ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছেছে ভারত। সঞ্জু স্যামসনের বিধ্বংসী ৮৯ রান কিংবা জসপ্রীত বুমরাহ-র নিয়ন্ত্রিত বোলিং— জয়ের কারিগর হিসেবে এই নামগুলো আলোচনায় থাকলেও, ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব জয়ের কৃতিত্ব দিলেন নেপথ্যে থাকা আরও এক ব্যক্তিকে। তিনি দলের ফিল্ডিং কোচ টি দিলীপ।
ফিল্ডিং কোচের পরিশ্রম ও সাফল্যের চাবিকাঠি
চলতি বিশ্বকাপে ভারতের ফিল্ডিং নিয়ে সমালোচনার শেষ ছিল না। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই টুর্নামেন্টে সবচেয়ে বেশি ক্যাচ ফেলার নজির গড়েছিল টিম ইন্ডিয়া। কিন্তু সেমিফাইনালের মেগা লড়াইয়ে ছবিটা বদলে গেল। অক্ষর প্যাটেলের অভাবনীয় ক্যাচ এবং হার্দিক পাণ্ড্যর নিখুঁত রান-আউট ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।
ম্যাচ শেষে অধিনায়ক সূর্যকুমার বলেন, “জয়ের কিছুটা কৃতিত্ব ফিল্ডিং কোচ টি দিলীপকেও দেওয়া উচিত। উনি ছেলেদের সঙ্গে অনেক পরিশ্রম করেছেন। বিভিন্ন অভিনব প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ফিল্ডিংয়ের মান বাড়িয়েছেন। ওঁর কঠোর অনুশাসন আজ মাঠে প্রতিফলিত হয়েছে।”
সঞ্জু ও বুমরাহ-র প্রশংসা
ব্যাট হাতে সঞ্জু স্যামসনের আগ্রাসী মেজাজ মুগ্ধ করেছে অধিনায়ককে। সূর্যের মতে, উইকেট হারানোর চাপ উপেক্ষা করে সঞ্জু যেভাবে আক্রমণ চালিয়ে গিয়েছেন, তা তাঁর কেরিয়ারের অন্যতম সেরা ইনিংস। অন্যদিকে, জসপ্রীত বুমরাহ-র ধারাবাহিকতা নিয়ে সূর্য বলেন, “বুমরাহ আবারও প্রমাণ করল কেন ও সেরা। বারবার ও দলের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিচ্ছে এবং সাফল্য এনে দিচ্ছে।”
রণকৌশলে বদল ও ‘বাজি’ জয়
এদিন ব্যাটিং অর্ডারে নিজেকে চার নম্বর থেকে সরিয়ে শিবম দুবেকে নামানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন সূর্য। সেই পরিকল্পনা সফল হয়েছে। শিবম ২৫ বলে ৪৩ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন। এই প্রসঙ্গে সূর্য জানান:
- তিন নম্বর পর্যন্ত ব্যাটিং অর্ডার নির্দিষ্ট থাকলেও পরিস্থিতির নিরিখে বদল আনা হয়।
- লেগ-স্পিনার আদিল রশিদের বিরুদ্ধে শিবম কার্যকরী হবেন ভেবেই তাঁকে আগে পাঠানো হয়েছিল।

