৫৬ রকমের পাখি আজও দেখা যায় কলকাতায়

বসন্তবৌরি কলকাতার পাখি বলতে কোয়েল, দোয়েল, হাঁড়িচাচা, বউ কথা কও – এরা সবাই বাংলার পাখি। সুন্দর হলুদ পাখি বউ কথা কও-কে সেলিম আলি ‘বাংলার পাখি’ বলে উল্লেখ করেছেন, কারণ বাংলার নানা অঞ্চলে এদের বেশি পাওয়া যায়। নগরায়নের সঙ্গে সঙ্গে পাখি অনেক কমে গিয়েছে কলকাতায়। পাখিদের খাদ্য ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে স্থানRead More →

এমন এক মেয়ে যাকে আপাতত হেরে যেতে হল ফুটেজখোর এক নাটুকে ‘দেশ কি বেটি’র রাজনীতি আর তার সামনে ফেডারেশনের অসহায় আত্মসমর্পনের কাছে

চিনে রাখুন মেয়েটাকে। অন্তিম পাংগাল। আমাদেরই দেশের মেয়ে। এক বঞ্চিত হতভাগ্য মেয়ে। এমন এক মেয়ে যাকে আপাতত হেরে যেতে হল ফুটেজখোর এক নাটুকে ‘দেশ কি বেটি’র রাজনীতি আর তার সামনে ফেডারেশনের অসহায় আত্মসমর্পনের কাছে। বজরং আর ভিনেশ ফোগট সাম্প্রতিক আন্দোলনের মুখ ছিল। তাই তাদের এশিয়ান গেমসে ডাইরেক্ট পাঠাচ্ছে ব্রীজভূষণ পরবর্তীRead More →

রসিক বিল – পাখিদের স্বর্গরাজ্য   

মনে করুন, আপনি রয়েছেন নিরিবিলি কোনো ছায়াময় জগতে। পাখির কূজনে আপনার ঘুম ভাঙে সকালবেলা, রাতে তারায় ভরা আকাশের নিচে যখন শুতে যান, দূর থেকে ভেসে আসে পেঁচার অতিপ্রাকৃত ডাক। রূপকথার রাজ্য বলে মনে হচ্ছে কি? এমনই জায়গা আছে আমাদের বাংলায়। কোচবিহার জেলার রসিক বিল পাখিদের স্বর্গরাজ্য তো বটেই, ভ্রমণার্থীদেরও প্রিয় এক দর্শনীয়Read More →

৯০ বছরের বিরতি, বিরল প্রজাতির ‘মোনাল’ ফিরল দার্জিলিংয়ে

মাথায় ঝুঁটি, উজ্জ্বল নীলকণ্ঠী, রংবেরঙের পালকে ঢাকা সারা শরীর, তাতে আবার বর্ণময় কারুকাজ। যেন রংধনু খেলা করে সারা শরীরে। আমাদের জাতীয় পাখিটির (Bird) চেয়ে কোনও অংশে কম নন ইনি। স্থানীয়ভাষায় ‘মোনাল’ (Monal) নামেই বেশি পরিচিত এরা। দীর্ঘ ৯০ বছরের বিরতির পর দার্জিলিং-এর সিনচেল অভয়ারণ্যে (Sinchel forest at Darjeeling) দেখা মিললো বিরলRead More →

ফসল-মাছের সুরক্ষায় যথেচ্ছ ভাবে জালের ব্যবহার, প্রাণ কাড়ছে পাখি-পতঙ্গদের 

আধুনিক যুগে পুকুরের মাছ থেকে শুরু করে জমিতে ও বাগানে সবজি বা ফলের সুরক্ষার জন্য মাছ ধরার জালের ব্যবহার যথেচ্ছাচারে বেড়েছে। হনুমান, পাখিদের থেকে সবজি, ফল বা পুকুরের মাছ বাঁচাতে অবাধ জাল (Net) ব্যবহার হচ্ছে। অজান্তেই যে জালে জড়িয়ে পড়ছে পাখি-পতঙ্গরা। জালে জড়িয়ে বন্দী হলে কেউ কেউ তাদের মুক্ত করেRead More →

এখন তিন বছর হল শীত আসতেই পরিযায়ী পাখিরা উড়ে আসছে বাংলার প্রান্ত-প্রান্তরে

বার্ন স্যালো অনেকেই মনে করেন, বেশিরভাগ পরিযায়ী পাখি সাইবেরিয়া থেকে বাংলায় আসে। আকাশ জুড়ে ইংরেজি ‘ভি’ অক্ষরের আকারে ওড়ে এই পাখিরা। যদিও এই ধারণা পুরোপুরি সঠিক নয়। বেশ কিছু পাখি আসে ভারতের প্রতিবেশী দেশগুলি থেকেও। মাঠ জুড়ে ব্যাডমিন্টন ম্যাচ আর তরকারিতে কড়াইশুঁটির উপস্থিতি জানান দিচ্ছে, কলকাতায় শীত এসেছে। আর কিছুদিনRead More →

চশমা পাখি : উড়ে এসে জুড়ে বসে অন্য পাখি-শাবকদের খাবারও খাইয়ে দেয়

শীত এলেই বাংলার মাঠ-ঘাট-বনাঞ্চলের চেহারা পাল্টে যায়। পাখিদের নির্ভরযোগ্য আস্তানা হয়ে ওঠে কত কত গ্রাম-গঞ্জ। পাখিদের কথা না বললে অসম্পূর্ণ থেকে যায় বাংলার জীববৈচিত্র্য। যাঁদের কলতান শুনে ঘুম ভাঙলে সকালটা আরামের হয়ে ওঠে, গাছগাছালির সবুজে সবুজে প্রাণের স্পন্দন ঘটে। তাই পাখির প্রভাব বাংলা সাহিত্যের পাতাতেও। কাতারে কাতারে কত কত পাখিRead More →

কেশবচন্দ্র নাগ : অঙ্ক ভুল হলে মারধর নয়, কাগজ কেটে বুঝিয়ে দিতেন জটিল জ্যামিতি

“What is Mathematics? It is only a systematic effort of solving puzzles posed by nature.”— শকুন্তলাদেবী অঙ্ক। নাম শুনলে হৃদকম্প হয় না, এমন মানুষের সংখ্যা বোধহয় খুব বেশি নয়। “তেল মাখা বাঁশে, উল্লাসে, উঠেছে মাঙ্কি/ সে ব্যাটা চড়ছে ১৩ মিমি, তো পড়ছে ১৪ কিমি, ভাঙবে ঠ্যাং কি?” এর উত্তর খুঁজতেRead More →

দুর্গাদাস হতে চাইতেন উত্তমকুমারও 

দুর্গাদাসকে নিয়ে আছে কত না মজার ঘটনা, তারই একটি ১৯৩৯ সালের কথা। বিহারের পাটনা রেল স্টশন। পাটনা থেকে কলকাতায় আসবেন তখনকার মহানায়ক দুর্গাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়। রেল কর্মচারীরা তাকে বললেন, বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ফজলুল হক সাহেব কলকাতা যাবেন, আপনার কামরায় তুলে দিই। দুর্গাদাস বললেন, এ কামরা তো আমি রিজার্ভ করেছি।। শুনুন, ফজলুল হকRead More →

পরিবেশবান্ধব ডোকোশিল্পকে পুনর্জীবন দিতে দার্জিলিংয়ের তাকদায় বিশেষ কর্মশালা

পাহাড়, মেঘ, পাইন গাছের সারি মেশানো উত্তরবঙ্গ। দার্জিলিং, কালিম্পং, ডুয়ার্স। পাকদণ্ডী পথ, চা-বাগান, পাহাড়ি বাঁক, পাইনের জঙ্গল আর ছবির মতো সুন্দর ছোটো ছোটো গ্রাম। তাকদা, তিনচুলে, লামাহাট্টা, সিলারিগাঁও, ইচ্ছেগাঁও, আরও কত কি। বাঙালি তথা সারা দেশবাসীর অন্যতম প্রিয় ডেস্টিনেশন। গ্রামগুলির মতন গ্রামের মানুষগুলোও সহজ, সরল, সুন্দর। পর্যটকরা সারা বছরের ক্লান্তি কাটাতে যান, কয়েকদিন থাকেন, অনাবিল শান্তি আরRead More →