ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগেই নিরাপত্তা জোরদার করতে তৎপর জাতীয় নির্বাচন কমিশন। সোমবার দুপুরে বিশেষ ট্রেনে করে ১১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা খড়্গপুর রেল স্টেশনে এসে পৌঁছান। জেলা পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা স্টেশনে উপস্থিত থেকে তাঁদের স্বাগত জানান।
গোলাপ দিয়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা ও কর্মপরিকল্পনা
খড়্গপুর স্টেশনে বাহিনীর জওয়ানরা পৌঁছালে এক সৌজন্যমূলক পরিবেশের সৃষ্টি হয়। খড়্গপুর টাউন থানার আইসি পার্থ সারথি পাল-সহ অন্যান্য পুলিশ আধিকারিকরা জওয়ানদের গোলাপ ফুল দিয়ে স্বাগত জানান। স্টেশন চত্বর থেকেই পুলিশ প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে বাস, ট্রাক ও পিকআপ ভ্যানে করে জওয়ানদের জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।
এরিয়া ডমিনেশন ও রুট মার্চ
পুলিশ সূত্রে খবর, সোমবার থেকেই শহর ও তৎসংলগ্ন এলাকাগুলোতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা রুট মার্চ বা টহলদারি শুরু করবেন।
- স্পর্শকাতর বুথ: জেলার স্পর্শকাতর এলাকাগুলো চিহ্নিত করে সেখানে বিশেষ নজরদারি চালানো হবে।
- সমন্বয়: নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা রুখতে জেলা পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী সমন্বয় রেখে কাজ করবে।
- উদ্দেশ্য: মূলত ভোটারদের আত্মবিশ্বাস বাড়ানো এবং এলাকায় আধিপত্য (Area Dominance) বজায় রাখাই এই আগাম মোতায়েনের মূল লক্ষ্য।
নিরাপত্তার শক্তি বৃদ্ধি
উল্লেখ্য, এর আগেই পশ্চিম মেদিনীপুরে এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। নতুন করে আরও ১১ কোম্পানি আসায় জেলায় বাহিনীর মোট শক্তি বৃদ্ধি পেল। প্রশাসনের মতে, এর ফলে গ্রামীণ ও শহর—উভয় অঞ্চলেই সমানভাবে নজরদারি চালানো সম্ভব হবে।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, আসন্ন সপ্তাহগুলোতে রাজ্যের অন্যান্য জেলাতেও ধাপে ধাপে আরও কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে পৌঁছাবে।

