Government Hospital: সরকারি হাসপাতালের ICU-র এই হাল! জটিল রোগে প্যারালাইসিস রোগীর চোখে কামড় ইঁদুরের

সরকারি হাসপাতালের এমনই দুর্দশা যে আইসিউতে অবাধে বিচরণ করছে ইঁদুর। শুধু তাই নয়, সেই ইঁদুর রোগীর চোখে কামড় বসিয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে রাজস্থানের কোটায়। কোটার এমবিএস হাসপাতালের স্ট্রোক ইউনিটে ভর্তি এক মহিলার চোখ ইঁদুর কামড় বসিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি গণমাধ্যমের সামনে আসতেই হাসপাতাল প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করে। জানা গিয়েছে,

জানা গিয়েছে, ২৮ বছর বয়সি যুবতী গত ৪৬ দিন ধরে এমবিএস হাসপাতালের নিউরো স্ট্রোক ইউনিটে ভর্তি ছিলেন। তাঁর সারা শরীর অবশ। প্যারালাইসিসের কারণে তিনি শরীরের কোনও অংশ নাড়াতে পারেন না। কথাও বলতে পারে না। মহিলার স্বামী দেবেন্দ্র সিং ভাটি বলেছেন যে সোমবার গভীর রাতে তিনি তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে আইসিইউতে ছিলেন। এই সময় ইঁদুরটি তাঁর স্ত্রীর ডান চোখের চোখের পাতায় ছিটকে পড়ে। স্ত্রী সামান্য নড়াচড়া করে ঘাড় নাড়ানোর চেষ্টা করেন। ততক্ষণে স্বামী দেখতে পান, তাঁর স্ত্রীর চোখ দিয়ে রক্ত পড়ছে। তা দেখে এই বিষয়টি তিনি চিকিৎসকদের জানান।

এই বিষয়ে এমবিএস হাসপাতালের ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট ডঃ সমীর ট্যান্ডন জানান, নিউরো স্ট্রোকের আইসিইউতে থাকা রোগীকে ইঁদুর কামড়েছে কি না, সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, এটা হাসপাতাল ব্যবস্থাপনার দোষ কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি মন্তব্য করেন, ‘রোগীর স্বজনদেরও আইসিইউতে প্রবেশ থাকে।’ এই বলে তিনি দায় ঝাড়ার চেষ্টা করেন। সুপারের বক্তব্য, স্বামী যখন সেখানে উপস্থিত ছিলেন, তখন তাঁরও দায়িত্ব ছিল স্ত্রীর প্রতি। তিনি বলেন, ‘আমরা বলতে পারি না যে এতে আমাদের দোষ নেই। এ বিষয়ে ওয়ার্ড ইনচার্জদের কাছ থেকে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। তাঁদের গাফিলতি সামনে এলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এদিকে বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর সংবাদমাধ্যমকে অন্যান্য রোগী ও তাঁদের স্বজনরা জানান, হাসপাতালের অনেক জায়গায় ইঁদুর দেখা যায়। প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানানো হলেও কোনও কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্ণপাত করেননি। রোগীরা আরও বলেন যে তাঁদের জন্য যে খাবার আসে তা প্রায়শই ইঁদুর খেয়ে নেয়। হাসপাতালের আইসিইউ ওয়ার্ডেও অনেকবার ইঁদুর দেখা গিয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.