চিতা-চৈত‍্য-চট্টগ্রাম

বৌদ্ধযুগে বৌদ্ধ সাধকের দেহাবশেষের চিতাভস্ম সংগ্রহ করে তা কখনো একটি পাথরের পাত্রে, কখনো বা মাটির পাত্রে সংরক্ষণ করে রাখা হতো। এই “চিতা” বা চিতাভস্মের স্মৃতিতে তৈরি এই সব বৌদ্ধ বিহার বা সংঘারাম পরিচিত হয়েছিল “চৈত‍্য” নামে।”চিতা” শব্দ থেকেই এসেছে “চৈত‍্য” শব্দটি। আর প্রাকৃত শব্দ “সংগ্রহম্” থেকে এসেছে “সংঘারাম” কথাটি। সংঘারামেRead More →

খিলি পান ও তাম্বুলী তামলী

আদি পেশা সুপারি-মশলা দিয়ে সাজানো খিলি পান বিক্রি করা। বারুজীবিরা করেন পানের চাষ আর সেই পান সাজিয়ে বিক্রি করার পেশার সঙ্গে যুক্ত মানুষেরা হলেন “তাম্বুলী” এবং তা থেকে চলতি কথায় “তামলী।” বৃহদ্ধর্মপুরাণে তামলীরা উত্তম সংকর এবং ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণে তাঁরা স‍ৎ শূদ্র। আর বল্লালীয় বিভাগে তাঁরা নবশাখ ( নবশায়ক) শ্রেণীভুক্ত। বৃন্দাবনRead More →

বয়স ১০০ ছাড়িয়েছে, এখনও সারিন্দাটা বাজিয়ে চলেছেন ‘পদ্মশ্রী’ মঙ্গলকান্তি রায়

বিশ্ব সংগীতশাস্ত্রের ইতিহাসে অসামান্য অবদানের জন্য ভারতীয় ধ্রুপদ সংগীত জগৎজুড়ে সমাদৃত হয়েছে। ভারতীয় ধ্রুপদ সংগীতের অসাধারণ সুর, তাল, লয় দিয়ে জয় করে নিয়েছে পৃথিবীর অগুন্তি মানুষের হৃদয়। প্রাচীন ভারতের উল্লেখযোগ্য কয়েকটি বাদ্যযন্ত্রগুলির মধ্যে পড়ে তবলা, সেতার, সরোদ, তাম্বুরা, বাঁশি, সানাই ইত্যাদি। দেখা যায়, এলাকা ও সংস্কৃতিভেদে বারবার পাল্টে পাল্টে গেছেRead More →

ভারতের প্রথম ফ্রি পাবলিক লাইব্রেরি

জ্ঞানচর্চার পাশাপাশি জ্ঞান বিতরণের অভ্যাস এবং তার জন্য গ্রন্থাগার নির্মাণের সংস্কৃতি বাঙালি রপ্ত করেছিল স্বাধীনতার আগেই। এখানকারই বিশিষ্ট জমিদার এবং সমাজ সংস্কারক জয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় চালু করেছিলেন ভারতের প্রথম এবং সম্ভবত এশিয়াতেও প্রথম বিনামূল্যে জনসাধারণের জন্য গ্রন্থাগার- উত্তরপাড়া জয়কৃষ্ণ পাবলিক লাইব্রেরি । অস্ট্রেলিয়ান লেখক ‘Empire of Enchantment: The Story of IndianRead More →

বাংলার সনাতনী স্বাদেই বাজিমাত! ঠাকুমা পুষ্পরানির রান্না এখন দেশ-বিদেশের হেঁশেলে

খড়ের ছাউনি দিয়ে ঘেরা একচিলতে রান্নাঘরে রান্না করেন শীল-নোড়ায় পেষা মশলা আর বাগানের সবজি দিয়ে। কাঁচকলার কোপ্তা, নানা রকমের ইলিশ ভাপা, কচুর শাক, থানকুনি পাতার চচ্চড়ি, তেল কই, লাউয়ের ঘণ্ট, কুমড়ো ফুলের বড়া… বাংলার অতি সাধারণ রেসিপিতেই তাক লাগিয়ে দিয়েছেন তিনি। প্রত্যন্ত গ্রামে থাকলেও তাঁর রেসিপিই তাঁকে করেছে স্টার। দেশ-বিদেশেরRead More →

বাতানুকূল যন্ত্রের পাশাপশি তীব্র গরমে অন্দরমহলে ফিরুক খসখস, বাঁশের চিক

প্রতিদিন সূর্য মাথার উপর উঠলেই যেন চিড়বিড় করে পুড়তে শুরু করছে সমস্ত কিছু। এখনও মে-জুন মাস আসতে খানিক দেরি আছে। স্কুল-কলেজের গরমের ছুটির সময়ও হয়ে ওঠেনি। অথচ বৈশাখ মাসের সূচনা হওয়ার আগেই আবহাওয়া দপ্তর বাংলা জুড়ে জারি করেছে দাবদহের হাই-অ্যালার্ট! তাপপ্রবাহের পারদ নাকি ৪০ ডিগ্রি ছাড়িয়ে পৌঁছে যেতে পারে আরওRead More →

২০২৪ সালে পাঠভবন থেকে চিরতরে মুছে যেতে চলেছে বাংলা মাধ্যমের অস্তিত্ব

“তোদের স্কুলে সরস্বতী পুজো হয় না? অনেকবার এই প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছে ছেলেবেলায়। তখন এক স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা আর এক স্কুলে সরস্বতী পুজোর নিমন্ত্রণ করতে যেত। আমরা কোথাও যেতাম না। মেয়েরা শাড়ি পড়ত আর সপ্তম শ্রেণি ছুঁই ছুঁই ছেলেরা এদিন প্রথম মুগ্ধ হত। কৌতুহলী বন্ধুদের জন্য আমাদের উত্তর হত সংক্ষিপ্ত –‘না।Read More →

অন্তর্জলীযাত্রায় অলকাসুন্দরী

প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুরের জননী অলকাসুন্দরী কি কখনও ভেবেছিলেন, তাঁর শেষ জীবন কাটবে গঙ্গার তীরে অন্তর্জলীযাত্রায়? অথচ এটাই হয়েছিল। পুত্র দ্বারকানাথের বয়স যখন ১৩, তখনই মৃত্যু হয় তাঁর পিতা রামলোচন ঠাকুরের। তবে মৃত্যুর আগে নাবালক দ্বারকানাথকে বলে গেলেন, তাঁর হয়ে সম্পত্তি দেখাশোনা করবেন অলকাসুন্দরী‌। ধর্মকর্ম থেকে বিষয়কর্ম—সব কাজেই সমান দক্ষ ছিলেনRead More →

বাঙালি যুবকের পেট খারাপ না হলে টয়লেট বসত না ট্রেনে! গল্প হলেও সত্যি

বর্তমানে ট্রেনে বিভিন্ন রকমের সুবিধা পাওয়া যায়। টয়লেট রুম থেকে শুরু করে খাওয়াদাওয়া, সমস্ত রকমের সুবিধা পাওয়া যায়। কিন্তু, প্রায় ১০০ বছর আগে এমনটা ছিল না। ১৯০৯ সালের আগে ভারতীয় রেলে টয়লেটই ছিল না। যদিও এটি সম্ভব হয় বঙ্গের আহমেদপুর স্টেশন থেকে ট্রেনে ওঠা অখিলচন্দ্র সেন নামক এক বাঙালির দৌলতে।Read More →

অর্জন না উপার্জন

ধর্মই বলুন আর দর্শনই বলুন, মহা বিশ্বের যাবতীয় চিন্তাভাবনা অর্জনের লক্ষ্যেই ধাবিত হয়েছে। সে ব্যক্তিগত স্তরে জ্ঞান অর্জন, বোধি অর্জন, মোক্ষ লাভ, অথবা আধ্যাত্মিকতা অর্জন হতে পারে, অথবা সমগ্র জাতির অস্তিত্ব রক্ষা তথা আধিপত্য অর্জনের প্রেরণাও হতে পারে। আধ্যাত্মিকতাটি যেমন বৈদিক অর্জন, আধিপত্য তেমনই রাজনৈতিক ইসলামের মাইলস্টোন, যা এক অর্থেRead More →