মাতঙ্গিনী হাজরাকে নিয়ে ডাকটিকিট

ভারতীয় ডাকবিভাগ ১৭-১২-২০০২ তারিখে ৫০০ পয়সার মূল্যমানে স্বাধীনতা সংগ্রামে অটল এবং নিবেদিত-প্রাণ তেজস্বিনী বৃদ্ধা, তমলুকবাসী মাতঙ্গিনী হাজরার স্মরণে একটি ডাকটিকিট প্রকাশ করে। ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে এবং পরবর্তীকালে দেশভক্তির পবিত্রতায় তিনি এক প্রেরণাদায়ী মাতৃশক্তিতে অধিষ্ঠিত হলেন। ১৯৪২ সালের আগষ্ট মাস। ভারতছাড়ো আন্দোলন শুরু হল। ইংরেজকে দেশ ছাড়তে বাধ্য করার ডাক দিলেনRead More →

সন্ত্রাসের রং গেরুয়া  ( তৃতীয় পর্ব )

“হিন্দু সন্ত্রাস” শব্দবন্ধটি ক্ষমতাসীন দলের মন্ত্রীরা অকাতরে ব‍্যবহার করতেন। মিডিয়ায় এটি একটি বহুল প্রচলিত শব্দে পরিণত হয়। প্রগতিশীল ও মানবাধিকার কর্মীরা এই বিষয় নিয়ে তুমুল উৎসাহে লেখালেখি, সেমিনার ও পুস্তিকা প্রকাশ করতে থাকে। ২০.০৬.২০০৬ তারিখে পুণার নিকটবর্তী নান্দেড় শহরে একটি বিস্ফোরণে দুজন মারা যায়।সেই প্রথম সরকারী নথিতে ” হিন্দু সন্ত্রাস”Read More →

সন্ত্রাসের রং গেরুয়া (  দ্বিতীয় পর্ব )

২০০৮ সালের ১লা ডিসেম্বর পি চিদম্বরম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হলেন। বেশ তুখোড়, বলিয়ে কইয়ে,সফল আইনজ্ঞ চিদম্বরম তৎকালীন সরকারের বেশ ভরসার লোক ছিলেন।২৬.১১.২০০৮ এর ভয়ংকর জঙ্গি হামলার পর দেশজুড়ে সরকারের প্রতি যে ক্ষোভ পুঞ্জীভূত হয়ে চলেছিল তিনি তা প্রশমিত করার উদ‍্যোগ নিলেন।দেশ ওই সময়ে একটি অত্যন্ত কঠিন অবস্থার মধ‍্যে দিয়ে যাচ্ছিল। কিছু মানুষRead More →

সন্ত্রাসের রং গেরুয়া  ( প্রথম পর্ব )

“স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে আমার ডিরেক্টর ছিলেন একজন মার্কামারা নীরস আমলা। তাঁর ব‍্যক্তিত্বের মধ‍্যে আকর্ষণীয় কিছুই ছিল না। পদোন্নতি পেয়ে জয়েন্ট সেক্রেটারি হিসাবে তাঁর নাম প‍্যানেলভুক্ত হলেও পোস্টিং পাননি বলে মেজাজটা সবসময় তিক্ত হয়েই থাকত।একবার আমার সাথে তাঁর ভালোমত মনোমালিন্য হল। তিনি আমাকে একটা শিক্ষা দিতে চাইলেন। তাঁর সুপারিশে আমি বদলি হয়ে গেলামRead More →

চারদিকে মুখ করা চারটে পাথরের সিংহ।

সিংহগুলি একটিই বেলেপাথরের ব্লক কেটে তৈরী, বেশ চকচকে করে পালিশ করা। পশুরাজদের গলা অবধি কেশর নেমে এসেছে, নিচে অশোকচক্র, ঘোড়া, মোষ ও ওল্টানো পদ্মফুল। শক্তিশালী মৃগেন্দ্রচতুষ্টয়ের কি দর্পিত ভঙ্গি, কি অনির্বচনীয় দন্তকৌমুদী, প্রস্তরে উৎকীর্ণ পেশল বাহু ও সুতীক্ষ্ণ নখররাশিতে কি অপরিমিত শক্তির আভাস ! কেউ কেউ বলেন, ভাস্কর্যটি বৌদ্ধধর্ম দ্বারাRead More →

শোক সংবাদ : চলে গেলেন প্রবীণ প্রচারক বিদ্যুৎ দত্ত

আজ ২রা আগস্ট সকাল ৬ টা ২৫ মিনিটে চলে গেলেন আমাদের সকলের শ্রদ্ধেয় প্রিয় বিদ্যুৎ দত্ত, সংঘের প্রবীন প্রচারক, বিজেপির যুব শাখা যুব মোর্চার প্রথম রাজ্য সভাপতি, রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সাধারন সম্পাদক সহ বিভিন্ন পদ অত্যন্ত সাফল্যের সঙ্গে সামলেছেন। অনেককে নিজের হাতে তৈরী করেছেন।সঙ্ঘের মধ্যে কখনো বাঁকুড়া বিভাগ বা কখনোRead More →

বিদ্যাসাগরের প্রয়াণ দিবসে (২৯ শে জুলাই) শ্রদ্ধা — বিদ্যাসাগর ধর্ম চেতনায় নৈঃশব্দ কেন?

(১)বাংলার বামপন্থী চিন্তাবিদেরা সব সময় প্রমাণ করতে চেয়েছেন, বিদ্যাসাগরকে ধর্ম-উদাসীন মানবতাবাদী চরিত্র হিসাবে, তুলে ধরতে চেয়েছেন তাঁর ধর্মনিরপেক্ষ ব্যক্তিত্বকে। কিন্তু মূল সত্যিটা হল, পরাধীন ভারতবর্ষে নিজেকে কীভাবে উপস্থাপন করলে দেশের সামাজিক সংস্কারের কাজ সুসম্পন্ন হয়, সে ব্যাপারে তিনি বাস্তববাদী ছিলেন। সেই পথে যেতে হলে তিনি কোনো কোনো ক্ষেত্রে আপোষ করেছেন।Read More →

সাহিত্যিক, শিক্ষাবিদ এবং সমাজ সংস্কারককরুণাসাগর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (জন্মঃ- ২৬ সেপ্টেম্বর, ১৮২০ – মৃত্যুঃ- ২৯ জুলাই, ১৮৯১)

১৮৭৫ সালের ৩১ মে নিজের উইল প্রস্তুত করেন বিদ্যাসাগর মহাশয়। পরের বছর ২৬ ফেব্রুয়ারি হিন্দু ফ্যামিলি অ্যানুয়িটি ফান্ডের ট্রাস্টি পদ থেকে ইস্তফা দেন। এপ্রিল মাসে কাশীতে পিতা ঠাকুরদাস বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু হয়। এই সময় কলকাতার বাদুড়বাগানে বসতবাড়ি নির্মাণ করেন। বর্তমানে এই বাড়ি সংলগ্ন রাস্তাটি বিদ্যাসাগর স্ট্রিট ও সমগ্র বিধানসভা কেন্দ্রটি বিদ্যাসাগরRead More →

২৮ জুলাই/ইতিহাস-স্মরণ  ত্রিপুরার জীবন বলিদান দেওয়া স্বয়ংসেবকদের কথা

২৮শে জুলাই, ২০০১ ছিলো সারা বিশ্বে ছড়িয়ে থাকা রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের কোটি কোটি স্বয়ংসেবকদের জন্য একটি কালো দিন। এই দিনে ভারত সরকার চারজন প্রবীণ আরএসএস কর্মীর মৃত্যুর সংবাদ ঘোষণা করে। এই চারজন স্বয়ংসেবকদের ত্রিপুরা রাজ্যের কাঞ্চনছড়ায় অবস্থিত ‘বনবাসী কল্যাণ আশ্রম’-এর একটি ছাত্রাবাস থেকে মিশনারিদের ব্যাকাপ পাওয়া দুস্কৃতীরা ৬ আগস্ট, ১৯৯৯-এRead More →

স্বাধীনতা সংগ্রামী বিপ্লবী বীরকন্যাকল্পনা দত্ত (জন্মঃ- ২৭ জুলাই, ১৯১৩ – মৃত্যুঃ- ৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৫)

বেথুন কলেজে তাঁর প্রীতিলতার সাথে পরিচয় ঘটে। প্রীতিলতা ইংরেজী সাহিত্যে বি.এ. পড়েন। থাকেন ছাত্রীনিবাসে। এখানে মাষ্টারদার নির্দেশে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছেন। গড়ে তোলেন এক বিপ্লবী চক্র। এই বিপ্লবীচক্রে অনেক মেয়ে সদস্য যোগ দেন। এই বিপ্লবীচক্রে কল্পনা দত্ত যুক্ত হলেন। এই চক্রের মূল কাজই ছিল বিপ্লবীকর্মী তৈরীর পাশাপাশি অর্থ সংগ্রহ করা।Read More →