পাহিমাংদেহিমহালক্ষ্মী – দ্বিতীয় পর্ব

দ্বিতীয় পর্ব যজ্ঞবিদ্যা মহাবিদ্যা গুহ্যবিদ্যা চ শোভনা । আত্ম্যবিদ্যা চ দেবি বিমুক্তিফলদায়িনী ।।তিনি পদ্মাসনা , পদ্মহস্তা, দ্বিভুজা বা চতুর্ভুজা। মহামায়া ব্রহ্মময়ীর এক রূপ মহালক্ষ্মী কমলেকামিনী। শ্রীঃ কমলা বিদ্যা মাতা বিষ্ণুপ্রিয়া সতী । পদ্মালয়া পদ্মহস্তা পদ্মাক্ষী পদ্মসুন্দরী ।। ভূতানামীশ্বরী নিত্যা মতা সত্যাগতা শুভা । বিষ্ণুপত্নী মহাদেবী ক্ষীরোদতনয়া ক্ষমা ।। অনন্তলোকলাভা চ ভূলীলাRead More →

কোজাগরী লক্ষী পূজা

শুরুতেই সকল গুরূজন দের জানাই বিজয়ার প্রনাম |মা এর ভাসানে যখন মন বিষন্ন তখনই দেবী লক্ষ্মীর আগমন আমাদের মনে নতুন আসার আলো জ্বেলে যায়। এবার যদি দেবী লক্ষ্মীর আরাধনার কথা বলতে হয়, তবে বলি আমার মা বলেন লক্ষ্মী চঞ্চলা। তাই দেবী লক্ষ্মীর আরাধনা সিষ্টাচার মেনে করতে হয়,বিশেষত মেয়ে দের। আমাদেরRead More →

পাহিমাংদেহিমহালক্ষ্মী – প্রথম পর্ব

প্রথম পর্ব যা শ্ৰীঃ স্বয়ং সুকৃতিনাং ভবনেষ্বলক্ষ্মীঃ পাপাত্মনাং কৃতধিয়াং হৃদয়েসু বুদ্ধিঃ।। শ্রদ্ধা সতাং কুলজনপ্রভবস্য লজ্জাতাং ত্বাং নতাঃ স্ম পরিপালয় দেবি! বিশ্বম্।।যে দেবী পুণ্যবান্ ব্যক্তিগণের গৃহে লক্ষ্মী স্বরূপিণী এবং পাপীগণের গৃহের অলক্ষ্মী রূপিণী , যাঁদের মন নির্মল সেই ব্যক্তিদের বুদ্ধি , বিদ্যা স্বরূপিণী , যাঁরা সৎ তাঁদের হৃদয়ে দৃঢ় বিশ্বাস স্বরূপিণীRead More →

শুভ বিজয়া 

‘ওঁ দেবি ত্বং জগতাং মাতঃ স্বস্থানং গচ্ছ পূজিতে।  সংবত্সর ব্যতিতে তু পুনরাগমনায় চঃ।’ বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গোৎসব। দেবী দুর্গা আদ্যাশক্তি মহামায়া জগৎ জননী। অশুভ শক্তিধর অসুরাধিপতি মহিষাসুরকে বধ করে তিনি শুভ শক্তির প্রতিষ্ঠা করেন। শ্রীশ্রীচণ্ডী থেকে পাই, ব্রহ্মার বরে বলীয়ান প্রবল ক্ষমতাশালী মহিষাসুর স্বর্গরাজ্য আক্রমণ করে দেব সৈন্যসমূহকে পরাজিত ওRead More →

সেই শ্বেত শুভ্র কোমল সুন্দর শিল্পের কথা – পঞ্চম পর্ব

পঞ্চম পর্ব বৈশ্য সমাজে প্রচলিত নৌকাপূজার জন্য বাণিজ্যের প্রতীক হিসাবে চিত্রিত এবং রঞ্জিত শোলার নৌকা প্রস্তুত হয়। শীতলা , মনসা ইত্যাদি পূজার জন্য কাগজের দোলা , নৌকা প্রভৃতি সামগ্রী মালাকারগণ প্রস্তুত করেন। প্রথমে বাঁশের বাতা দিয়ে কাঠামো প্রস্তুত করা হয় , তারপর ওই কাঠামোতে কাগজ সাঁটা হয়। কাগজে কখনো কখনোRead More →

সেই শ্বেত শুভ্র কোমল সুন্দর শিল্পের কথা – চতুর্থ পর্ব

চতুর্থ পর্ব পশ্চিমবঙ্গে সাধারণত দুরকমের শোলা গাছ পাওয়া যায়- ফুল শোলা এবং কাঠ শোলা। সাধারণত শোলা শিল্পে ফুল শোলার বহুল ব্যবহৃত হয়, কারণ এটি নরম বলে কাটতে এবং খোদাই কাজ করতে সুবিধা হয়। ভাদ্র/আশ্বিন মাসে শোলা কাটা হলেও ,অনেক জায়গায় দুর্গাপুজোর সময় দশমীর দিন থেকে নাকি শোলা কাটা শুরু করা হত-Read More →

সেই শ্বেত শুভ্র কোমল সুন্দর শিল্পের কথা – তৃতীয় পর্ব

তৃতীয় পর্ব কাগজের থেকেও হাল্কা যে বস্তুটি -তালপাতা , কাপড় বা কাগজের পরিবর্তে চিত্ররচনার জমি হিসাবে সর্বতোভাবে উপযুক্ত , তাহল শ্বেত শুভ্র শোলা। বঙ্গের সনাতন শিল্পধারায় শোলার দুটি শিল্পরূপ চোখে পড়ে , একটি চিত্রিত এবং অপরটি মন্ডিত। কাপ নামে পরিচিত রিলের মতো গোটানো শোলা স্বচ্ছন্দে কাগজের মতো ব্যবহার করা যায়।Read More →

সেই শ্বেত শুভ্র কোমল সুন্দর শিল্পের কথা – দ্বিতীয় পর্ব

দ্বিতীয় পর্ব মালাকার সম্প্রদায় পুষ্পজীবি। মালাকার জাতির কুলদেবী মালঞ্চী । মাঘ মাসের শুক্লা নবমীতে মালাকারগণ মালঞ্চী দেবীর পূজা করেন। এই দেবীর পূজায় বনফুল, লোধ্র , আটাং , পদ্মফুল দেবার রীতি আছে।  মালাকারগণ পুষ্পের আভরণের সঙ্গে শোলা দ্বারা নানা শৌখিন দ্রব্য প্রস্তুত করে। তাঁদের নির্মিত গহনা , ফুল, ফল, পাখী ,Read More →

সেই শ্বেত শুভ্র কোমল সুন্দর শিল্পের কথা – প্রথম পর্ব

প্রথম পর্ব তেমন কিছু নয় , শোলার ফুল চাঁদের আলোয় সত্যি মনে হয়           তেমন কোনো দোষদেখা হল না, এই যা আফশোস          ফুলের সোনায় জলজমেছে ভাই, এবার ফিরে চল         পাহাড়তলির পাড়াএখন ঘুমে, বাজাব একতারা         তেমন কোনো ভুলকোথায়Read More →

বঙ্গভঙ্গের কিছু ইতিহাস

“বাংলার মাটি, বাংলার জল, বাংলার বায়ু, বাংলার ফল;পূণ্য হউক, পূণ্য হউক, হে ভগবান।” ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর বাংলা তথা ভারতের ইতিহাসে এক ঐতিহাসিক দিন। সুপ্রাচীন বঙ্গভূমিকে দ্বিখণ্ডিত করার ব্রিটিশ সিদ্ধান্তকে কার্যকর করার জন্য বিল পাস করা হয়। সেই সময় ভাইসরয় ছিলেন লর্ড কার্জন (১৮৯৮ – ১৯০৫)। বঙ্গভঙ্গের প্রস্তাব প্রথম বিবেচিতRead More →