প্রয়াণ দিবসে শিবাজী মহারাজকে শ্রদ্ধা

শিবাজীর হিন্দু জাতি-গঠন-ভাবনা এবং প্রণবানন্দজী ও শ্যামপ্রসাদে তার উত্তরাধিকার। যুগাচার্য স্বামী প্রণবানন্দ মহারাজ হিন্দু-জাতি-গঠন সংক্রান্ত নানা ভাষণ ও কাজে বারবার হিন্দু সম্রাট ছত্রপতি শিবাজী মহারাজের প্রসঙ্গ উত্থাপন করতেন। ১৯৪০ সালের মার্চ মাসে কলকাতায় অনুষ্ঠিত হিন্দু সম্মেলনে ‘হিন্দু রক্ষীদল’ গঠনের আহ্বান জানান এবং হিন্দু সমাজের বিপন্নতার বিষয় তুলে ধরেন। কারণ ১৯৩৭Read More →

বীরত্বের দিব্যরূপই তাঁর স্বরূপ, সংকটমোচন হনুমানে তাই আস্থা শ্রীরামচন্দ্রের।

উদীয়মান বলার্কের মতো কান্তিমান পবননন্দন, বানর শিরোমণি হনুমান। তাঁর বর্ণ অশোক ফুলের মতো, তাঁর চোখ সোনার মতো, তিনি বিপুল এবং বিশাল। শ্রীরামচন্দ্রের পক্ষে দূত হয়ে তিনিই গিয়েছিলেন লঙ্কায়। বীর্য ও ধৈর্য্যের আধার তিনি; তিনি প্রভুভক্ত, বানরোত্তম, বলবীর্যশালী দৈব্যসত্তা। জনকদুহিতা সীতাদেবীর খবর নিয়ে আসতে তিনি সক্ষম ছিলেন। শতযোজন সাগর অতিক্রম করতেওRead More →

এক অন্নপূর্ণা পূজার দিন স্বামী অখণ্ডানন্দ সারগাছিতে সেবাব্রতের সূচনা করেন, এখানে শ্রীরামকৃষ্ণের অন্নপূর্ণারূপে অধিষ্ঠান।

শ্রীরামকৃষ্ণ-পার্ষদ স্বামী অখণ্ডানন্দজী মহারাজ মুর্শিদাবাদ জেলার মহুলা-সারগাছিতে ১৩০৩ বঙ্গাব্দের (১৮৯৭ সালে) অন্নপূর্ণা পূজার দিন সেবাধর্মের সূত্রপাত করেন। তাঁর প্রতিষ্ঠিত সারগাছি রামকৃষ্ণ মিশন বেলুড়ের অধীন প্রথম শাখা কেন্দ্র। কয়েকটি অনাথ বালককে নিয়ে আশ্রমের কাজ শুরু করলেন তিনি। একটি চিঠিতে স্বামী বিরজানন্দকে তিনি লিখছেন, “১৩০৩ সালের শুভ অন্নপূর্ণা পূজার দিন ঠাকুর এখানেRead More →

আর্ট কলেজের খরচ জোগাতে শ্যামবাজারে কাপড়ের দোকানে কাজ করতেন যামিনী রায়

তীর্থ হোক বা শখের ভ্রমণ, বেড়ানোর শেষে ফেরার পথে বাঙালির থলে ভরে ওঠে নানারকম উপহারে। আত্মীয়প্রীতি অনেকটা তলানিতে ঠেকলেও প্রিয়জনের জন্য যে জায়গায় গেছিলেন সেখানকার এটা ওটা টুকিটাকি হাতে করে নিয়ে আসতে এখনও ভোলে না বাঙালি। আজ থেকে একশ বছর আগে বাঙালি তীর্থভ্রমণই করত বেশি, ফলে সেখানেও তীর্থক্ষেত্রের প্রসাদ বাRead More →

১৫০ বছরে ছোটা ব্রিস্টল (শ ব্রাদার্স) : কলকাতার ‘সেকেলে’ পানশালা

জনশ্রুতি আছে সাহেব লর্ড ক্লাইভ বলেছিলেন, “পৃথিবীর সব থেকে পাপপূর্ণ জায়গাগুলির মধ্যে অন্যতম এই কলকেতা।” তা এই পাপের ঘড়ায় জল ঢালার নেপথ্যে কিন্তু তিনিও ছিলেন! এমন অনেকেই রয়েছেন, যাঁরা মদ্যপায়ীদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেন কিন্তু ব্যক্তিজীবনে দিনে নিদেন পক্ষে এক পাত্র চাইই চাই, কেউ কেউ আবার পাঁড় মাতাল। যেমন আমাদের ঈশ্বর গুপ্ত। সুরাপ্রেমীRead More →

ফুটপাথের ঝলমলে চৈত্র সেল

দু’দশক আগে হলে, এই সময় মানে এই ভরা চৈত্রে গড়িয়াহাট, ধর্মতলা, হাতিবাগান চত্বরে পা বাড়ানোর আগে মানুষ দু’বার ভাবতো। আমরা সকলেই জানি, সে ছবি আর নেই। চৈত্র সেল ছাড়া নতুন বছর! এককালে ভাবতে পারতো না বাঙালি। সময়ের বেনোজলে উদযাপনের ধারা যেমন বদলেছে, তেমনই বদলে গেছে চৈত্র সেলের ধরন। কেউ কেউ বলবেন, জীবন সহজRead More →

কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের সেই দৃশ্য

অভিমন্যু একা চক্রব্যূহ ভেদ করে ঢুকে পড়েছেন আর কৌরবপক্ষের ১৪ মহারথী এবং ৫ অক্ষৌহিনী সৈন্য সেই বালককে ঘিরে ফেলেছে কিন্তু সেই বালক-বীরের তেজের সামনে কৌরবপক্ষের বড় বড় মহারথীরাও দাঁড়াতে পারছেন না। কৃপ, দ্রোণ, কর্ণ, শল্য, দুঃশাসন, অশ্বত্থামা, শকুনি – সবাই তার কাছে পরাজিত। কৌরব সৈন্যরা অভিমন্যুর বাণে কচুকাটা হয়ে যাচ্ছে।Read More →

চুরি নয়, চব্বিশে চাই সোনার ভারত আর রাজা নরেন্দ্র।

‘সোনা’ বলতে কী বুঝি? সোনা মানে ‘উত্তম’, সোনা মানে ‘শ্রেষ্ঠ’৷চর্যাপদে পাচ্ছি — “সোনা ভরিতী করুণা নাবী/রূপা থোই নাহিক ধাবী।” আমার সোনায় নৌকো ভরেছে, রূপার জন্যও আর স্থান নেই। আমরা বলি ‘সোনার ছেলে’, ‘সোনার মেয়ে’। ছড়ায় শিশু হয়ে যায় ‘সোনা’। সেরকমই সোনার মাটি, সোনার ফসল, সোনার গৌর। “হৃদ্ মাঝারে রাখবো ছেড়েRead More →

‘আমি নারী, আমি মহীয়সী’

বিশ্ব সৃষ্টিতে নারী আর পুরুষের সমান হস্তক্ষেপ আছে। ‘নারী’ কবিতায় কাজী নজরুল ইসলাম লিখছেন, “বিশ্বের যা কিছু মহান/সৃষ্টি চির কল্যাণকর/ অর্ধেক তার করিয়াছে নারী/ অর্ধেক তার নর।” অপরদিকে ‘মানসী’ কবিতায় রবীন্দ্রনাথ লিখছেন, “শুধু বিধাতার সৃষ্টি নহ তুমি নারী–/ পুরুষ গড়েছে তোরে সৌন্দর্য সঞ্চারি/ আপন অন্তর হতে।” কবিতাটির শেষে গিয়ে তিনিRead More →