মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের 5G-র নতুন তরঙ্গদৈর্ঘ্যে বিমান পরিষেবা ভেঙে পড়ার আশঙ্কা

নতুন তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ফাইভ জি পরিষেবা শুরুর আগে সেদেশের বিমান পরিবহণ ব্যবস্থা ভেঙে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিমানসংস্থাগুলি। বুধবার থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চালু হতে যাচ্ছে সি ব্যান্ড ফাইভ জি পরিষেবা শুরু করতে চলেছে মার্কিন মোবাইল পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থা ভ্যারিজন ও এটি অ্যান্ড টি। এই তরঙ্গদৈর্ঘ্যের জেরে অবতরণের সময় বিমানের যন্ত্রাংশ বিভ্রান্ত হতে পারে বলে অনুমান বিমানসংস্থাগুলির। ইতিমধ্যে সেকথা জানিয়ে মার্কিন পরিবহণসচিবকে চিঠি দিয়েছে তারা।

মার্কিন বিমানসংস্থাগুলির তরফে জানানো হয়েছে, নতুন তরঙ্গদৈর্ঘ্যে জেরে বহু বিমানের অবতরণে প্রভাব পড়তে পারে। অবতরণের সময় বিমান উচ্চতা মাপার জন্য যে যন্ত্র ব্যবহার করে ফাইভ জির জেরে তা বিভ্রান্ত হতে পারে। এতে ভয়াবহ প্রভাব পড়তে পারে মার্কিন বিমান পরিষেবায়। ধাক্কা খেতে পারে অর্থনীতি। বিদেশের মাটিতে আটকে পড়তে পারেন মার্কিন নাগরিকরা। রানওয়ে থেকে অন্তত ৩.৭ কিলোমিটার নতুন ফাইভ জি তরঙ্গ ব্যবহার না করার অনুরোধ জানিয়েছে তারা। চিঠি দিয়েছেন মার্কিন পরিবহণসচিবকে।ট্রেন্ডিং স্টোরিজ

যদিও মার্কিন অসামরিক বিমান পরিবহণ নিয়ামক সংস্থা এফএএ জানিয়েছে, যে ৮৮টি বিমান বন্দররের আসেপাশে ফাইভ জি লঞ্চ হচ্ছে তার মধ্যে ৪৮টিতে প্রভাব পড়তে পারে।

বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, ইউরোপের বিভিন্ন দেশে রানওয়ের কাছে ফাইভ জি প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। সেখানে এখনো বিমান চলাচলে প্রভাব পড়েনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.