এবার ভারত ভারতকে জানুক শুরু থেকে

অ্যারিস্টটল জন্ম নেওয়ার কয়েক হাজার বছর আগেই, প্রায় খ্রীষ্টপূর্ব ১৫০০ সালের দিকেই ভারতবর্ষে ‘সভা’, ‘সমিতি’, ‘বিধাতা’, ও ‘গণ’ নামের চারটি পরিষদ ছিল। আদি বৈদিক যুগের এই প্রশাসনিক পরিকাঠামোগুলির মাধ্যমে রাজা নির্বাচিত হত৷ ‘সমিতি’-তে সদস্যরা কর্ম অনুযায়ী সাধারণের মধ্যে থেকে নির্বাচিত হতেন, আবার এই ‘সমিতি’ই রাজাকে নির্বাচিত করত (কিছুটা আমাদের আজকেরRead More →

পশ্চিমবঙ্গে সবথেকে বেশি উপকূল ক্ষয় হয়

ভারতের অন্যান্য সমুদ্রতীরের রাজ্যের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গে উপকূলে দৈর্ঘ্য যথেষ্ঠই কম – মাত্র ২১০ কিলোমিটার্। কারণ পূর্ব মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ 24 পরগণা ছাড়া আর কোনো জেলায় সমুদ্রসৈকত নেই। কিন্তু তারপরেও অন্যান্য সব রাজ্যের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গেই সবথেকে বেশি উপকূলীয় ক্ষয় ঘটে। ভারতী ইনস্টিটিউট অফ পাবলিক পলিসি, ইন্ডিয়ান স্কুল অফ বিজনেসের গবেষণা পরিচালকRead More →

বনের মধ্যে শবদেহ, চাদর সরাতেই নিজের মৃতমুখ দেখতে পেয়েছিলেন বিভূতিভূষণ  

প্রথম স্ত্রী গৌরীর মৃত্যুর কিছুদিনের মধ্যেই চলে গেলেন বোন মণি। দুই কাছের মানুষের মৃত্যুশোক অনেকটাই ভেঙে দিল বিভূতিভূষণকে। চলে এলেন কলকাতায়। একদিন টালিগঞ্জের কাছে দেখা পেলেন এক সন্ন্যাসীর। তাঁর কাছ থেকে শুনলেন আত্মা-তত্ত্বের ব্যাখ্যা। ঘোর চেপে গেল। শুরু হল পরলোক-চর্চা। সেই সন্ন্যাসীর কাছ থেকেই শিখলেন প্ল্যানচেট তথা ‘মণ্ডল’। এরপর, এই পরলোক-চর্চাইRead More →

রাতদুপুরে পদ্মা নদীতে ভূতের কবলে পড়লেন রবীন্দ্রনাথ! 

রবীন্দ্রনাথ শিশু-কিশোরদের খুব ভালোবাসতেন। শান্তিকেতনে যখন থাকতেন, সন্ধে হলেই বসতেন কচিকাঁচাদের নিয়ে। এখনকার মতো বেশি ছাত্রছাত্রী তখন সেখানে ছিল না। পড়াশোনা দিনের বেলা ক্লাসেই হয়ে যেত। পড়ুয়ারা অপেক্ষায় থাকত, কখন সন্ধে হবে আর কখন গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ আসবেন। গুরুদেবেরও সেই সভায় আসার জন্য মন আনচান করত। বড়ো সভা-সমিতি, আমন্ত্রণ ইত্যাদিতে না গিয়েও তিনিRead More →

ভূত

“ভৌতিক ভীতির মূল শুধু প্রত্যক্ষের অগোচর বাস্তবকায়াহীন সত্তার অস্তিত্ব কল্পনার হয়নি। প্রাণের নিঃসঙ্গ একাকিত্বের মৌলিক অসহায় ভীতির মধ্যেই এর বীজ রয়েছে। …নিঃসহায় একাকিত্বের অহেতুক ভীতি এই-ই ভূতের ভয় প্রভৃতি অনির্দেশ্য আতঙ্কের বীজ।” (গল্পের ভূত/সুকুমার সেন) শীতকাতুরে বাঙালি। আবার, বর্ষাসচেতন বাঙালি—ছাতা ভুলে ফেলে আসা তাদের দস্তুর। এবং বাঙালি আড্ডাবাজ। এই ত্র্যহস্পর্শ ঘটলেRead More →

বাঙালির পথ‍্য‍

শারীরিক স্বাস্থ্যের সঙ্গে খাবারের মেলবন্ধন করার ক্ষেত্রে এদেশ অনেক এগিয়ে ছিল। পিত্তের প্রকোপ বাড়লে পিত্ত-নাশক তেতো রসবিশিষ্ট শুক্তো, তিথি বিশেষে চন্দ্র সূর্যের আকর্ষন-জনিত পৃথিবীর যাবতীয় পদার্থের জলীয় অংশ বৃদ্ধি হয়, এজন্য যে যে খাদ্যদ্রব্য খেলে শরীরে রসের আধিক্য হয়, তিথি বিশেষে সেসব ভোজন নিষেধ করে আর্য ঋষিগণ খাদ্যাদি সম্বন্ধে জ্ঞানেরRead More →

নন্দলাল বসুর শৈল্পিক টানেই সেজে উঠেছিল ভারতীয় সংবিধানের পাতা

স্বাধীনতার পর সামান্য কয়েকটা বছর কেটেছে তখন। ব্রিটিশ শাসনের কবল থেকে বেরিয়ে মাথা তুলে দাঁড়ানোর চেষ্টায় নতুন ভারত। কিন্তু এরপর? আইনকানুন দৃঢ় করার জন্য, স্বাধীন দেশে দরকার নতুন সংবিধান। দেশের নেতারা এবার মন দিলেন সেই কাজেই। কিন্তু এমন ঐতিহ্যশালী দেশের সংবিধান ও তার গড়ন, গঠন, নকশা তো যেমন-তেমন করে হওয়ারRead More →

নন্দলালের আঁকা উমাকে দেখে প্রথমে ভুল বুঝেছিলেন অবন ঠাকুর

শিল্পের সৃষ্টির মূলে মানুষের মনের তীব্র আবেগ আছে সত্য, কিন্তু আবেগের বশে যাই করি তাই তো শিল্প হয় না। অবন ঠাকুরের (Abanindranath Tagore) কথায়, ‘অনেকদিনের পরে বন্ধুর সঙ্গে হঠাৎ দেখা, আনন্দের উচ্ছ্বাসে তার গলা জড়িয়ে কত কথাই বলা হল, কিন্তু সেটা কাব্যকলা কি নৃত্যকলা দুয়ের একটাও হল না। কিন্তু বন্ধুরRead More →

ভারতীয় শিল্পকে আলোকিত করেছে নন্দলাল বসুর আঁকা ‘দুর্গা’

নন্দলাল বসুর আজীবনের শিল্পচর্চা সমগ্র ভারতবাসীকে আলোকিত করেছে। পথ দেখিয়েছে নিত্য নতুন। আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল, শিল্পচর্চা কোন পথে চলবে তার হদিশ দিয়েছেন। সে পথ বিবিধ। তাই তাঁর শিল্পাচরণের আঙ্গিকও ভিন্ন ভিন্ন। সে জন্যেই তিনি আচার্য। এই স্বল্প পরিসরে নন্দলাল বসুর দুর্গা আঁকার গুটিকয় রকম স্মরণ করবো, যাতে করে তারRead More →

বাংলার ‘মিনি’ তিব্বত

“…বাড়ছে বয়স বাড়ছে স্মৃতির পুঁজি/ছেলেবেলা আমি এখনও তোমায় খুঁজি/ খুঁজে যাই তবু বুঝি না খোঁজার মানে/ খুঁজেছ তুমিও দার্জিলিং এর গানে…”  দার্জিলিং মানেই কুয়াশার ওপার থেকে ছুটির হুইসল – নস্টালজিয়া; অনেকটা, অঞ্জন(অবশ্যই ‘দত্ত’)-কে উদ্দেশ্য করে কবীর সুমনের এই গান(উপরে উল্লিখিত)টির মতো। এই নস্টালজিক শীতের শহরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে বিভিন্ন রোমাঞ্চকর ইতিহাস, যার মধ্যেRead More →