টিকার জোগান নেই রাজ্যে, আপাতত শুধুমাত্র দ্বিতীয় ডোজ, প্রথম ডোজ শুধু স্বাস্থ্যকর্মী, জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত এবং ৪৫ ঊর্ধ্বদের

দাবানলের গতিতে ছড়াচ্ছে সংক্রমণ। পাল্লা দিয়ে বাড়েছে মৃত্যুও। অথচ হাতে নেই যথেষ্ট পরিমাণ টিকা। তাই যাঁদের দ্বিতীয় ডোজ নেওয়া বাকি, আপাতত তাঁদেরই প্রাধান্য দেওয়া হবে রাজ্যে। কেন্দ্রীয় নির্দেশ মেনে শনিবার এমনই নির্দেশিকা প্রকাশ করল রাজ্য স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতর। তবে স্বাস্থ্যকর্মী, জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত এবং ৪৫ ঊর্ধ্ব মানুষজন, যাঁরা এখনও প্রথম ডোজ নেননি, তাঁরা এখন গেলেও টিকা পাবেন।

বাংলায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের দায়িত্ব সামলান। কেন্দ্রীয় নির্দেশের উল্লেখ করে শুক্রবার তাঁর দফতর থেকে একটি নির্দেশিকা প্রকাশ করা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, প্রথম ডোজ নিলেও এখনও পর্যন্ত যাঁরা দ্বিতীয় ডোজ নেননি, কোভিডের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে আপাতত তাঁদের টিকাকরণ সম্পূর্ণ করতে নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।

কেন্দ্রের নির্দেশ তুলে ধরে রাজ্য সরকার আরও জানিয়েছে যে, স্বাস্থ্যকর্মী এবং জরুরি পরিষেবায় যুক্তদের ক্ষেত্রে সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকি বেশি। একই কথা প্রযোজ্য ৪৫ বছরের বেশি বয়সি মানুষদের ক্ষেত্রে। তাঁদের এখনও প্রথম ডোজ দেওয়া যেতে পারে। সেই মতোই বিনামূল্যে টিকা পাঠাবে কেন্দ্র।

কলকাতা পুরসভা এবং সমস্ত জেলাকে কেন্দ্রের এই নির্দেশই মেনে চলতে নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার। বলা হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত এর অন্যথা না করতেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। টিকা হাতে পেলে তবেই তৃতীয় পর্যায়ে ১৮ থেকে ৪৫ বছর বয়সিদের টিকাকরণ শুরু হবে। তাই আপাতত প্রথম বিভাগের অন্তর্ভুক্ত মানুষেরই টিকাকরণ চলবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.