মোদীর হাত ধরেই বাস্তবায়িত হচ্ছে মহাত্মা গান্ধীর দৃষ্টিভঙ্গি, বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

কেন্দ্রীয় সরকারের স্বচ্ছ ভারত মিশনের (Swachh Bharat Mission) ভূয়সী প্রশংসা, এমনকি এক ধাপ এগিয়ে জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীর  অসমাপ্ত কাজ সম্পূর্ণ করার কৃতিত্ব প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে দিলেন কেন্দ্রীয় আবাসন ও নগরোন্নয়ন দফতরের মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী। সোমবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন গান্ধীজির আদর্শ ও তাঁর দৃষ্টিভঙ্গিকে বাস্তবায়নে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে অনুঘটকের ভূমিকা নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।

সোমবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী ‘স্বচ্ছ ভারত মিশন’ নগরের অন্তর্গত ‘স্বচ্ছ সর্বেক্ষণ’ কর্মসূচির সপ্তম সংস্করণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। কেন্দ্রীয় আবাসন ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রক (Minsistry of Urban Development and Housing) সূত্রে খবর ‘স্বচ্ছ সর্বেক্ষণ ২০২২’ এর আওতায় মূলত দেশের শহর গুলির উন্নয়ন এবং সাফাই কর্মীদের সামাজিক উন্নয়নই প্রধান গুরুত্ব পাবে। এছাড়াও এই সমীক্ষায় দেশের শহুরে এলাকা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে প্রবীণ নাগরিক ও যুব সমাজের মতামত গুরুত্বের সঙ্গে বিশ্লষণ করা হবে।

এই অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন “স্বচ্ছ ভারত মিশন দেশে বদল আনার ক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ। সমাজের সকল স্তরের মানুষের স্বতস্ফূর্ত অংশগ্রহণের ফলে এই উদ্যোগ যথেষ্ট সফল। গান্ধীজির আদর্শকে পাথেয় করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর যোগ্য নেতৃত্ব এই কর্মসূচিকে জন আন্দোলনে পরিণত করেছে। এই উদ্যোগের বাস্তবায়ন মোটেও সহজ ছিল না, আমরা কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনার (Solid Waste Management) ক্ষেত্রেও যথেষ্ট সফল। কোটি কোটি ভারতবাসী স্বচ্ছ ভারত মিশনের সঙ্গে যুক্ত। এখন নাগরিকরা দেশের পরিচ্ছন্নতা রক্ষার্থে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।” অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, ২ অক্টোবর গান্ধীজির জন্মদিন সেই উপলক্ষে ১ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী স্বচ্ছ ভারত মিশন ২.০ এবং অমরুত ২.০ এর শুভ সূচনা করবেন।

এই বছর স্বচ্ছ সর্বেক্ষণ জনসংখ্যার ভিত্তিতে ছোটো শহর গুলিকে দুটি ভাগে ভাগ করেছে। প্রথমবারের জন্য সর্বেক্ষণের ভিত্তিতে ক্রমতালিকায় জেলা গুলির স্থান নির্ধারিত হবে। মন্ত্রক সূত্রে খবর ১০০ শতাংশ ওয়ার্ডে আওয়ায় আনার লক্ষ্য়মাত্রা স্থির করে এবারের এই সমীক্ষা করা হচ্ছে। গত বছর মাত্র ৪০ শতাংশ ওয়ার্ড এই সমীক্ষার অন্তর্ভুক্ত ছিল।

‘স্বচ্ছ সর্বেক্ষণ ২০২২’ গতবারের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ লক্ষ্যমাত্রা স্থির করেছে। তাই লক্ষ্য পূরণের জন্য মূল্যায়নকারীর সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ বাড়ানো হবে বলে জানা যাচ্ছে। এবারের এই সমীক্ষায় ডিজিটাল ট্র্যাকিং অব ডকুমেন্টস (Digital tracking of documents), জিও ট্যাগিং (Geo Tagging), নাগরিকদের মতামত নেওয়ার জন্য কিউআর কোডের (QR code) মতো অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.