“নিয়মিত হিন্দুমন্ত্র পাঠ করলে বৃদ্ধি হয় মস্তিষ্কের ক্ষমতা”- বহুবছর গবেষণার পর স্বীকার করলো AIIMS

হিন্দুদের পবিত্র ভূমি ভারত দেশ , ভারতে বহুযুগ ধরে এমন এমন ঋষিমুনিরা জন্ম নিয়েছেন যারা সমাজকে শক্তিশালী, বুদ্ধিমত্তা করার জন্য বিভিন্ন মন্ত্র দিয়ে গিয়েছেন। যদিও মন্ত্রের সঠিক ব্যবহার এখন বেশিরভাগ মানুষ ভুলে গেছেন, এই কারণে অনেকে হিন্দু মন্ত্রকে কুসংস্কার তমকাও দিয়ে দেন। তবে সম্প্রতি এমন এক রিসার্চ সামনে এসেছে যারপর যে কোনো ভারতীয়র বুক গর্বে ফুলে উঠবে। আসলে AIIMS এর রিসার্চে সামনে এসেছে হিন্দু মন্ত্রের মধ্যে অলৌকিক শক্তি নিহিত রয়েছে। বহু বছর ধরে গবেষণা করার পর AIIMS এর বিজ্ঞানী ও ডক্টররা এটা মেনে নিয়েছেন যে গায়িত্রী মন্ত্র নিয়মিত পাঠ করে নিজের বুদ্ধির বিকাশ করা সম্ভব। AIIMS তাদের গবেষণায় MRI তদন্ত করে এটা নিশ্চিত করেছে যে হিন্দু মন্ত্র পাঠ করে মাথার শক্তি, ক্ষমতা বৃদ্ধি করা সম্ভব।

গায়িত্রী মন্ত্র ঋকবেদের একটা শ্লোক যা হাজার বছরের পুরনো বৈদিক মন্ত্র। এই মন্ত্রের রচনা ত্রেতা যুগে ঋষি বিশ্বমিত্র করেছিলেন। ভারত ও ভারতের বাইরের বিদ্যমান ব্যাক্তিরা গায়িত্রী মন্ত্রকে সবথেকে প্রভাবশালী মন্ত্রের মধ্যে একটা মনে করেন। AIIMS ১৯৯৮ সাল থেকে গায়েত্রী মন্ত্রের উপর লাগাতার গবেষণা করছে। সর্বপ্রথম AIIMS এর চিকিৎসকরা ২৫-৩০ বছরের পুরুষদের মধ্যে ৯ মাস ধরে এই গবেষণা চালিয়েছিল যার অধ্যয়ন ৫ বছর ধরে করা হয়েছিল। শেষ মেস এত বছর ধরে সমস্থকিছুর পর্যালোচনা করে AIIMS তাদের ঘোষণা করেছে।

মাথার মধ্যে থাকা Prefrontal Cortex এর উপর এই গবেষণা করা হয়েছিল। এই জন্যে দুই গ্রপ করা হয়েছিল, এক দল প্রতিদিন ১০৮ বার গায়েত্রী মন্ত্র পাঠ করতো অন্য দল গায়েত্রী মন্ত্র পাঠ করতো না। যে গ্রুপ মন্ত্র পাঠ করেছিল তাদের মস্তিষ্কে সক্রিয়তা অনেক বেশি বেড়েছিল এবং একইসাথে বুদ্ধির বিস্তার গায়েত্রী মন্ত্র পাঠ না করা ব্যাক্তিদের থেকে বেশি হয়েছিল। AIIMS এর মত অনুযায়ী যদি নিয়মিত এই মন্ত্র পাঠ করা হয় তাহলে মস্তিষ্কের চেতনা ও কার্যশক্তি বৃদ্ধি পায়।

জানিয়ে দি, ভারতের অনেক হিন্দু স্বামীজি আগে থেকেই গায়েত্রী মন্ত্রের ব্যাপারে এই দাবি করে এসেছেন। কিন্তু কিছু বামপন্থী ও বুদ্ধিজীবী হিন্দু মন্ত্রের বিরোধ করতো।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.