আমরা কতটুকু চিনি তাঁকে?

আমরা কতটুকু চিনি তাঁকে?ইংরেজদের সাথে যুদ্ধে তিনি তখন মারাত্মক আহত | তাঁর করুণ চোখের দিকে তাকিয়ে ছিলেন এক শিখ কনস্টেবল | সেই কনস্টেবলকে দেখে তিনি বললেন তাঁর একটা গুরুত্বপূর্ণ খাম বালেশ্বর স্টেশনের কাছে একটি পুকুরের পাড়ে গাছের নীচে রাখা আছে | সেই খামটি তাঁর যে কোন মূল্যে চাইই |সেই কনস্টেবলRead More →

প্লেগের বিরুদ্ধে লড়ছেন অবনীন্দ্রনাথ, প্লেগ ছিনিয়ে নিয়ে গেল তাঁর ছোট্ট মেয়েকেই 

কলকাতা জুড়ে তখন প্লেগের আতঙ্ক। চারপাশে মৃত্যু। কিছুতেই আর স্থির থাকতে পারলেন না রবীন্দ্রনাথ। অবনীন্দ্রনাথ এবং আরো কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে শুরু করলেন চাঁদা তোলা। খোলা হল প্লেগ হাসপাতাল। প্লেগের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে করতেই মহামারী থাবা আছড়ে পড়ল অবনীন্দ্রনাথের নিজের বাড়িতেই। ফুলের মতো ছোট্ট মেয়েকে নিয়ে গেল মৃত্যু। এই ধাক্কা সহজেRead More →

ভারত সবাইকে নিয়ে চলায় বিশ্বাস করেঃ মোহন ভাগবত

ভারত সবাইকে নিয়ে চলায় বিশ্বাস করেঃ মোহন ভাগবত ১০ই সেপ্টেম্বর‚ রবিবার রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস) এর সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত এক বক্তৃতায় ভারতের আন্তর্জাতিক দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দেন। তিনি বলে যে পৃথিবীর অনেক দেশ ভারতের মুখাপেক্ষী হয়ে আছে‚ কারণ ভারত সবাইকে সাথে নিয়ে চলতে বিশ্বাস করে। রবিবার নামধারী আন্তর্জাতিক সদরRead More →

আরএসএস প্রচারক এবং কেরল বিজেপি সাংগঠনিক সম্পাদক পিপি মুকুন্দন পরলোক গমন করেছেন

আরএসএস প্রচারক এবং কেরল বিজেপি সাংগঠনিক সম্পাদক পিপি মুকুন্দন পরলোক গমন করেছেন প্রবীণ আরএসএস প্রচারক এবং কেরলের প্রাক্তন বিজেপি সাংগঠনিক সম্পাদক পিপি মুকুন্দন পরলোক গমন করেছেন। ১৩ বছর ববয়সে তিনি স্বয়ংসেবক হিসাবে সংঘে যোগ দিয়েছিলেন। স্কুলের পড়াশোনা শেষ করার পর, তিনি একজন ‘প্রচারক’ হিসাবে বেরিয়ে পরেন। সঙ্ঘে জেলা প্রচারক, বিভাগRead More →

তিনি সঙ্ঘকে বর্তমানের বিশালত্ব দিয়েছেন, মহীরুহের চেহারা দিয়েছেন

ডাক্তারজীর কথা আলাদা। ওনাকে আলাদাই রাখি। কিন্তু বাকি সরসঙ্ঘচালকদের মধ্যে যদি শ্রেষ্ঠ দুজনকে বাছতে হয় তাহলে অবশ্যই সেই দুজন হবে দ্বিতীয় সরসঙ্ঘচালক গুরুজী গোলওয়ালকার আর বর্তমান সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত। একজনের হাত ধরেই সঙ্ঘ বর্তমান রূপরেখা পেয়েছে আরেকজনের হাতে বর্তমানের বিশালত্ব লাভ করেছে। একজন চারাগাছের যত্ন নিয়েছে অন্যজন তাকে মহীরুহের চেহারাRead More →

মহাকালের খেলায় স্বয়ং তাঁর সঙ্গে এঁটে উঠতে কে-ই বা পেরেছে?

বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন ডিসরেইলি যে কনসারভেটিভ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা, পরবর্তী কালে উইন্সটন চার্চিলও সেই পার্টির সদস্য হিসেবেই প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। এই দুই প্রধানমন্ত্রীরই অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য ছিল সনাতন ধর্মের মানুষদের ডিমরালাইজ করা এবং তার মাধ্যমে ভারতবর্ষের সম্পদ শোষণ করা। এঁরা বুঝতে পেরেছিলেন যে ভারতবর্ষকে নিশ্চিন্তে শোষণ করতে গেলে সনাতন ধর্মের মানুষদের মনেRead More →

আগামী দিনে পাষন্ড নরাধমদের স্ট্যাচু সরিয়ে ফেলতে হবে রাজ্য থেকে

ভারতে যুদ্ধে পরাজিত রাজাদের হত্যা না করে তাঁদের নিজের রাজত্বর একটা অংশ বানিয়ে নিতেন l পরাজিত রাজার প্রজা তো দূরের কথা, সৈনিকদেরও হত্যা করা হয় নি l এমনকি আধুনিক যুগে ৮০০ বছর ম্লেচ্ছদের শাসনের পরেও লালবাহাদুর শাস্ত্রীজি, ইন্দিরাজি এবং অটলজিও এই রীতি মেনে চলেন l ব্যাতিক্রম অশোক l আর সেইজন্যইRead More →

বিপ্লবীদের ঐক্যবদ্ধ করতে করতে নরেন সন্ন্যাসী ছদ্মনামে সারা ভারত ঘুরতেন বাঘা যতীন

ভারতের স্বাধীনতা যুদ্ধের নির্ভীক সৈনিক যতীন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়, খালি হাতে বাঘ মারার জন্য তাঁর নাম হয়েছিল বাঘা যতীন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়ে জার্মানি থেকে অস্ত্র সংগ্রহ করে ব্রিটিশ সরকারের ওপর চরম আঘাত হানতে তিনি সর্বশক্তি নিয়োগ করেছিলেন। ওড়িশার বালেশ্বরে বুড়িবালাম নদীর তীরে মাত্র চার জন সঙ্গী নিয়ে তিনি ব্রিটিশ পুলিশের বিরুদ্ধে অকুতোভয় লড়াইRead More →

আপনি আমাকে রয়্যাল হাইনেস বলতে পারেন — গান্ধিজিকে বলেছিলেন ডাঃ বিধানচন্দ্র রায়

গান্ধিজি একবার ডাঃ বিধানচন্দ্র রায়কে বলেছিলেন, “আপনি যুক্ত প্রদেশের (অধুনা উত্তরপ্রদেশ) গভর্নরের পদগ্রহণ করতে রাজি হলেন না। আমি ভেবেছিলাম, আপনাকে ‘ইওর এক্সেলেন্সি’ বলে ডাকার সুযোগ পাব। তা হতে দিলেন না”। মৃদু হেসে বিধানবাবু উত্তর দিয়েছিলেন, “আমি আপনাকে আরও ভালো বিকল্প দিতে পারি। আমি পদবীতে রায়। তাই আপনি আমাকে রয়্যাল বলতে পারেন। আরRead More →

শেষ জীবনে স্বামীজি মেতেছিলেন আদিবাসীদের সেবায়, রান্না করে তাঁদের খাইয়েও দিয়েছেন 

১৯০০ সালের ৯ ডিসেম্বর। বাইরের ঘুটঘুটে অন্ধকারে কনকনে ঠান্ডার দাপট সমানে চলছে। মঠের ব্রহ্মচারী ও সন্ন্যাসীরা তখন সবেমাত্র রাতের খাবার খেতে বসেছেন। বাগানের উড়ে মালি হাঁফাতে হাঁফাতে এসে খবর দিল এত রাতে ‘এক সাহেব আউচি’। এই রাতে কে সাহেব, কোথাকার সাহেব, কী জন্যই বা সাহেব এসব কথাবার্তায় যখন বেলুড় মঠRead More →