বর্ণাশ্রমের অপব্যাখ্যায় সংরক্ষণ

ভারতবর্ষের রাজনীতিতে স্বাধীনতার পর থেকে এক শ্রেণীর মানুষ নিজেদের নিম্নবর্ণের বলে পরিচয় দিয়ে বর্ণাশ্রমের অপব্যাখ্যা করে বংশানুক্রমে সংরক্ষণের মধ্যে দিয়ে যেমন ক্ষমতা কুক্ষিগত করতে চাইছে, তেমনি হিন্দু সমাজকে আঘাত করে আরও ভাঙতে ভাঙতে দেশটাকেই ক্রমশ দুর্বল করে চলেছে। আমরা প্রত্যেকে যদি শ্রীকৃষ্ণ বর্ণিত বর্ণাশ্রমের কর্ম ও গুণের উত্তরণ ঘটিয়ে ব্রহ্মত্বRead More →

বাংলাদেশে শিক্ষা ব্যবস্থার পর সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের ইসলামিকরণ

বাংলাদেশে শিক্ষাব্যবস্থা ইসলামিকরণের পর সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলিতে কীভাবে মৌলবাদী চেতনার বিকাশ ঘটানো হয়েছে তার অন্যতম নজির হচ্ছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনের দিন ধার্য করতে গিয়ে অন্য ধর্মকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করা, আঘাত করা তাদের নিয়মে পরিণত হয়েছে। সম্প্রতি সরস্বতী পুজো নিয়ে তুলকালাম কাণ্ডের পর নির্বাচন কমিশনের বোধোদয় হবে কিনা জানি না। তবে একটা বড়োRead More →

রাজ্যে শিক্ষা পরিবেশের দফারফা

কবিগুরু দেশের মানুষের ঘুম ভাঙাতে এবং ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনকে আরও শক্তিশালী করতে গান বেঁধেছিলেন— ‘যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে তবে একলা চলো রে’! আর আজ রবীন্দ্রনাথের সেই কালজয়ী গানের প্রায় একশো বছর পর রাজ্যের নেত্রীর ডাকে কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক উপাচার্যরা পড়াশুনার কাজ বন্ধ। রেখে দৌড়চ্ছেন নেতাজী ইন্ডোর স্টেডিয়ামেRead More →

সামরিক শক্তির থেকেও গুরুত্বপূর্ণ ভারতের সাংস্কৃতিক উৎকর্ষ

এই সাধারণতন্ত্র দিবসে আমরা প্রশ্ন রাখতে পারি ভারতের ইতিহাসে কোন সময়টি ছিল সেরা উৎকর্ষের। এই সূত্রে ভারততত্ত্ববিদ Alexander Dalrymple একটি বিরল দৃষ্ট কিন্তু অত্যন্ত সুচিন্তিত মতামত দিয়েছেন। তাঁর সাম্প্রতিক গ্রন্থ “The Anarchy’উদ্বোধনের সময় তিনি বলেছেন চতুর্থ থেকে দ্বাদশ শতাব্দীই ছিল ভারতের স্বর্ণযুগ। এই কালপর্বে ভারতের সাংস্কৃতিক উৎকর্ষ শান্তি, সুস্থিতির বাণীRead More →

সুনীতিকুমারের ভাবনায় বাঙ্গালি মুসলমান

বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের সঙ্গে যুক্ত যে কোনো ব্যক্তির কাছেই সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় (১৮৯০-১৯৭৭) একটি অতি পরিচিত ও প্রিয় নাম। বিশিষ্ট ভাষাতাত্ত্বিক, বহুভাষাবিদ মনীষী ও প্রাবন্ধিক হিসেবে তাঁর নাম আমরা মনে রেখেছি। The Origin and Development of Bengali Language'(1926) যা সংক্ষেপে ODBL নামে পরিচিত, তাঁর অসামান্য গবেষণাগ্রস্থ। বাংলা ভাষাতত্ত্বের আলোচনা সুনীতিকুমারকেRead More →

গোলাভরা ধান কাদের জন্য ফেলে এলেন কমরেড?

কলকাতার ডার্বি চলছে।‘রক্ত দিয়ে কেনা মাটি, কাগজ দিয়ে নয়’ লেখা একটি ব্যানার শোভা পাচ্ছে ইস্টবেঙ্গল গ্যালারির মাথায়। ম্যাচ শেষ হতে না হতেই নেট দুনিয়ায় ব্যাপক আলোড়ন। কে জিতলো, কে হারলো সেটা হয়ে গেল গৌণ। বাঙ্গালির ফুটবলের আবেগ রূপ নিল রাজনীতির তরজায়। এই ব্যানারটা লাগিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল আল্টাস নামের একটি গ্রুপ। এরাRead More →

শতবর্ষের ইস্টবেঙ্গলে রাজনীতির কালিমা

‘রক্ত দিয়ে কেনা মাটি, কাগজ দিয়ে নয়’ কোনো ফুটবল ম্যাচের গ্যালারি থেকে যখন এই ধরনের কথা লেখা একটা বিরাট ব্যানার ঝোলে তখন সাময়িকভাবে একটা চমক তৈরি হয় বই কী। আর ব্যানারটি যখন মোহনবাগান আর ইস্টবেঙ্গলের মধ্যে সল্টলেক স্টেডিয়ামে গত ১৯ জানুয়ারির ডার্বি ম্যাচে, ইস্টবেঙ্গলের সমর্থকদের গ্যালারি থেকে ঝোলে, এবং সারাRead More →

যুগদ্রষ্টা দুই মহাপুরুষ স্বামী প্রণবানন্দজী মহারাজ ও ডাঃ হেডগেওয়ার

মানব সেবায় স্বামী প্রণবানন্দজী মহারাজ অস্পৃশ্যতা দূরীকরণ ও হিন্দুসমাজের জাগরণ প্রচেষ্টায় ব্রতী হয়েছিলেন। ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাতা আচার্য প্রণবানন্দজীর সেই মহাসত্যের আর একটি দিব্য অভিব্যক্তি— হরিজন নয়, অচ্ছুত নয়, দরিদ্র নারায়ণ সেবা— এই ভাবনা নিয়েই তার জয়যাত্রা। গ্রামে শহরে সর্বত্র সর্বশ্রেণীর হিন্দুদের নিয়ে তিনি স্থাপন করেন হিন্দু মিলন মন্দির। তাঁরRead More →

ভারতের ধর্মনিরপেক্ষতাকে প্রহসনে পরিণত করেছে মেকি ধর্মনিরপেক্ষ দলগুলি

ইদানীং একটা কথা খুব প্রচার হচ্ছে যে ভারত হলো সেকুলার দেশ। বারবার উঠে আসছে সংবিধান প্রণেতা ড. আম্বেদকরের কথা। আরও প্রচারিত হচ্ছে বর্তমান শাসন ব্যবস্থায় সরকার সেকুলার ভারতের টুটি টিপে ধরতে উদ্যত। গোয়েবলসীয় প্রচারের কায়দায় মানুষের মনে বিশেষ করে তরুণ সমাজের মধ্যে এমন একটা ধারণা গেঁথে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে যেনRead More →

এখন কাশ্মীরে স্থানীয় সংখ্যালঘু সমাজের কর্তব্য

স্বাধীনতার ৭২ বছর পর গত ৫ আগস্ট, ২০১৯-এ ভারত সরকারের ৩৭০ ধারা বাতিলের সিদ্ধান্ত শুধু ঐতিহাসিকই নয়, অখণ্ড ভারত চেতনার ক্ষেত্রেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এত দীর্ঘদিন ধরে এই ব্যবস্থা চালু রেখে সব থেকে বেশি ক্ষতি করা হয়েছে। কাশ্মীরের বাসিন্দাদের, বিশেষত কাশ্মীরের সংখ্যালঘু সমাজের হিন্দু, শিখ ও বৌদ্ধদের। এই ধারার কারণে দেশেরRead More →