বৈদান্তিক মাতৃপূজা এবং তার সামাজিক তত্ত্ব বিন্যাস

“যা দেবী সর্বভূতেষু জাতিরূপেণ সংস্থিতা। নমস্তস্যৈ নমস্তস্যৈ নমস্তস্যৈ নমো নমঃ।।” [শ্রী শ্রী চণ্ডী, দেবীদূতসংবাদ।। ৫ অধ্যায় ৪৩ শ্লোক।] সারা বৎসর বঙ্গবাসী মাত্রই প্রতীক্ষা করে থাকেন আশ্বিনের দুর্গোৎসবের জন্য। হয়তো কোনো ভক্ত পাঠক বলতে পারেন যে আমি দুর্গাপূজা না বলে দুর্গোৎসব বললাম কেন? তাদের জন্য জানাই যে আজ পাড়ায় পাড়ায় প্যান্ডেল,Read More →

বঙ্গদেশের আরাধ্য দেবতা দুর্গা কে? বঙ্কিমচন্দ্রের অনুসন্ধান।

‘বঙ্গদর্শন’ পত্রিকায় বঙ্কিমচন্দ্র ১২৮০ বঙ্গাব্দের জ্যৈষ্ঠ সংখ্যায় (পৃষ্ঠা ৪৯-৫৩) ‘দুর্গা’ নামে একটি প্রবন্ধ রচনা করেছিলেন।[১] যদিও ‘বিবিধ প্রবন্ধ’ নামে গ্রন্থ প্রকাশের সময় তিনি লেখাটিকে বাদ দিয়েছিলেন।এই প্রবন্ধে তিনি লিখেছেন, কোনো বৈদিক সংহিতায় দেবী দুর্গার বিশেষ কোনো উল্লেখ নেই। তবে ঋগ্বেদ সংহিতার দশম মন্ডলের অষ্টমাষ্টকের[২] রাত্রি পরিশিষ্টে একটি দুর্গা-স্তব রয়েছে।[৩] তারRead More →

দেবী দুর্গা ও হিন্দুরাষ্ট্রবাদ

‌’বীরভোগ্যা বসুন্ধরা।’ প্রশ্ন হল বীর কে? “সমুকর্ষ-নিঃশ্রেয়সস্য একম্ উগ্রম্/পরং সাধনং নাম বীরব্রতম্”। হিন্দুরাষ্ট্রবাদীরা বলেন ইহলৌকিক ও পারলৌকিক উৎকর্ষ সাধনের দ্বারা মোক্ষ লাভের যে পরম সাধনা তারই নাম বীরব্রত। যারা এই বীরব্রত পালন করেন তারাই বীর। হিন্দুত্ববাদীরা পরম করুণাময় ঈশ্বরের কাছে বীরব্রত প্রার্থনা করেন। এই গুণের দ্বারা তারা ধর্মের সংরক্ষণ করতেRead More →

সম্পাদকীয়

জাতীয় জীবনে শক্তি সংহতি, শক্তি সাধনার প্রবর্তন যে জরুরি, উপলব্ধি করেছিলেন যুগাচার্য স্বামী প্রণবানন্দজী মহারাজ। সেই উদ্দেশ্য নিয়েই তিনি ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘ ও প্রণব মঠে মহাশক্তি শ্রীশ্রী দুর্গাপূজার উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন। ১৯৪০ সালের অক্টোবর মাস। কাশীধামে সঙ্ঘের দুর্গাপূজা ও উৎসব-সম্মেলনের আয়োজন করেছেন তিনি। সম্মেলনের দিনকয় আগে আচার্য দেব বলছেন, শ্যামাপ্রসাদকেRead More →

সেই শ্বেত শুভ্র কোমল সুন্দর শিল্পের কথা – প্রথম পর্ব

প্রথম পর্ব তেমন কিছু নয় , শোলার ফুল চাঁদের আলোয় সত্যি মনে হয়           তেমন কোনো দোষদেখা হল না, এই যা আফশোস          ফুলের সোনায় জলজমেছে ভাই, এবার ফিরে চল         পাহাড়তলির পাড়াএখন ঘুমে, বাজাব একতারা         তেমন কোনো ভুলকোথায়Read More →

বঙ্গভঙ্গের কিছু ইতিহাস

“বাংলার মাটি, বাংলার জল, বাংলার বায়ু, বাংলার ফল;পূণ্য হউক, পূণ্য হউক, হে ভগবান।” ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর বাংলা তথা ভারতের ইতিহাসে এক ঐতিহাসিক দিন। সুপ্রাচীন বঙ্গভূমিকে দ্বিখণ্ডিত করার ব্রিটিশ সিদ্ধান্তকে কার্যকর করার জন্য বিল পাস করা হয়। সেই সময় ভাইসরয় ছিলেন লর্ড কার্জন (১৮৯৮ – ১৯০৫)। বঙ্গভঙ্গের প্রস্তাব প্রথম বিবেচিতRead More →

ঝগড়ভঞ্জনী চণ্ডী – দ্বিতীয় পর্ব

দ্বিতীয় পর্ব  পূর্বেই বলেছি দেবী ঝগড়াইচন্ডী বড়ই জাগ্রত এবং জনপ্রিয়। আজও রাঢ় অঞ্চলের নানান প্রান্ত থেকে বহু মানুষ পূজা দিতে আসেন মায়ের থানে। মানত করেন তাঁরা। এখানে দেবীর নিত্যাসেবা পূজা হয়। তবে , শনি ও মঙ্গলবার দেবীর বিশেষ পূজার আয়োজন করা হয়। এই দুইদিন দূরদূরান্ত হতে ভক্তরা এসে পূজা দেনRead More →

ঝগড়ভঞ্জনী চণ্ডী – প্রথম পর্ব

প্রথম পর্ব  গঙ্গাবীচিপ্লুত পরিসরঃ সৌধমালাবতংসো বাস্যতুচ্চৈ স্তুয়ি রসময়ো বিস্ময়ং সুহ্ম দেশঃ।  অর্থাৎ, ‘যে-দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল গঙ্গাপ্রবাহের দ্বারা প্লাবিত হয়, যে দেশ সৌধশ্রেণীর দ্বারা অলংকৃত, সেই রহস্যময় সুহ্মদেশ তোমার মনে বিশেষ বিস্ময় এনে দেবে।’  খ্রিস্টীয় ৮ ম ও ৯ ম শতাব্দীতে সমগ্র রাঢ়দেশ শূর বংশীয় নৃপতিদের অধিকার ভুক্তছিল। তৎপরে পালরাজ গণেরRead More →

পৃথিবীর নরক নোয়াখালী

Pakistan was born the day when the first Hindu was converted into Islam centuries ago- Jinnahউক্ত গল্পটি সে যুগে রচিত, যে যুগে ভারতবর্ষের মাটিতে বাস করতেন একজন কুঁজো হয়ে হাটা বৃদ্ধ মানুষ (গান্ধী) যিনি দাঙ্গা কবলিত পাঞ্জাবের ধর্ষিতা নারীদের উদ্দ্যেশ্য বলেছিলেন তারা যেন জিহ্বায় কামড় দিয়ে কোন বাঁধা না দিয়ে,Read More →

সার্ধশতবর্ষে  শিখাময়ী নিবেদিতা

  সুদূর আয়ারল্যান্ডে ১৮৬৭ সালে ২৮শে অক্টোবর  জন্ম , বাবা স্যামুয়েল রিচার্ডস্ নোবেল ছিলেন একজন মানবতাবাদী এবং সমাজকর্মী গির্জার কাজে যুক্ত একজন ধর্মপ্রাণ মানুষ । মা মেরি ইজাবেল নোবল্ । মাত্র ১০ বছর বয়সেই পিতৃহারা হলেও বাবার ঈশ্বরমুখি সৎ চরিত্রের ছায়া পড়েছিল এলিজাবেথ মার্গারেট নোবলের মনের গভীরে । পিতৃহীন হবার পরRead More →