কামান গর্জে ওঠে না আর, ২৫২ বছরের ঐতিহ্য বহাল আন্দুল রাজবাড়ির দুর্গাপুজোয়

কৈলাশ থেকে ইতিমধ্যেই সপরিবারে এসে হাজির হয়েছেন মা দুর্গা। দেবীকে ঘিরে থরে থরে সাজানো উপঢৌকন। ফুলের সজ্জা, আলোর রোশনাই অথবা পুজোর উপাচারে কোথাও কোনো ফাঁক নেই। রাজবাড়ির ঠাকুর দালানে লোকে লোকারণ্য। এসবের মধ্যেই কামানের গর্জনে শুরু হয়ে গেল দেবীর সপ্তমীবিহিত পুজো। ১৭৭০-এর আশ্বিনে হাওড়ার (Howrah) আন্দুল রাজবাড়িতে (Andul Rajbari DurgaRead More →

হারিয়ে যাওয়া বাদ্যযন্ত্র-মুখোশ সংরক্ষণের উদ্যোগ নিল হিমালয় ওয়ার্ল্ড মিউজিয়ামY

হিমালয় পাহাড়ের বিভিন্ন জনজাতির সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র। আবার তাদের সংস্কৃতিতে নানারকম মুখোশের নামও পাওয়া যায়। এরকম বাদ্যযন্ত্র বা মুখোশের অনেক কিছুই হারিয়ে যাচ্ছে। সে কথা চিন্তা করে শিলিগুড়ি মহকুমার বাগডোগরা ভুট্টা বাড়িতে শুরু হয়েছে হিমালয় ওয়ার্ল্ড মিউজিয়াম। হিমালয়ান হেরিটেজ এন্ড রিসার্চ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির উদ্যোগে বাগডোগরার ভুট্টা বাড়িতে ছোটো আকারেRead More →

পায়ে জোর নেই, মনের জোরেই ঘরে ঘরে আলোর বার্তা পৌঁছে দেন এই প্রদীপ-কারিগর

তাঁর হাতে তৈরি মাটির প্রদীপ নিয়ে বাংলার সীমানা পেরিয়ে দিল্লি বা মুম্বাইতে অনেক মানুষ দীপাবলির আলোর উৎসবে অংশ নেন। অন্ধকার থেকে আলোর পথে যাওয়ার উৎসবে তাঁর হাতে তৈরি প্রদীপ অনেকের মনে উদ্দীপনা তৈরি করে। কিন্তু যিনি এই প্রদীপ তৈরি করেন, তিনি নিজেই ডুবে রয়েছেন অন্ধকারে। শিলিগুড়ির চয়নপাড়া পালপাড়ার বাসিন্দা সাধন পাল।Read More →

জরৎকারু জগতগৌরী – দ্বিতীয় পর্ব

ঋষি শৌনক বলেছেন –  বেদিতব্যং দৈবতং হি মন্ত্রে মন্ত্রে প্রযত্নতঃ। দৈবতঞ্জো হি মন্ত্রাণাং তদর্থমধিগচ্ছতি।। ন হি কশ্চিদবিজ্ঞায় যাথাতথ্যেন দৈবতম্। লৌকিকানাং বৈদিকানাং কর্মাণাং ফলমশ্নুতে।। যিনি সম্পদ প্রদান করেন সেই তেজোময় পরম ব্রহ্মশক্তিই হলেন দেবতা। তিনি সদা দীপ্তিময়। তাঁর নিকট কেবল আলো। যিনি সেই আলোক নিয়ে দ্যুলোক বা ভবঃলোকে থেকেও হৃদয়ের নিভৃতেRead More →

জরৎকারু জগতগৌরী – প্রথম পর্ব

ওঁ শ্বেতচম্পকবর্ণাভাং রত্নভূষণ ভূষিতাম্, বহ্নিশুদ্ধাং শুকাসনাং নাগযজ্ঞোপবীতিনীম্। মহাজ্ঞানযুতাঞ্চৈব প্রবরাং জ্ঞানিনাং সত্যম্। শ্রাবণ সংক্রান্তি , ঘনঘোর বর্ষায় খাল, আল, মাঠ, জঙ্গলে ভারী তো তেনাদের উপদ্রব, দেবী রক্ষায় প্রাণটুকু বেঁচে যাক… সেই আশা নিয়ে পূজিতা হন দেবী মনসা। তিনি শিব দুহিতা,তিনি বাসুকী ভগিনী, তিনি জরৎকারু পত্নী, তিনি আস্তিক মাতা , তিনি মানবRead More →

গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং আজও চলছে

গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং “আজও চলছে I চলছে বাংলাদেশে, চলছে পাকিস্তানে, চলছে আফগানিস্তানে , কাশ্মীর, বাদুড়িয়া,বসিরহাট ক্যানিং,কালিয়াচক হয়ে … এই স্বাধীন ভারতবর্ষেরই আরও কত শত জায়গা আজও প্রতিনিয়ত ক্ষতবিক্ষত হয়ে চলেছে এই “গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং” প্রোৎসাহিত ফলিত রসায়নে I ফর্মুলা সেই একই আদি অকৃত্রিম ,মূর্তি পূজায় বিশ্বাসী দের ধরো আর কোতলRead More →

শান্তিনিকেতনের ‘আমার কুটির’ : স্বাধীনতা সংগ্রামী সুষেণ মুখার্জির হাতে গড়া ঐতিহাসিক শিল্পাগার 

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রতিষ্ঠিত শ্রীনিকেতনের গ্রামোন্নয়নের কর্মপদ্ধতির আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে প্রয়াত স্বাধীনতা সংগ্রামী সুষেণ মুখার্জি (Sushen Mukherjee) ১৯২৩ সালে গড়ে তুলেছিলেন ‘আমার কুটির’ (Amar Kutir)। ১৯৩২ সালে স্বাধীনতা সংগ্রামীদের (Freedom Fighter) আশ্রয়দানের অপরাধে আমার কুটিরের কাজকর্ম ব্রিটিশ পুলিশের নজরে আসে এবং ১৯৩৭ সাল পর্যন্ত কারাগারে কাটাতে হয় সুষেন মুখার্জিকে। তার ফলে বেশRead More →

চার দেওয়ালে চিত্রগ্রাহকের জীবনচিত্র, শুরু হল সৌম্যেন্দু রায় সংগ্রহশালা

সৌম্যেন্দু রায় এবং সত্যজিৎ রায়, ছবি: নিমাই ঘোষ সুব্রত মিত্র-এর চোখের সমস্যা হওয়ায় সত্যজিৎ রায় ডেকে পাঠান সৌম্যেন্দু রায়কে (সত্যজিৎ রায় লিখতেন সৌমেন্দু রায়), ‘রবীন্দ্রনাথ’ তথ্যচিত্রে চিত্রগ্রহণের জন্য। সেইসঙ্গে ডাক পেলেন ‘তিনকন্যা’ (১৯৬১) কাহিনিচিত্রতেও। শোনা যায়, ‘তিন কন্যা’ ছবির তিনটি আলাদা গল্পের জন্য তিন রকমের আলোক পরিকল্পনা করেছিলেন সৌম্যেন্দু। ‘পোস্টমাস্টার’-এ মেঘলা আলো,Read More →

মানুষ প্রশ্ন করেন, সরকার কি গবেষণাতে খরচ কামাচ্ছে? উত্তর না l

বহু মানুষ প্রশ্ন করেন, সরকার কি গবেষণাতে খরচ কামাচ্ছে? উত্তর না l বাড়াচ্ছে l এবং অনেকটাই বেড়েছে এবং বাড়ছে l কিন্তু গবেষণাকে আরও দায়বদ্ধ করছে l চাষী থেকে ডাক্তার সবাই যদি দায়বদ্ধ থাকেন, গবেষককেও থাকতে হবে l মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শুধু পেটেন্ট বেঁচে আমাদের মোট জিডিপির দ্বিগুন তাঁদের জিডিপিতে যোগ করেRead More →

গান্ধীজির ভারত ছাড়ো আন্দোলন ইংরেজকে দেশ থেকে তাড়িয়েছে, এত বড় মিথ্যা সারা পৃথিবীর কোন দেশ কোন ইতিহাস বইতে লেখেনি আজ পর্যন্ত

ভারত ছাড়ো আন্দোলন এবং গান্ধীকে নিয়ে কিছু প্রশ্ন সেদিনও দেশবাসীর ছিল, আজও আছে l ১. (১৯৪২)ভারত ছাড়ো আন্দোলন গান্ধী এবং ব্রিটিশদের একটা বোঝাপড়া ছিল, যেখানে মাতঙ্গিনীদেবীর মত বহু মাতা প্রাণ হারিয়েছে l নইলে সেই ব্রিটিশদের জন্য কিভাবে গান্ধী এর ঠিক পরেই লক্ষ লক্ষ ভারতীয়কে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে পাঠালেন? এতো পশ্চিমবঙ্গ বিজেপি/সিপিএমদেরRead More →