বিজেপির এই ‘পরিবর্তন যাত্রা’র উদ্বোধন করতে পর পর দু’দিনে ভিন রাজ্য থেকে আসছেন ন’জন প্রভাবশালী কেন্দ্রীয় নেতা ও মন্ত্রী। পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ইতিহাসে ন’টি ভিন্ন প্রান্ত থেকে একযোগে এমন কর্মসূচি আগে দেখা যায়নি।
- প্রচার মাধ্যম: যাত্রার থিম সং সম্বলিত একটি টিজার এবং ভিডিও বার্তা প্রকাশ করা হয়েছে যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।
- কলকাতা কৌশল: মহানগরীর ২৯টি বিধানসভা কেন্দ্রে মূল ‘যাত্রা’ না হলেও, ট্যাবলোর মাধ্যমে প্রচার চালানো হবে। ছোট ছোট পথসভা ও মিছিলের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে প্রধানমন্ত্রীর ব্রিগেড সমাবেশে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানানো হবে।
- চূড়ান্ত লক্ষ্য: এই দীর্ঘ যাত্রার পরিসমাপ্তি ঘটবে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে ব্রিগেডের মেগা সমাবেশে।
হাই কোর্টের শর্ত ও বিজেপির অবস্থান
এদিন কলকাতা হাই কোর্ট শর্তসাপেক্ষে বিজেপির এই কর্মসূচিতে অনুমতি প্রদান করেছে। আদালতের নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে:
১. কোনোভাবেই জমায়েত ১,০০০ জনের বেশি হতে পারবে না।
২. কর্মসূচির জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা মেনে চলতে হবে।
বিজেপির পরিকল্পনা অনুযায়ী ৬৪টি বড় সভা এবং ন’টি উদ্বোধনী সমাবেশের লক্ষ্য থাকলেও আদালতের এই কড়া নির্দেশ কীভাবে পালন করা হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এর জবাবে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “আমরা আদালতের নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলব। তবে মানুষ যদি ভালোবেসে স্বতঃস্ফূর্তভাবে কর্মসূচিতে শামিল হন, সেক্ষেত্রে আমাদের কিছু করার থাকবে না।”
এক নজরে ‘পরিবর্তন যাত্রা’
| বিভাগ | তথ্য |
| সূচনা | রবিবার (১লা মার্চ) |
| কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব | ৯ জন ওজনদার নেতা-মন্ত্রী |
| বড় সভার সংখ্যা | ৬৪টি (যাত্রাপথে) |
| প্রধান মুখ | শমীক ভট্টাচার্য, শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদার |
| আদালতের শর্ত | সর্বাধিক ১,০০০ জনের জমায়েত |
রাজ্যের ‘অপশাসন’ এবং তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের ক্ষোভকে জনসমর্থনে বদলে দেওয়াই এই যাত্রার মূল লক্ষ্য বলে দাবি করেছেন বিজেপি নেতৃত্ব।

