হ য ব র ল’ : মৃত্যুর কাছাকাছি এসে এমন রসিকতা আর কেউ করেননি

হাড় হিম করা মাঘের শীতেই জ্বরটা বাঁধিয়েছিলেন সুকুমার রায় (Sukumar Ray)। কালাজ্বর। ১৯২১ সালে সেই যে অসুস্থ হলেন, ১৯২৩ সাল পর্যন্ত তার যন্ত্রণা ভোগ করেছিলেন। দু’বছরব্যাপী যন্ত্রণার ভিতর তিনি যা যা লিখে গিয়েছিলেন, প্রায় সবই এমন হাস্যকর যে স্রেফ্‌ হেসে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। সুকুমার রায় ব্যক্তিটি কি নেহাৎই ‘ননসেন্স’ ছিলেন, না হলেRead More →

জগন্নাথের ৫০০ বছরের প্রাচীন স্নানযাত্রা গুপ্তিপাড়ায়

স্নানযাত্রা সম্পন্ন হল জগন্নাথের। সেই কবে থেকে স্নানযাত্রায় যাচ্ছেন জগন্নাথ। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে। পুরীর জগন্নাথ নয়, এই জগন্নাথ একান্তই বাংলার। আরো স্পষ্ট করে বললে হুগলীর গুপ্তপল্লীর। গুপ্তপল্লী নামটির সন্ধান মিলছে ‘মহাপুরুষচরিতম’ নামের গ্রন্থে। এই অঞ্চলের রূপ ছিল নাকি কুসুমদশনা ও নতুন দূর্বাদলের মতো সবুজ। ‘তস্মিন্ হুগলী প্রথিত বিষয়ে গুপ্তপল্লীতিRead More →

জীবনানন্দের পাশাপাশি নিজেও আগুনে পুড়ে শেষ হয়ে গেছিল ‘ঘাতক’ সেই ট্রাম

‘‘আমার মনে হয় জীবনানন্দ ঠিক ট্রাম দুর্ঘটনায় মারা যাননি। যদিও এই কথাটাই সর্বত্র বলা হয়ে থাকে, তথাপি আমার ধারণা তিনি আত্মহত্যা করেছেন।’’ লিখেছিলেন কবি সঞ্জয় ভট্টাচার্য। হাসপাতালে মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা করতে থাকা মানুষটা তাঁর হাত ধরেই একটা কমলালেবু খেতে চেয়েছিলেন। আটদিন অপেক্ষার পর অবশেষে তাঁকে নিয়ে গিয়েছিল মৃত্যু। ২২ অক্টোবর,Read More →

শান্তিপুরের ময়ূরপঙ্খি নাও এবং গান

“ আরে, ও কানাই, পার করে দে আমারেআজিকে মথুরার বিকি দান করিব তোমারেতুমি তো সুন্দর, কানাই, তোমার ভাঙা নাওকোথায় রাখব দইয়ের পশরা কোথায় রাখব পা…” দুলিয়ে দেওয়া সারি গান। এই গানগুলি বাংলার চির সম্পদ। আশুতোষ ভট্টাচার্য ‘বাংলার লোকসাহিত‍্য’ বইতে সারি গানের উল্লেখ করেছেন। কৃষ্ণবিলাস, কৃষ্ণযাত্রা-তেও এই ধরনের গানের উল্লেখ আছে। নৌকাবাইচের সময়Read More →

প্লাস্টিকের খেলনা নয়, শিশুদের হাতে পৌঁছে যাক মাটির পুতুলের সম্ভার

ষষ্ঠী পুতুল মাস কয়েক আগের এক সকাল। শান্তিনিকেতন সংলগ্ন একটি সাঁওতাল গ্রাম-এর ভেতর দিয়ে হেঁটে আসার সময়ে গ্রামের বাইরের শালবনে এসে থমকে দাঁড়াই একটি দৃশ্য দেখে। এ গ্রামের শিশুরা সকলেই কমবেশি আমার চেনাজানা। দেখি, বনের ধারে সদ্য মঞ্জরিত শাল গাছের ছায়ায় ওরা খেলার আয়োজন করছে। মাটিতে সার বেঁধে সাজানো খেলারRead More →

কলকাতা ও সাইকেল

২০১৭ সালের জুন মাসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যখন নেদারল্যান্ড সফরে যান তখন ওই দেশের প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুট্টি তাঁকে একটি সাইকেল উপহার দেন। কারণ তিনি নিজেও সাইকেল চড়েই অফিসে যাতাযাত করেন। সেই উপহার এ দেশের প্রধানমন্ত্রীর কোনও কাজে লেগেছিল কিনা, তা আমরা জানি না। কথাটা এই কারণেই বললাম যে ২০১৭ সালRead More →

গিনসবার্গদের মতো হিপিরা এখনও দাপিয়ে বেড়াচ্ছে কলকাতায়! Up

হিপি, বিট-রা হল, জাঁ পল সার্ত্রর ‘নসিয়া’ (Nausea) গ্রন্থের সেই হতভাগ্য ‘হিউম্যানিস্ট’রা, যাঁদের প্রয়োজন আজকে ফুরিয়ে গেছে, যাঁরা চিরদিনের মতো নির্জনতার রাজ্যে প্রবেশ করেছে—হঠাৎই আজ তার সামনে সব ভেঙে পড়েছে, সংস্কৃতির সব স্বপ্ন, মানুষের সঙ্গে মানুষের পরিচয় ও প্রীতির সব স্বপ্ন (That poor humanist whom men don’t want any more…now heRead More →

কলকাতার ভূতেদের গাল-গল্প

ভূত শব্দটা শুনলে এখনও রক্ত হিম হয়ে আসে। কিংবা বুকের ধুকপুকানি বেড়ে যায়। ছোটোবেলায় দাদু ঠাকুমার মুখের গল্পই হোক কিংবা বড়োবেলায় শোনা কল্পকাহিনি – ভূত শব্দটার মধ্যে রয়েছে অজানা রহস্য। গা ছম ছম করা ভাব। অদৃশ্য, অলৌকিক, কাল্পনিক অবয়বটি কি আসলেই আছে! অনেকেই মনে করেন ভগবান যদি থাকে, তাহলে ভূতেরRead More →

এখনকার বাংলা ছবিতে ফেলুদা-ব্যোমকেশকে বারবার দরকার পড়ছে কেন

১৯৭৯ সালে মুক্তি পেয়েছিল সত্যজিৎ রায়ের ছবি ‘জয় বাবা ফেলুনাথ’। তার প্রায় ১৭ বছর পরে টেলিভিশনের পর্দার জন্য তাঁরই পুত্র সন্দীপ রায় বানান ‘বাক্স রহস্য’ (১৯৯৬)। সত্যজিৎ পরবর্তী সময় বাংলা চলচ্চিত্র জগৎ ভুলেই গিয়েছিল ছবি নির্মাণের জন্য বাংলায় বিশাল ও বিপুল সাহিত্য সম্ভার আছে। এখনকার বাঙালি সমাজ বুঝি তার মাসুল দিতে গিয়েRead More →

বড়োপর্দায় ফেলুদার ৫০ বছর : সৌমিত্রের পর ফেলু মিত্তির হতে পারতেন অমিতাভ বচ্চন

নাম প্রদোষ চন্দ্র মিত্র। ধাম, ২১ রজনী সেন রোড। এই দুটি বাক্যই যথেষ্ট বাঙালি পাঠকের মনে আলোড়ন সৃষ্টি করার। ১৯৬৫ সালে প্রথম আবির্ভাব হয় চরিত্রটির। কিন্তু সৃষ্টির এত বছর পরেও এই ব্যাচেলার গোয়েন্দা চরিত্রটির জনপ্রিয়তা কিন্তু মোটেই কমেনি। সত্যজিৎ রায়ের সৃষ্ট এক চরিত্র থেকে ধীরে ধীরে কিংবদন্তিতে পরিণত হয়েছে প্রদোষRead More →