বিপ্লবীদের ঐক্যবদ্ধ করতে করতে নরেন সন্ন্যাসী ছদ্মনামে সারা ভারত ঘুরতেন বাঘা যতীন

ভারতের স্বাধীনতা যুদ্ধের নির্ভীক সৈনিক যতীন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়, খালি হাতে বাঘ মারার জন্য তাঁর নাম হয়েছিল বাঘা যতীন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়ে জার্মানি থেকে অস্ত্র সংগ্রহ করে ব্রিটিশ সরকারের ওপর চরম আঘাত হানতে তিনি সর্বশক্তি নিয়োগ করেছিলেন। ওড়িশার বালেশ্বরে বুড়িবালাম নদীর তীরে মাত্র চার জন সঙ্গী নিয়ে তিনি ব্রিটিশ পুলিশের বিরুদ্ধে অকুতোভয় লড়াইRead More →

“ভারতে থেকে ইন্ডিয়া বলা যাবে না, ভালো না লাগলে চলে যান,” খড়্গপুরে হুঁশিয়ারি দিলীপ ঘোষের

 ‘ইন্ডিয়া’ পাল্টে ‘ভারত’ হবে, কোনো বাপের ব্যাটা আটকাতে পারবে না। যার পছন্দ হবে না সে দেশ ছেড়ে চলে যাক। খড়্গপুরে রবিবার জনসংযোগ কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে ইন্ডিয়ায় নাম পরিবর্তন নিয়ে এমনটাই মন্তব্য করলেন দিলীপ ঘোষ। তামিলনাড়ুতে বিরোধিতা হচ্ছে কেনো, যদি নাম পরিবর্তনের বিরোধিতা করতেই হয় তাহলে মাদ্রাস নাম পাল্টে চেন্নাই করাRead More →

আপনি আমাকে রয়্যাল হাইনেস বলতে পারেন — গান্ধিজিকে বলেছিলেন ডাঃ বিধানচন্দ্র রায়

গান্ধিজি একবার ডাঃ বিধানচন্দ্র রায়কে বলেছিলেন, “আপনি যুক্ত প্রদেশের (অধুনা উত্তরপ্রদেশ) গভর্নরের পদগ্রহণ করতে রাজি হলেন না। আমি ভেবেছিলাম, আপনাকে ‘ইওর এক্সেলেন্সি’ বলে ডাকার সুযোগ পাব। তা হতে দিলেন না”। মৃদু হেসে বিধানবাবু উত্তর দিয়েছিলেন, “আমি আপনাকে আরও ভালো বিকল্প দিতে পারি। আমি পদবীতে রায়। তাই আপনি আমাকে রয়্যাল বলতে পারেন। আরRead More →

শেষ জীবনে স্বামীজি মেতেছিলেন আদিবাসীদের সেবায়, রান্না করে তাঁদের খাইয়েও দিয়েছেন 

১৯০০ সালের ৯ ডিসেম্বর। বাইরের ঘুটঘুটে অন্ধকারে কনকনে ঠান্ডার দাপট সমানে চলছে। মঠের ব্রহ্মচারী ও সন্ন্যাসীরা তখন সবেমাত্র রাতের খাবার খেতে বসেছেন। বাগানের উড়ে মালি হাঁফাতে হাঁফাতে এসে খবর দিল এত রাতে ‘এক সাহেব আউচি’। এই রাতে কে সাহেব, কোথাকার সাহেব, কী জন্যই বা সাহেব এসব কথাবার্তায় যখন বেলুড় মঠRead More →

মনের ডাক্তার শ্রীরামকৃষ্ণ

যে কোনো জানলায় সাধারণত দুটো পাল্লা থাকে। ফলে বাইরে আর ভিতরে অলক্ষ্যেই জানলার চারটি অংশ তৈরি হয়ে যায়। আধুনিক মনোবিজ্ঞানের ধারণা অনুযায়ী মানুষের মনেরও স্পষ্টত তেমনই চারটি ভাগ। ক্যালিফোর্নিয়া ইউনিভার্সিটির দু’জন বিখ্যাত সাইকোলজিস্ট জোসেফ লাফ্ট এবং হারেভিংটন্ ইঙ্গহাম-এর মতে মানবমনের বিভাজন সংক্রান্ত এই চমকপ্রদ ধারণা ‘জেহারি উইন্ডো’ অনুযায়ী আমাদের মনRead More →

১২৫ বছর ধরে বিরতিহীন স্বামী বিবেকানন্দ প্রবর্তিত উদ্বোধন পত্রিকা

উদ্বোধন — একমাত্র বাংলা পত্রিকা যা ১২৫ বছর ধরে নিরবচ্ছিন্ন ভাবে প্রকাশিত হয়ে চলেছে। স্বামী বিবেকানন্দ প্রবর্তিত উদ্বোধন পত্রিকা-র প্রথম সম্পাদক ছিলেন স্বামী ত্রিগুণাতীতানন্দ। ১৮৯৭ সালে স্বামীজী প্রতিষ্ঠা করেন রামকৃষ্ণ মিশন। তিনি বলেছিলেন, ত্যাগ, নিঃস্বার্থ সেবা ও প্রকৃত জ্ঞানলাভের মাধ্যমে সত্যের পথে এগিয়ে যাওয়াই হবে মিশনের আদর্শ। সেইসঙ্গে এই ভাবধারাকেRead More →

ছাতার শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষা 

বর্ষা মানেই ছাতা। অথচ, ছাতার আবিষ্কার কিন্তু একেবারেই বৃষ্টি থেকে বাঁচার জন্য তৈরি হয়নি। বরং, ছাতা তৈরি হয়েছে রোদ থেকে বাঁচার জন্যেই। আমব্রেলা শব্দটি এসেছে ল্যাটিন ‘আমব্রা’ শব্দ থেকে। এই ‘আমব্রা’ শব্দের অর্থ হল ছায়া। সূর্য থেকে রক্ষা পেতে কৃত্রিম ছায়ার জন্যেই ছাতা বা আমব্রেলার আবিষ্কার। ছাতার আবিষ্কার হয়েছে চিনRead More →

স্বদেশি আন্দোলন ও বাঙালির বেকারি তৈরির গল্প

বাঙালির সকাল মানেই চায়ের দোসর পাউরুটি টোস্ট। অবিশ্যি আমাদের আবোল-তাবোলের স্রষ্টা সুকুমার রায় পাউরুটির সঙ্গে-সঙ্গে ঝোলা গুড়ও সাজেস্ট করেছিলেন। ওদিকে সেই ইংরেজি কেতার পেলিটি বা গ্রেট ইস্টার্ন সেকালে আর ক’জনের ঘরে ঢোকার সুযোগ পেত! চারুলতায় আমরা দেখেছি মন্দার বউঠানকে পেলিটির কেক খাওয়ানোর প্রস্তাব রেখেছেন তাঁর আদরের দেওর। কিন্তু রোজকার সকাল-বিকেলRead More →

৮০ বছর পেরিয়েও গ্রীষ্ম-বর্ষায় বাঙালিকে ভরসা দিচ্ছে কে.সি.পালের ছাতা

১৯৫২ সালের ছবি, ‘Singing in the Rain’, যেখানে লম্বা কালো ছাতাই হয়ে উঠেছিল ‘সিগনেচার’। জিন কেলির স্মরণীয় ট্যাপ নাচের প্রতীক ছিল ছাতাই। ‘Come on with the rain/ I’ve a smile on my face/ I’ll walk down the lane/ With a happy refrain/ Just singin’ in the rain’….. বর্ষা আসলেই ঘরRead More →

বর্ষং তদ্ ভারতং নাম ভারতী যত্র সন্ততি

“उत्तरं यत्समुद्रस्य हिमाद्रेश्चैव दक्षिणम् ।वर्षं तद् भारतं नाम भारती यत्र संततिः ।।” “The country (Varsam) that lies north of the ocean and south of the snowy mountains is called Bharatam; there dwell the descendants of Bharata. ” – Vishnu Puran.. দেশের নাম সংশোধন করে ‘ভারত’ হওয়া নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে। পার্লামেন্টেRead More →