Exclusive: মমতাকে প্রশান্ত কিশোরের পরামর্শ: আপনি প্লিজ আলটপকা কোনও কথা বলবেন না, ক’মাস চুপ থাকুন

যখন যেটা মনে আসে তিনি দুম করে বলে দেন। আগু পিছু, সাত-সতেরো, শব্দ-ব্যাকরণ সব সময়ে যে ভেবে বলেন এমন নয়! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এরকমই! সেটাই অ্যাদ্দিন তাঁর রাজনীতির পুঁজিও ছিল। কিন্তু এখন আবহাওয়া খারাপ। পরিস্থিতিও সুখকর নয়। বিধানসভা ভোটের আগে তৃণমূলের রাজনৈতিক কৌশল স্থির করতে তাই এখন দিদি-কে প্রশান্ত কিশোরের পেশাদারRead More →

তোলাবাজিতে বামেদেরও হারিয়ে দিয়েছে তৃণমূল

পশ্চিমবঙ্গে তোলাবাজি সাম্প্রতিককালে এক মারাত্মক ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে। এই ব্যাধির সংক্রমণ শুরু বাম রাজত্বের মাঝামাঝি সময় থেকে। প্রথম দিকে এই ব্যাধি সীমাবদ্ধ ছিল প্রভাবশালী কিছু বাম নেতৃত্বের মধ্যে। তারপর তা ছড়িয়ে পড়ে ছোটো, বড়ো ও মাঝারি নেতাদের মধ্যে। ফলে যাদের ছিল খড়, মাটি, বাঁশ, টালি মায় টিনের ঘর, তাদের পাকাঘরRead More →

ধর্মরক্ষার্থে আত্মঘাতী হন জমিদার চিত্তরঞ্জন

অধুনা বাংলাদেশের ঢাকা জেলার বিক্রমপুর ইছাপুরা গ্রামে বাস ছিল আমার পূর্বপুরুষদের। এক বর্ধিষ্ণু, স্বচ্ছল পরিবার। পাকাবাড়ি, চাষের জমি, ঠাকুরদালান, পুকুর সমেত স্বচ্ছন্দে দিনযাপন করত। প্রতিবছর শরৎকালে নিয়ম করে অনুষ্ঠিত হতো দুর্গপুজো (যা বর্তমানে কলকাতার বাসভবনে অনুষ্ঠিত হয়। স্বাধীনতার প্রাক্কালে ১৯৪৬ সালের শেষের দিকে কপর্দক শূন্য হয়ে দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলRead More →

পচন তো ধরেছে মাথাতেই

শুরুটা হয়েছিল পাড়ার মোড়ে ‘সততার প্রতীক’ কাটআউট টাঙিয়ে। ভাবখানা এমন ছিল যেন স্বর্গের দেবদূতদের আসর থেকে পশ্চিমবঙ্গে সেই প্রথম কোনো সততার প্রতিমূর্তি নেমে এলেন। তার আগে এ রাজ্যে আর কোনো সৎ রাজনীতিকের জন্ম হয়নি। অথচ তিনি, মানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজনীতির আঙিনায় পা রাখার আগেই এখানকার মানুষ ড. প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষ, প্রফুল্লচন্দ্রRead More →

মাননীয়া আপনার রাজনৈতিক বেলুন ফুটো হইয়া গিয়াছে

মাননীয়া, মুখ্যমন্ত্রী মহাশয়া সমীপেষু, আপনাকে এই খোলা চিঠি লিখিবার উদ্দেশ্য হইল আপনাকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা। ধন্যবাদ মূলত দুটি কারণে। প্রথমত, দীর্ঘ ৮ বছর পরে আপনার কুম্ভকর্ণের নিদ্রা ভাঙিয়াছে (সম্ভবত তোষামোদীদের পক্ষ হইতে আপনার নাসিকায় সরিষার তৈলের সরবরাহের স্বল্পতায়)। দ্বিতীয় কারণ, দেরিতে হইলেও, আপনি দীর্ঘ ঘুমের ঘোর কাটাইয়া কিছু কিছু বিষয়Read More →

রুই কাতলারা সাধু আঁশবটিতে চুনোপুঁটিরা

ঠেকায় পড়লে মানুষ এমন অনেক কাজ করে বা করতে বাধ্য হয় যা স্বাভাবিক অবস্থায় তার কাছে অপ্রত্যাশিত। সাধারণ নির্বাচনে বিজেপির কাছে পর্যদস্ত হবার পর পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তেমনই এক কাণ্ড বাধিয়েছেন। তিনি উপলব্ধি করেছেন, তার দলের নেতা-কর্মীরা কাটমানি খায়। তার হুকুম, যারা কাটমানি খেয়েছেন অবিলম্বে তা সাধারণ মানুষকে ফেরত দিতে হবে।Read More →

ভারতের সংসদে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেশদ্রোহের নামান্তর

ভারতের সংসদে সপ্তদশ অধিবেশনের প্রথম দিনে পশ্চিমবঙ্গের কিছু সাংসদ লোকসভায় ধ্বনি দিলেন ‘জয় বাংলা’। এই ধ্বনিটি ১৯৭১ এ মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজিবর রহমানের তোলা বাংলাদেশের ওয়ার ক্রাই এবং আজও এটি সে দেশে আওয়ামী লীগ পার্টির স্লোগান। সেই স্লোগান ইদানিং প্রায়শঃই উঠছে পশ্চিমবঙ্গেও এবং উঠল ভারতের সংসদেও। একদল ফেরিওয়ালা পশ্চিমবঙ্গের বুকে ঘুরেRead More →

মমতা দৈত্যকুলে প্রহ্লাদ সাজতে চাইছেন, শুধু দল কেন, ওঁর প্রশাসনও তো কাটমানি খাচ্ছে: অধীর

কাটমানি বিতর্কে জেলায় জেলায় তৃণমূলের নেতারা যখন স্থানীয় মানুষের কাছে হেনস্থা হচ্ছেন, তখন ফের বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন লোকসভায় তৃণমূলের নেতা অধীর চৌধুরী। শনিবার বহরমপুরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অধীর চৌধুরী বলেন, “কাটমানি নিয়ে কেবল দলের লোকেদের বিরুদ্ধে কেন লোক লেলিয়ে দিচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? প্রশাসনের অফিসারদের বিরুদ্ধেও লোক লাগান। জেলার পুলিশ সুপার,Read More →