রিপোর্টে জানা গিয়েছে, ২০১০ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত চিনে বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ০.৫%। তুলনায় গত নয় বছরে ভারতে জনসংখ্যা বেড়েছে বছরে গড়ে ১.২%। ২০১৯ সালে ভারতের মোট জনসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩৬ কোটিতে, যা চিনের চেয়ে মাত্র ৬ কোটি কম।

হাইলাইটস

  • ১৯৬৯ সালে ভারতে মহিলাপিছু মোট সন্তান উৎপাদনের হার ছিল ৫.৬, যা ১৯৯৪ সালে এে দাঁড়ায় ৩.৭ এবং ২০১৯ সালে এসে দাঁড়িয়েছে ২.৩ টিতে।
  • ১৯৬৯ সালে জনপ্রতি গড় আয়ু ছিল ৪৭ বছর, যা ১৯৯৪ সালে বেড়ে ৬০ বছর হয় এবং ২০১৯ সালে গড় আয়ুর সীমা পৌঁছেছে ৬৯ বছরে।

মাত্র নয় বছরে ভারতে জনসংখ্যা বেড়েছে বছরে গড়ে ১.২%, যা চিনের তুলনায় দু’ গুণেরও বেশি। সম্প্রতি এমনই তথ্য জানা গিয়েছে রাষ্ট্রপুঞ্জের জনসংখ্যা তহবিল সূত্রে। 

২০১৯ সালে রাষ্ট্রপুঞ্জের তৈরি বিশ্বের জনসংখ্যার হিসেব সংক্রান্ত রিপোর্টে জানা গিয়েছে, ২০১৯ সালে ভারতের মোট জনসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩৬ কোটিতে। রিপোর্টে আরও জানা গিয়েছে যে, ১৯৯৪ সালে দেশের জনসংখ্যা ছিল ৯৪.২২ কোটি এবং ১৯৬৯ সালে তা ছিল ৫৪.১৫ কোটি। 

অন্য দিকে, ২০১৯ সালে চিনের জনসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪২ কোটিতে। ১৯৯৪ সালে ১২৩ কোটি এবং ১৯৬৯ সালে তা ছিল ৮০.৩৬ কোটি। রাষ্ট্রপুঞ্জের হিসেব অনুযায়ী, ২০১০ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত দেশের বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার মাত্র ০.৫%। 

রিপোর্ট বলছে, ভারতের জনসংখ্যার ২৭% ০-১৪ বছর ও ১০-২৪ বছর বয়সসীমার অন্তর্ভুক্ত। ৬৭% জনসংখ্যা পড়ছে ১৫-৬৪ বছর বয়সের মধ্যে। ৬৫ বছর ও তদূর্ধ্ব বয়েসি নাগরিকের সংখ্যা ৬%।

হিসেব অনুযায়ী, ১৯৬৯ সালে ভারতে মহিলাপিছু মোট সন্তান উৎপাদনের হার ছিল ৫.৬, যা ১৯৯৪ সালে এে দাঁড়ায় ৩.৭ এবং ২০১৯ সালে এসে দাঁড়িয়েছে ২.৩ টিতে। দেশে গড় আয়ুর হার অনেক বেড়েছে। ১৯৬৯ সালে এই হার ছিল ৪৭ বছর এবং ১৯৯৪ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৬০ বছরে। ২০১৯ সালে দেশের জনপ্রতি গড় আয়ুর সীমা পৌঁছেছে ৬৯ বছরে। 

শুধু তাই নয়, রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্ট অনুযায়ী, ১৯৯৪ সালে প্রসবকালীন শিশুমৃত্যুর হার ছিল প্রতি ১ লক্ষ নবজাতকের মধ্যে ৪৮৮টি। ২০১৫ সালে এই হার কমে দাঁড়ায় প্রতি ১ লক্ষ নবজাতকের মধ্যে ১৭৪টিতে

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.