এদেশে প্রথম আধুনিক চামড়ার জুতোর পথ চলা শুরু হয়েছিল কোন্নগরের বাটা কারখানাতে

স্কুলের জন্য সাদা কেডস অথবা কালো নিউকাট, ঘরে পরার স্লিপার আর বিয়েবাড়িতে পরার জন্য একজোড়া হাইহিল, ছেলেদের জন্য বুট কিংবা বর্ষায় পরার কিটো, হরেক রকম জুতোর বাহার এখন বাঙালির ঘরে ঘরে। অথচ এমন একটা সময় ছিল, যখন খালি পায়ে গটগটিয়ে চলাই ছিল দস্তুর। কিন্তু ‘ধরণীর মলিন ধূলা’ থেকে পা দু’খানিকেRead More →

কেউ চিনলোই না ৮০-র দশকের বাংলা ডিস্কো জ্যাজ়ের এই গায়িকাকে

বাংলায় ডিস্কো জ্যাজ? ধুস্ ওসব আবার হয় না কি! যত্ত সব ঢপের কথা। গানবাজনা নিয়ে বাঙালির এই ধরনের সনাতনী ভাবমূর্তির জন্যই বোধহয় তাঁরা এখনও জানেন না রূপা বিশ্বাসের নাম। বাংলা ভাষায় ‘বুগি’ জঁরের গানবাজনা হতে পারে একথা এখনও ভাবতে শেখেননি বাঙালিরা, ৮০-র দশকের কথা বাদই দিলাম। কিন্তু, সেই সময়ই অভাবনীয় কাণ্ডটি ঘটিয়েছিলেনRead More →

সত্যজিৎ রায়ের আগেই প্রথম বাঙালি হিসেবে লে’জিয়ঁ দ’ন্যর পেয়েছিলেন যিনি

১৯২১ সালে চন্দননগরে নির্মিত হয়েছিল দুর্গাচরণ রক্ষিত ঘাট। যাঁর নামে এই ঘাটের নামকরণ, তিনি ইতিহাসের পাঠ্যপুস্তকে উপেক্ষিতই থেকে গেছেন। বেশিরভাগ বাঙালির একটা ভুল ধারণা আছে যে, ভারতীয়দের মধ্যে সর্বপ্রথম ফরাসি দেশের সর্বোচ্চ সম্মান লে’জিয়ঁ দ’ন্যর (Chevalier de legion d’Honour) সম্মান লাভ করেছিলেন নাকি সত্যজিৎ রায়। লে’জিয়ঁ দ’ন্যর প্রদানের রেওয়াজ চালুRead More →

হাজারেরও বেশি স্বয়ংসেবক এবং এবিভিপি কর্মকর্তারা সাহায্যের কাজে এগিয়ে আসলেন

ওড়িশার বালাসোরে গত ২রা জুন যা ঘটেছিল তা ছিলো কল্পনাতীতভাবে বিপর্যয়কর। দুর্ঘটনাস্থল থেকে প্রতি ঘণ্টায় মৃতের সংখ্যা বাড়ছে বলে দাবি করা হচ্ছিল। প্রধানমন্ত্রী, রেলমন্ত্রীসহ অন্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে দেখা করেন।সেই বগিগুলোর অবশিষ্টাংশে সম্ভব হলে একটি প্রাণও বাঁচানোর উদ্দেশ্যে উদ্ধার অভিযান চালানো হয়েছে। এইরকম ভয়ঙ্কর সময়ে, সংঘের স্বয়ংসেবকরাও দুর্ঘটনাস্থলে উপস্থিতRead More →

জেড+ নিরাপত্তার মাঝে রাজস্থানে পৌঁছালেন সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত

রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের প্রচলিত নিয়ম হল সরসঙ্ঘচালক প্রতি দুই বছর অন্তর প্রতিটি প্রান্তে সফরে যান। প্রান্ত হল সঙ্ঘের সাংগঠনিক বিভাগ যা প্রশাসনিক বিভাগ রাজ্যের সাথে তুলনীয়। তেমনই এক সফরে সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত আজ রাজস্থানের করৌলিতে পৌঁছালেন। সেখানে তিনি হিন্দাউন সিটি, বায়না মার্গে অবস্থিত আদর্শ বিদ্যা মন্দির স্কুলে চলা ‘সংঘ শিক্ষাRead More →

৫জুন , বিশ্ব পরিবেশ দিবসকে মনে রেখে

বৃক্ষের সমাদর করে প্রাচীন ভারতের শাস্ত্রকারেরা বলছেন, ‘এক বৃক্ষে দশ পুত্র সমাচরেৎ’। অর্থাৎ এক বৃক্ষ দশ পুত্রের সমতুল্য। বলেছেন, যে ব্যক্তি পথের ধারে, জলাশয়ের ধারে গাছ লাগাবে তার স্বর্গবাস নিশ্চিত, যতদিন সেই রোপিত বৃক্ষ ফল ও ছায়া দান করবে (পদ্মপুরাণ)। অগ্নিপুরাণে (২০৩/১৬) বলা হয়েছে বৃক্ষচ্ছেদন করলে বজ্রশস্ত্রে পড়তে হয় —Read More →

হ য ব র ল’ : মৃত্যুর কাছাকাছি এসে এমন রসিকতা আর কেউ করেননি

হাড় হিম করা মাঘের শীতেই জ্বরটা বাঁধিয়েছিলেন সুকুমার রায় (Sukumar Ray)। কালাজ্বর। ১৯২১ সালে সেই যে অসুস্থ হলেন, ১৯২৩ সাল পর্যন্ত তার যন্ত্রণা ভোগ করেছিলেন। দু’বছরব্যাপী যন্ত্রণার ভিতর তিনি যা যা লিখে গিয়েছিলেন, প্রায় সবই এমন হাস্যকর যে স্রেফ্‌ হেসে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। সুকুমার রায় ব্যক্তিটি কি নেহাৎই ‘ননসেন্স’ ছিলেন, না হলেRead More →

জগন্নাথের ৫০০ বছরের প্রাচীন স্নানযাত্রা গুপ্তিপাড়ায়

স্নানযাত্রা সম্পন্ন হল জগন্নাথের। সেই কবে থেকে স্নানযাত্রায় যাচ্ছেন জগন্নাথ। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে। পুরীর জগন্নাথ নয়, এই জগন্নাথ একান্তই বাংলার। আরো স্পষ্ট করে বললে হুগলীর গুপ্তপল্লীর। গুপ্তপল্লী নামটির সন্ধান মিলছে ‘মহাপুরুষচরিতম’ নামের গ্রন্থে। এই অঞ্চলের রূপ ছিল নাকি কুসুমদশনা ও নতুন দূর্বাদলের মতো সবুজ। ‘তস্মিন্ হুগলী প্রথিত বিষয়ে গুপ্তপল্লীতিRead More →

জীবনানন্দের পাশাপাশি নিজেও আগুনে পুড়ে শেষ হয়ে গেছিল ‘ঘাতক’ সেই ট্রাম

‘‘আমার মনে হয় জীবনানন্দ ঠিক ট্রাম দুর্ঘটনায় মারা যাননি। যদিও এই কথাটাই সর্বত্র বলা হয়ে থাকে, তথাপি আমার ধারণা তিনি আত্মহত্যা করেছেন।’’ লিখেছিলেন কবি সঞ্জয় ভট্টাচার্য। হাসপাতালে মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা করতে থাকা মানুষটা তাঁর হাত ধরেই একটা কমলালেবু খেতে চেয়েছিলেন। আটদিন অপেক্ষার পর অবশেষে তাঁকে নিয়ে গিয়েছিল মৃত্যু। ২২ অক্টোবর,Read More →

শান্তিপুরের ময়ূরপঙ্খি নাও এবং গান

“ আরে, ও কানাই, পার করে দে আমারেআজিকে মথুরার বিকি দান করিব তোমারেতুমি তো সুন্দর, কানাই, তোমার ভাঙা নাওকোথায় রাখব দইয়ের পশরা কোথায় রাখব পা…” দুলিয়ে দেওয়া সারি গান। এই গানগুলি বাংলার চির সম্পদ। আশুতোষ ভট্টাচার্য ‘বাংলার লোকসাহিত‍্য’ বইতে সারি গানের উল্লেখ করেছেন। কৃষ্ণবিলাস, কৃষ্ণযাত্রা-তেও এই ধরনের গানের উল্লেখ আছে। নৌকাবাইচের সময়Read More →