেফ্‌ হেসে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। সুকুমার রায় ব্যক্তিটি কি নেহাৎই ‘ননসেন্স’ ছিলেন, না হলেRead More →

শান্তিপুরের ময়ূরপঙ্খি নাও এবং গান

“ আরে, ও কানাই, পার করে দে আমারেআজিকে মথুরার বিকি দান করিব তোমারেতুমি তো সুন্দর, কানাই, তোমার ভাঙা নাওকোথায় রাখব দইয়ের পশরা কোথায় রাখব পা…” দুলিয়ে দেওয়া সারি গান। এই গানগুলি বাংলার চির সম্পদ। আশুতোষ ভট্টাচার্য ‘বাংলার লোকসাহিত‍্য’ বইতে সারি গানের উল্লেখ করেছেন। কৃষ্ণবিলাস, কৃষ্ণযাত্রা-তেও এই ধরনের গানের উল্লেখ আছে। নৌকাবাইচের সময়Read More →

প্লাস্টিকের খেলনা নয়, শিশুদের হাতে পৌঁছে যাক মাটির পুতুলের সম্ভার

ষষ্ঠী পুতুল মাস কয়েক আগের এক সকাল। শান্তিনিকেতন সংলগ্ন একটি সাঁওতাল গ্রাম-এর ভেতর দিয়ে হেঁটে আসার সময়ে গ্রামের বাইরের শালবনে এসে থমকে দাঁড়াই একটি দৃশ্য দেখে। এ গ্রামের শিশুরা সকলেই কমবেশি আমার চেনাজানা। দেখি, বনের ধারে সদ্য মঞ্জরিত শাল গাছের ছায়ায় ওরা খেলার আয়োজন করছে। মাটিতে সার বেঁধে সাজানো খেলারRead More →

কলকাতা ও সাইকেল

২০১৭ সালের জুন মাসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যখন নেদারল্যান্ড সফরে যান তখন ওই দেশের প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুট্টি তাঁকে একটি সাইকেল উপহার দেন। কারণ তিনি নিজেও সাইকেল চড়েই অফিসে যাতাযাত করেন। সেই উপহার এ দেশের প্রধানমন্ত্রীর কোনও কাজে লেগেছিল কিনা, তা আমরা জানি না। কথাটা এই কারণেই বললাম যে ২০১৭ সালRead More →

গিনসবার্গদের মতো হিপিরা এখনও দাপিয়ে বেড়াচ্ছে কলকাতায়! Up

হিপি, বিট-রা হল, জাঁ পল সার্ত্রর ‘নসিয়া’ (Nausea) গ্রন্থের সেই হতভাগ্য ‘হিউম্যানিস্ট’রা, যাঁদের প্রয়োজন আজকে ফুরিয়ে গেছে, যাঁরা চিরদিনের মতো নির্জনতার রাজ্যে প্রবেশ করেছে—হঠাৎই আজ তার সামনে সব ভেঙে পড়েছে, সংস্কৃতির সব স্বপ্ন, মানুষের সঙ্গে মানুষের পরিচয় ও প্রীতির সব স্বপ্ন (That poor humanist whom men don’t want any more…now heRead More →

কলকাতার ভূতেদের গাল-গল্প

ভূত শব্দটা শুনলে এখনও রক্ত হিম হয়ে আসে। কিংবা বুকের ধুকপুকানি বেড়ে যায়। ছোটোবেলায় দাদু ঠাকুমার মুখের গল্পই হোক কিংবা বড়োবেলায় শোনা কল্পকাহিনি – ভূত শব্দটার মধ্যে রয়েছে অজানা রহস্য। গা ছম ছম করা ভাব। অদৃশ্য, অলৌকিক, কাল্পনিক অবয়বটি কি আসলেই আছে! অনেকেই মনে করেন ভগবান যদি থাকে, তাহলে ভূতেরRead More →

এখনকার বাংলা ছবিতে ফেলুদা-ব্যোমকেশকে বারবার দরকার পড়ছে কেন

১৯৭৯ সালে মুক্তি পেয়েছিল সত্যজিৎ রায়ের ছবি ‘জয় বাবা ফেলুনাথ’। তার প্রায় ১৭ বছর পরে টেলিভিশনের পর্দার জন্য তাঁরই পুত্র সন্দীপ রায় বানান ‘বাক্স রহস্য’ (১৯৯৬)। সত্যজিৎ পরবর্তী সময় বাংলা চলচ্চিত্র জগৎ ভুলেই গিয়েছিল ছবি নির্মাণের জন্য বাংলায় বিশাল ও বিপুল সাহিত্য সম্ভার আছে। এখনকার বাঙালি সমাজ বুঝি তার মাসুল দিতে গিয়েRead More →