পাছাপেড়ে শাড়ি

“এবার ম’লে সুতো হব, তাঁতির ঘরে জন্ম লব, পাছাপেড়ে শাড়ি হয়ে দুলবো তোমার কোমরে…” – গৌরীপ্রসন্ন মজুমদারের রচনায় সেই বোধহয় বাঙালি পরিবারে ‘পাছাপেড়ে’ শাড়ি ও শব্দটির শেষ ও সর্বজনপ্রিয় উদযাপন। লেখাপড়া শেখা বাঙালি নারী কিম্বা পুরুষ দোকানে গিয়ে ‘একটা পাছাপেড়ে শাড়ি দেখাবেন?’ – এই প্রকাশ্য অনুরোধ করতে পারেন না বোধহয়Read More →

রাজ্য জুড়ে ৫০০ টি হনুমান জয়ন্তী অনুষ্ঠানের আয়োজন করবে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ

অগ্নিযুগের কথা বাদ দিলে পশ্চিমবঙ্গে এই মূহুর্তে হিন্দুত্ববাদের স্বর্ণযুগ চলছে বললেও ভুল হয় না। এবং হিন্দুত্ববাদের এই হাওয়া দিন দিক বাড়ছে। বাঙালিদের মধ্যে হিন্দুত্ববাদ এর আগে খুব কম সময়েই এত কজনপ্রিয় হয়েছিল। আর এই হিন্দুত্ববাদী আবহাওয়াতেই সারা রাজ্য জুড়ে ৫০০ টি হনুমান জয়ন্তী অনুষ্ঠানের আয়োজন করবে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। রামRead More →

৩০ জন স্বয়ংসেবককে হত্যার হুমকি দিল জেহাদীরা

৩০ জন স্বয়ংসেবককে হত্যার হুমকি দিল জেহাদীরা রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত “অখন্ড ভারত” এর জন্য তার ধারণা প্রকাশ করার তিন দিন পরেই ৩০ জন স্বয়ংসেবককে হত্যার হুমকি দিলো জেহাদীরা। বিপ্লবী ও স্বাধীনতা সংগ্রামী হেমু কালানির ১০০ তম জন্মদিনের সম্মানে তিনি একটি উদযাপনে এই মন্তব্য করেন। দেশের অন্যান্য অঞ্চলেরRead More →

এবার ভারত ভারতকে জানুক শুরু থেকে

অ্যারিস্টটল জন্ম নেওয়ার কয়েক হাজার বছর আগেই, প্রায় খ্রীষ্টপূর্ব ১৫০০ সালের দিকেই ভারতবর্ষে ‘সভা’, ‘সমিতি’, ‘বিধাতা’, ও ‘গণ’ নামের চারটি পরিষদ ছিল। আদি বৈদিক যুগের এই প্রশাসনিক পরিকাঠামোগুলির মাধ্যমে রাজা নির্বাচিত হত৷ ‘সমিতি’-তে সদস্যরা কর্ম অনুযায়ী সাধারণের মধ্যে থেকে নির্বাচিত হতেন, আবার এই ‘সমিতি’ই রাজাকে নির্বাচিত করত (কিছুটা আমাদের আজকেরRead More →

পশ্চিমবঙ্গে সবথেকে বেশি উপকূল ক্ষয় হয়

ভারতের অন্যান্য সমুদ্রতীরের রাজ্যের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গে উপকূলে দৈর্ঘ্য যথেষ্ঠই কম – মাত্র ২১০ কিলোমিটার্। কারণ পূর্ব মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ 24 পরগণা ছাড়া আর কোনো জেলায় সমুদ্রসৈকত নেই। কিন্তু তারপরেও অন্যান্য সব রাজ্যের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গেই সবথেকে বেশি উপকূলীয় ক্ষয় ঘটে। ভারতী ইনস্টিটিউট অফ পাবলিক পলিসি, ইন্ডিয়ান স্কুল অফ বিজনেসের গবেষণা পরিচালকRead More →

বনের মধ্যে শবদেহ, চাদর সরাতেই নিজের মৃতমুখ দেখতে পেয়েছিলেন বিভূতিভূষণ  

প্রথম স্ত্রী গৌরীর মৃত্যুর কিছুদিনের মধ্যেই চলে গেলেন বোন মণি। দুই কাছের মানুষের মৃত্যুশোক অনেকটাই ভেঙে দিল বিভূতিভূষণকে। চলে এলেন কলকাতায়। একদিন টালিগঞ্জের কাছে দেখা পেলেন এক সন্ন্যাসীর। তাঁর কাছ থেকে শুনলেন আত্মা-তত্ত্বের ব্যাখ্যা। ঘোর চেপে গেল। শুরু হল পরলোক-চর্চা। সেই সন্ন্যাসীর কাছ থেকেই শিখলেন প্ল্যানচেট তথা ‘মণ্ডল’। এরপর, এই পরলোক-চর্চাইRead More →

রাতদুপুরে পদ্মা নদীতে ভূতের কবলে পড়লেন রবীন্দ্রনাথ! 

রবীন্দ্রনাথ শিশু-কিশোরদের খুব ভালোবাসতেন। শান্তিকেতনে যখন থাকতেন, সন্ধে হলেই বসতেন কচিকাঁচাদের নিয়ে। এখনকার মতো বেশি ছাত্রছাত্রী তখন সেখানে ছিল না। পড়াশোনা দিনের বেলা ক্লাসেই হয়ে যেত। পড়ুয়ারা অপেক্ষায় থাকত, কখন সন্ধে হবে আর কখন গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ আসবেন। গুরুদেবেরও সেই সভায় আসার জন্য মন আনচান করত। বড়ো সভা-সমিতি, আমন্ত্রণ ইত্যাদিতে না গিয়েও তিনিRead More →

ভূত

“ভৌতিক ভীতির মূল শুধু প্রত্যক্ষের অগোচর বাস্তবকায়াহীন সত্তার অস্তিত্ব কল্পনার হয়নি। প্রাণের নিঃসঙ্গ একাকিত্বের মৌলিক অসহায় ভীতির মধ্যেই এর বীজ রয়েছে। …নিঃসহায় একাকিত্বের অহেতুক ভীতি এই-ই ভূতের ভয় প্রভৃতি অনির্দেশ্য আতঙ্কের বীজ।” (গল্পের ভূত/সুকুমার সেন) শীতকাতুরে বাঙালি। আবার, বর্ষাসচেতন বাঙালি—ছাতা ভুলে ফেলে আসা তাদের দস্তুর। এবং বাঙালি আড্ডাবাজ। এই ত্র্যহস্পর্শ ঘটলেRead More →

বাঙালির পথ‍্য‍

শারীরিক স্বাস্থ্যের সঙ্গে খাবারের মেলবন্ধন করার ক্ষেত্রে এদেশ অনেক এগিয়ে ছিল। পিত্তের প্রকোপ বাড়লে পিত্ত-নাশক তেতো রসবিশিষ্ট শুক্তো, তিথি বিশেষে চন্দ্র সূর্যের আকর্ষন-জনিত পৃথিবীর যাবতীয় পদার্থের জলীয় অংশ বৃদ্ধি হয়, এজন্য যে যে খাদ্যদ্রব্য খেলে শরীরে রসের আধিক্য হয়, তিথি বিশেষে সেসব ভোজন নিষেধ করে আর্য ঋষিগণ খাদ্যাদি সম্বন্ধে জ্ঞানেরRead More →

নন্দলালের আঁকা উমাকে দেখে প্রথমে ভুল বুঝেছিলেন অবন ঠাকুর

শিল্পের সৃষ্টির মূলে মানুষের মনের তীব্র আবেগ আছে সত্য, কিন্তু আবেগের বশে যাই করি তাই তো শিল্প হয় না। অবন ঠাকুরের (Abanindranath Tagore) কথায়, ‘অনেকদিনের পরে বন্ধুর সঙ্গে হঠাৎ দেখা, আনন্দের উচ্ছ্বাসে তার গলা জড়িয়ে কত কথাই বলা হল, কিন্তু সেটা কাব্যকলা কি নৃত্যকলা দুয়ের একটাও হল না। কিন্তু বন্ধুরRead More →