পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানা এলাকায় এক নাবালিকার অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় গ্রেফতার হলেন তাঁর স্বামী। পুলিশের দাবি, পরিবারের অমতে ওই নাবালিকা এক যুবককে বিয়ে করেছিলেন। বর্তমানে তাঁরা আলাদা থাকেন। ১৭ বছরের কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। ধৃত যুবকের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৬৪(১) ধারা এবং পকসো আইনের ৬ ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ।
বর্ধমানের মুখ্য বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট (সিজেএম) আদালত ধৃতকে দু’দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। তদন্তের স্বার্থে অভিযুক্তের শারীরিক পরীক্ষা করানোর আবেদন জানিয়েছিলেন তদন্তকারী অফিসার। সেই আবেদন মঞ্জুর করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক স্টেট মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধানকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ৫ অক্টোবর ওই নাবালিকাকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল। চিকিৎসকেরা পরীক্ষা করে জানান, তিনি অন্তঃসত্ত্বা। এর পর হাসপাতালের বিভাগীয় সিস্টার ইনচার্জ বিষয়টি বর্ধমান থানার পুলিশকে জানান। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে বর্ধমান থানার পুলিশ একটি জ়িরো এফআইআর দায়ের করে। পরে তদন্তের জন্য মামলাটি মেমারি থানায় পাঠানো হয়।
মামলাটি হাতে পাওয়ার পর তদন্ত শুরু করে মেমারি থানার পুলিশ। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, নাবালিকার সঙ্গে অভিযুক্ত যুবকের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। পরিবারের অমতে তাঁরা বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকেই তাঁরা আলাদা থাকতে শুরু করেন বলে পুলিশের দাবি। দাম্পত্য সম্পর্কের জেরেই নাবালিকা অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন বলে তদন্তে উঠে এসেছে।
এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে অভিযুক্ত যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য বিষয় খতিয়ে দেখতে তদন্ত চলছে।

