RCB vs KKR: শাকিবদের স্পিনের জাল থেকে ‘অল-রাউন্ডার’ নারিন – কোন ৬ কারণে প্লে-অফে জিতল KKR?

1/6দারুণ প্রত্যাবর্তন : পাওয়ার প্লে-তে দুর্দান্ত শুরু করেছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। ছ’ওভারে উঠে গিয়েছিল ৫৭ রান। হারিয়েছিল মাত্র এক উইকেট। সেই অবস্থা থেকে দুরন্ত প্রত্যাবর্তন করেন নাইটরা। শারজার তুলনামূলকভাবে ভালো পিচে বিরাট কোহলিদের মাত্র ১৩৮ রানে বেঁধে রাখেন। (ছবি সৌজন্য পিটিআই)

সুনীল নারিনের অসামান্য বোলিং : প্লে-অফের বদনাম ঘোচালেন নাইট তারকা। এলিমিনেটরে চার উইকেট দিয়ে একাই রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের (আরসিবি) মেরুদণ্ড ভেঙে দেন। আউট করেন কে এস ভরত, বিরাট, এবি ডি'ভিলিয়ার্স এবং গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকে। চার ওভারে ২১ রান দিয়ে চার উইকেট নেন। সেই ধাক্কা সামলে উঠতে পারেননি বিরাটরা। (ছবি সৌজন্য পিটিআই)
2/6সুনীল নারিনের অসামান্য বোলিং : প্লে-অফের বদনাম ঘোচালেন নাইট তারকা। এলিমিনেটরে চার উইকেট দিয়ে একাই রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের (আরসিবি) মেরুদণ্ড ভেঙে দেন। আউট করেন কে এস ভরত, বিরাট, এবি ডি’ভিলিয়ার্স এবং গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকে। চার ওভারে ২১ রান দিয়ে চার উইকেট নেন। সেই ধাক্কা সামলে উঠতে পারেননি বিরাটরা। (ছবি সৌজন্য পিটিআই)
কেকেআরের স্পিনিং ত্রয়ী : ১২ ওভারে মাত্র ৬৫ রান দিয়েছেন কেকেআরের তিন স্পিনার। যা কেকেআরের দিকে ম্যাচ ঘুরিয়ে দেয়। ম্যাচের পর তা স্বীকারও করে নেন বিরাট। (ছবি সৌজন্য পিটিআই)
3/6কেকেআরের স্পিনিং ত্রয়ী : ১২ ওভারে মাত্র ৬৫ রান দিয়েছেন কেকেআরের তিন স্পিনার। যা কেকেআরের দিকে ম্যাচ ঘুরিয়ে দেয়। ম্যাচের পর তা স্বীকারও করে নেন বিরাট। (ছবি সৌজন্য পিটিআই)
কেকেআরের ওপেনিং জুটি : ছোটো রান তাড়া করতে হলেও ওপেনিং জুটি খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। যে পরীক্ষায় উতরে যান শুভমন গিল এবং ভেঙ্কটেশ আইয়ার। প্রথম উইকেটে ৪১ রান জোড়েন তাঁরা। শুভমন করেন ১৮ বলে ২৯ রান। যা কেকেআরের ভিত গড়ে দিয়েছিল। (ছবি সৌজন্য আইপিএল)
4/6কেকেআরের ওপেনিং জুটি : ছোটো রান তাড়া করতে হলেও ওপেনিং জুটি খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। যে পরীক্ষায় উতরে যান শুভমন গিল এবং ভেঙ্কটেশ আইয়ার। প্রথম উইকেটে ৪১ রান জোড়েন তাঁরা। শুভমন করেন ১৮ বলে ২৯ রান। যা কেকেআরের ভিত গড়ে দিয়েছিল। (ছবি সৌজন্য আইপিএল)
নারিনের ধামাকাদার ইনিংস : স্নায়ুর চাপ বাড়ছিল। কিছুটা ঝুঁকি নিচ্ছিলেন নীতিশ রানা। নাইটদের সেই স্নায়ুর চাপ কমিয়ে দেন নারিন। পাঁচে নেমে প্রথম তিন বলে তিন ছক্কা মারেন। শেষপর্যন্ত ১৫ বলে ২৬ রান করেন। যে ইনিংস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। (ছবি সৌজন্য আইপিএল)
5/6নারিনের ধামাকাদার ইনিংস : স্নায়ুর চাপ বাড়ছিল। কিছুটা ঝুঁকি নিচ্ছিলেন নীতিশ রানা। নাইটদের সেই স্নায়ুর চাপ কমিয়ে দেন নারিন। পাঁচে নেমে প্রথম তিন বলে তিন ছক্কা মারেন। শেষপর্যন্ত ১৫ বলে ২৬ রান করেন। যে ইনিংস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। (ছবি সৌজন্য আইপিএল)
শাকিব আল হাসান এবং ইয়ন মর্গ্যানের ইনিংস : ১৪ বলে ১৩ রান বাকি। হাতে পড়ে চার উইকেট। সেই সময় রীতিমতো চাপে পড়ে গিয়েছিল কেকেআর। সেখান থেকে নিজেদের যাবতীয় অভিজ্ঞতা কাজে লাগান শাকিব এবং মর্গ্যান। শেষপর্যন্ত ছয় বলে ন'রানে অপরাজিত থাকেন বাংলাদেশের তারকা ক্রিকেটার। অপরাজিত থাকেন মর্গ্যানও। (ছবি সৌজন্য আইপিএল)
6/6শাকিব আল হাসান এবং ইয়ন মর্গ্যানের ইনিংস : ১৪ বলে ১৩ রান বাকি। হাতে পড়ে চার উইকেট। সেই সময় রীতিমতো চাপে পড়ে গিয়েছিল কেকেআর। সেখান থেকে নিজেদের যাবতীয় অভিজ্ঞতা কাজে লাগান শাকিব এবং মর্গ্যান। শেষপর্যন্ত ছয় বলে ন’রানে অপরাজিত থাকেন বাংলাদেশের তারকা ক্রিকেটার। অপরাজিত থাকেন মর্গ্যানও। 

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.