ব্যাপক হারে নামের বাংলা বানান ভুল হওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তবে এর সপক্ষে তাদের যুক্তিগুলি হলো:
- প্রযুক্তিগত সমস্যা: কমিশন জানিয়েছে, সফটওয়্যারের যান্ত্রিক গোলযোগের কারণে ইংরেজি থেকে বাংলায় রূপান্তরের সময় এই ভুলগুলি হয়েছে।
- ইংরেজি সংস্করণের গুরুত্ব: কমিশনের এক আধিকারিকের মতে, ভোটার তালিকার ইংরেজি সংস্করণ দেখাই নিয়ম। প্রান্তিক মানুষের সুবিধার্থে আঞ্চলিক ভাষা ব্যবহার করা হলেও ইংরেজি বানানকেই চূড়ান্ত ধরা উচিত।
- পুরনো ভুল: কমিশনের দাবি, নতুন ভোটারদের ক্ষেত্রে ভুল কম। ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় থাকা পুরনো ভুলগুলিই এবারের তালিকায় থেকে গিয়েছে।
সাধারণ মানুষের ভোগান্তি ও গাফিলতির অভিযোগ
শুধু বিচারপতি নন, রাজ্যের অগণিত সাধারণ ভোটারের নামের বানানেও ভুল রয়েছে। এমনকি খোদ কমিশনের এক আধিকারিকের নামও ভুল লেখা হয়েছে।
জনসাধারণের প্রতিক্রিয়া:
১. বেহালার এক বাসিন্দা জানিয়েছেন, তাঁর নতুন ভোটার কার্ডে বাংলা নামের জায়গায় শুধু ‘র’ লেখা এসেছে।
২. অনেকেরই প্রশ্ন, বিএলও (BLO)-রা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ফর্ম সংগ্রহ করার পরেও কেন এই তথ্যগত ভুল থেকে যাচ্ছে?
৩. অভিযোগ উঠেছে যে, কমিশন মানুষের দেওয়া তথ্যের চেয়ে প্রযুক্তির ওপর বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়ায় এই ধরণের ভ্রান্তির হার বাড়ছে।
এক নজরে বিতর্কিত বিষয়গুলি
| বিষয় | বিবরণ |
| কেন্দ্রীয় চরিত্র | সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী। |
| ত্রুটির ধরণ | ইংরেজি বানান সঠিক, কিন্তু বাংলা বানান ভুল ও উচ্চারণ অযোগ্য। |
| কমিশনের সাফাই | প্রযুক্তিগত ত্রুটি (Technical Glitch)। |
| মূল সমস্যা | নতুন এপিক (EPIC) কার্ডেও ভুলের প্রতিফলন ঘটছে। |

