লোকমাতা রানি রাসমণির জন্মদিনে (২৮ শে সেপ্টেম্বর, ১৭৯৩) শ্রদ্ধা –দক্ষিণেশ্বর কালীমন্দির: এক মহীয়সী নারীর হার না মানা লড়াইয়ের কাহিনী।

তিনি রানি রাসমণি। ১৮৫৫ সালে প্রতিষ্ঠা করলেন দক্ষিণেশ্বর কালীবাড়িতে মা ভবতারিণীর মূর্তি। ব্রিটিশ-ভারতের পটভূমিতে এত সাহসী, এত হিতৈষী-মহীয়সী নারীর দেখা পাওয়া যায় নি। একজন কৈবর্ত হয়েও দক্ষিণেশ্বর মন্দির প্রতিষ্ঠা করে এবং শ্রীরামকৃষ্ণদেবকে বরণ করে ভারতের আধ্যাত্মিক, সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক জগতকে আরও প্রাণবন্ত মিলনক্ষেত্রে পরিণত করেছিলেন, যার ঐতিহাসিক গুরুত্ব অপরিসীম। উনিশRead More →

থিমের বাইরে বেরোতেই পারছে না বাঙালির দুর্গাপুজো।

থিমের পূজা নিয়ে বাঙালির “ন যযৌ ন তস্থৌ” অবস্হা। না পারছে অতিক্রম করতে, না আছে থেমে! থিমে নতুনত্ব আনতে গেলে সনাতনী হিন্দু ধর্মকে বেইজ্জত করতেই হবে, যেমন জুতোর প্যাণ্ডেল নির্মাণ, যেমন মা দুর্গার অস্ত্রবিহীন মূর্তি। কথায় বলে, বাঙালির মনে ধরলে ৩৪ বছর লাগে তা দূর হতে। বাঙালির স্থিতিজাড্য প্রবল। নানানRead More →

বিদ্যাসাগরের লেখা কৃষ্ণ বিষয়ক গ্রন্থ ‘বাসুদেবচরিত’ কেন খ্রিস্টান-ব্রিটিশ সরকার পাঠ্য করে নি?

অনুবাদক বিদ্যাসাগরের প্রথম মুদ্রিত গ্রন্থ হিসাবে আমরা ‘বেতালপঞ্চবিংশতি’ (১৮৪৭) নামটি জানলেও আমরা অনেকেই জানি না, তাঁর প্রথম অনুবাদ ছিল ‘বাসুদেবচরিত’। নমুনা যা পাওয়া গেছে, অসাধারণ সুললিত ছিল এই গ্রন্থ, অনুবাদ-কর্মের প্রথম পরীক্ষা, লিপিচাতুর্য আর ভাষা-সৌন্দর্যে অতুলনীয়। এর পাণ্ডুলিপিটি রচিত হয় সম্ভবত ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে চাকুরিরত অবস্থায় (১৮৪২ – ১৮৪৬ এরRead More →

সিংহভাগ বাঙালি  ‘বিদ্যাসাগর’ বলতে একজনকেই বোঝেন

তাঁর নিজের যে একটা পদবী আছে, এ কথা অনেকেই মনে রাখেননি। বহুজনের বিশ্বাস মানুষটির নামই বিদ্যাসাগর (Vidyasagar)। কিন্তু বীরসিংহের ভূমিপুত্র ঈশ্বরচন্দ্র (Ishwar chandra Vidyasagar) প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতিতে যে উপাধি অর্জন করলেন, সেইটেই নাম হয়ে উঠল তাঁর জীবদ্দশাতেই। এমন ঘটনা পৃথিবীতে বড়োই বিরল। আর তাইতো বাঙালির ইতিহাসে তারানাথ বাচস্পতির পুত্র জীবানন্দ, রংপুরেরRead More →

রাধাষ্টমী এবং গো-মাতা পূজনে বাঙালির উত্তরাধিকার।

আজ ভাদ্রের শুক্লা অষ্টমী (এ বছর আশ্বিন মাসে তিথিটি পড়েছে), আজ রাধাষ্টমী। শাস্ত্রীয় অনুষ্ঠান হলেও, তার শিকড়ে রয়েছে লোকায়তিক সংস্কৃতি, বৃহত্তর লোকচারণা। ভারতের নানান প্রান্তে গো-কেন্দ্রিক, গো-আধারিত, গো-পালক সমাজে যে বহুবিচিত্র লোকানুষ্ঠান উৎযাপিত হয়, তার সঙ্গে যুক্ত হয়ে আছে শাস্ত্রীয় আচার-অনুষ্ঠান। শাস্ত্রীয় ও লৌকিক — সব মিলেমিশেই এক সমন্বিত রূপRead More →

তপন শিকদারের জন্মদিনে শ্রদ্ধাঞ্জলি — তপন সিকদার (২০শে সেপ্টেম্বর ১৯৪৪ – ২র জুন ২০১৪)

শ্যামাপ্রসাদের তথ্যনিষ্ঠ জীবনীরচনায় তপন শিকদার। শ্রী তপন সিকদার তখন ‘ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী স্মারক সমিতি’-র সাধারণ সম্পাদক এবং শ্রী বাজপেয়ীর প্রধানমন্ত্রীত্বে ভারত সরকারের রসায়ন ও সার দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী। এইসময় তিনি সমিতির পক্ষ থেকে নিবেদন করলেন একটি সঙ্কলিত ও সম্পাদিত গ্রন্থনা “শতবর্ষের আলোয় শ্যামাপ্রসাদ”। বইটির প্রকাশকাল ২০০২ সালের জুলাই মাস। বইটির লেখকRead More →

দীর্ঘ ৩ কিলোমিটার রাস্তা একটানা দৌড়ে চিকিৎসকের মানবধর্ম পালন করে হাসপাতালে পৌঁছে অপারেশন করলেন মানবদরদী এই চিকিৎসক

ব্যাঙ্গালোরের দীর্ঘ ৩ কিলোমিটার রাস্তা একটানা দৌড়ে চিকিৎসকের মানবধর্ম পালন করে হাসপাতালে পৌঁছে অপারেশন করলেন মানবদরদী এই চিকিৎসক,যার জন্য সকাল থেকে অপেক্ষায় ছিলেন রোগীরা। এই ভেবে দেরি না করে মাঝপথে গাড়ি থেকে নেমে প্রায় ৪৫ মিনিট দৌড়ে তিন কিলোমিটার রাস্তা পেরিয়ে হাসপাতালে পৌঁছলেন বেঙ্গালুরুর এক চিকিৎসক …….বেঙ্গালুরুর মণিপাল হাসপাতালে কর্মরতRead More →

কবি যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত -র প্রয়াণ দিবসে (১৭ ই সেপ্টেম্বর, ১৯৫৪) শ্রদ্ধা জানিয়ে লিখলেন

শিবপুর ইঞ্জিনীয়ারিং কলেজের প্রকৌশলী হয়ে উঠেছিলেন এক কবি যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্তর ‘হাট’ কবিতাটি (‘মরীচিকা’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত, ১৯২৩ প্রকাশকাল) ছাত্রজীবনে আমাকে দারুণ ভাবে প্রভাবিত করেছিল। গ্রামের হাট, প্রভাতে যেখানে ঝাঁট পড়ে না, সন্ধ্যায় যেখানে প্রদীপ জ্বলে না। সেই দশবারোখানি গাঁয়ের মাঝে একটি হাট — পড়ে থাকে আঁধারে। হাটের দোচালায় মুদে আসে নয়ান।Read More →

ছিন্নমূল হয়েও বাংলার বাজি ব্যবসায় তিনিই ‘অন্নপূর্ণা’ – অন্নপূর্ণা দাস ওরফে ‘বুড়ীমা’

বাড়ি ভর্তি লোক, সকলের মুখ থমথমে। এরই মধ্যে বাইরে কারা যেন বোম ফাটাচ্ছে। বলি হচ্ছে টা কি, শোকের সময় চ্যাংড়ামো! বাইরে থেকে উত্তর ভেসে আসে, ‘‘চ্যাংড়ামো নয়, জয়ধ্বনি। যে চকলেট বোম বানিয়ে গোটা বাজির বাজার জিতে নিয়েছেন, সেটা ফাটিয়েই বুড়ীমাকে শ্রদ্ধা জানালাম!” তাঁর শেষ দিনটা আজও ভুলতে পারেননি নাতি সুমন দাস।Read More →

শিকাগো বক্তৃতা (১১ই সেপ্টেম্বর, ১৮৯৩) স্মরণ নিবন্ধ –শক্তি সাধনা, ভারত বিকাশ এবং স্বামী বিবেকানন্দশিকাগো বক্তৃতা (১১ই সেপ্টেম্বর, ১৮৯৩) স্মরণ নিবন্ধ

স্বামীজী বলছেন, “This world is the great gymnasium where we come to make ourselves strong.” রাজযোগ গ্রন্থে আছে, এই দেহই আমার শ্রেষ্ঠ যন্ত্র, শ্রেষ্ঠ সহায়, চিন্তা করিবে — ইহা বজ্রের ন্যায় দৃঢ়,…. দুর্বল ব্যক্তি কখনও মুক্তিলাভ করিতে পারে না। সর্বপ্রকার দুর্বলতা পরিত্যাগ কর। শরীরকে বলো — তুমি বলিষ্ঠ। মনকে বলোRead More →