বিশ্ব হিন্দু পরিষদ দক্ষিণবঙ্গ প্রান্তের উদ্যোগে অকালবোধন দুর্গোৎসব সম্মান

শ্রীরাম ১০৮ টি পদ্ম দিয়ে দেবীপুজো করতে গিয়ে দেখেন একটি পদ্ম কম। তখন তিনি নিজের চোখ  দেবীকে দান করতে চাইলে দেবী তাঁকে বিরত করেন। দেবীর আশীর্বাদে এরপর শ্রীরাম রাবণবধ করেন। বিশ্বহিন্দু পরিষদ সেই পুরনো অথচ চিরকালীন ঐতিহ্যের স্মৃতি তুলে ধরতে চাইছে, সঙ্গে ফল্গুধারার মতো রাম আবেগও।
শরৎকালের দুর্গা পূজা অকালবোধন নামেই পরিচিত। এ বছর বিশ্ব হিন্দু পরিষদ দক্ষিণবঙ্গ প্রান্তের উদ্যোগে অকালবোধন দুর্গোৎসব সম্মান দেওয়া হবে।  

” বঙ্গ জীবনের অঙ্গ রাম’ এটিই হবে মূল পঙক্তি।

অকালবোধন দুর্গোৎসব সন্মান ২০২০ form : নিচের লিংকে প্রবেশ করে আবেদন পত্র সংগ্রহ করুন।

https://bit.ly/vhpdurgapuja2020

শনিবার বিশ্ব হিন্দু পরিষদের দক্ষিণবঙ্গ প্রান্তের সম্পাদক অলোক শূর জানালেন,’ অনেকেই একটা অপপ্রচার করেন যে শ্রীরাম বহিরাগত।  কিন্ত এই ধারনা যে ভ্রান্ত, শ্রীরামের সঙ্গে যে বাংলার আত্মিক সম্পর্ক রয়েছে তার বড়ো প্রমাণ বাঙালির দুর্গাপুজো। রাবণ বধের জন্য শ্রীরাম অকালবোধন করেছিলেন যা এই সময়ের শারদোৎসব। আমরা বাংলার মানুষকে এই বার্তাটি ই দিতে চাই যে শ্রীরামচন্দ্র আমাদের ঘরের জন, আত্মার আত্মীয়।’ দীর্ঘ দিনের বিবাদের অবসান হয়ে রামমন্দির নির্মাণের ভূমিপূজন হয়েছে অযোধ্যায়। দেশজুড়ে রাম আবেগ এবার বাঙালির দুর্গাপুজোতেও।
অলোকবাবু জানিয়েছেন, ‘কলকাতা পুরসভার অন্তর্গত সমস্ত সাবেকি পুজো ও আবাসিক পুজো, মহিলা পরিচালিত পুজো এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবেন। আগামী ১৬ অক্টোবরের মধ্যে [email protected] gmail.com  এই ইমেলে অথবা হোয়াটসঅ্যাপ ৯৪৩২২৬৯৪৬১ বা ৭৯৮০৮৯১৫৮২/ ৯৮৩১৪৭০০৫৮ এই নম্বরে পুজো কমিটিগুলোকে নাম নথিভুক্ত করার জন্য যোগাযোগ করতে হবে। 


প্রথম থেকে পঞ্চম পুরস্কার ( মহিলা পরিচালিত পুজো) দেওয়া হবে। এছাড়া রয়েছে শ্রেষ্ঠ প্রতিমা, শ্রেষ্ঠ পুরোহিত, শ্রেষ্ঠ নিয়মনিষ্ঠার পুজো, সেরা পরিবেশ,সেরা আলো, সেরা মণ্ডপ, সেরা পুজো সংগঠক, সেরার সেরা পুজো ব্যবস্থাপনা,,সেরা সামাজিক পুজো কর্মকাণ্ড সংগঠক, সেরা সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড সংগঠক ও সেরা আবাসিক পুজোর পুরস্কার ।’

তিনি জানিয়েছেন, ‘পঞ্চমীর দিন করোনার সময়ে সামাজিক দূরত্ব মেনে বিজয়ীদের পুরস্কৃত করা হবে। তবে কোন আর্থিক পুরস্কার থাকছে না। উপহার হিসাবে দেওয়া হবে শ্রীরামচন্দ্র ও দুর্গা মূর্তির স্মারক, শংসাপত্র ও পুজোর উপচার।’ পুরাণ অনুসারে রাবণ বধের জন্য শ্রীরামচন্দ্র শরৎকালে  দেবীর অকাল বোধন করেন। শরৎকাল দেবলোকের রাত্রি, তাই এই সময় দেবপূজা করতে হলে বোধন করতে হয়। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.