চলতি বছরের নভেম্বর মাসে পূর্ণাঙ্গ তিন ফরম্যাটের সিরিজ় খেলতে নিউ জ়িল্যান্ড সফরে যাচ্ছে ভারতীয় ক্রিকেট দল। দুই দেশের মধ্যকার এই সাদা বলের ম্যাচগুলি ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমী সমর্থকদের মধ্যে টিকিটের চাহিদা তুঙ্গে পৌঁছেছে। দর্শকদের উপচে পড়া ভিড় সামলাতে এবং টিকিটের চাহিদা মেটাতে প্রায় সাত বছর ধরে বন্ধ থাকা একটি স্টেডিয়ামের বিশেষ গ্যালারি বা দর্শকাসন ফের খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নিউ জ়িল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড।
কিউই বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, ক্রাইস্টচার্চে অনুষ্ঠিত হতে চলা ভারত ও নিউ জ়িল্যান্ডের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচের ইতিমধ্যেই ৭৫ শতাংশ টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে। অন্যদিকে, অকল্যান্ডের ইডেন পার্কে অনুষ্ঠিত হতে চলা চতুর্থ টি-টোয়েন্টি এবং প্রথম ওয়ান ডে ম্যাচের টিকিটের চাহিদা এতটাই বেশি যে ২০১৯ সালের পর এই প্রথমবার স্টেডিয়ামের ষষ্ঠ টিয়ারটি খুলে দেওয়া হচ্ছে। এর আগে ২০১৫ সালের ওয়ান ডে বিশ্বকাপ এবং ২০১৮ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে একটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচেই কেবল এই দর্শকাসনটি দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছিল। বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, টিকিটের এই অতিরিক্ত চাহিদার কথা মাথায় রেখেই শুধুমাত্র টি-টোয়েন্টি ম্যাচগুলির জন্য ষষ্ঠ টিয়ারের দরজা খুলে দেওয়া হচ্ছে।
আসন্ন এই ভারত সিরিজ়কে কেন্দ্র করে দারুণ রোমাঞ্চিত নিউ জ়িল্যান্ডের সাদা বলের দলের অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনারও। আসন্ন হোম সিরিজে দলের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য তিনি অস্ট্রেলিয়ার জনপ্রিয় টি-টোয়েন্টি লিগ ‘বিগ ব্যাশ লিগ’ (বিবিএল)-এর লোভনীয় প্রস্তাবও ফিরিয়ে দিয়েছেন। স্যান্টনারের মতে, সামনে অত্যন্ত ব্যস্ত গ্রীষ্মকাল আসছে, যেখানে ভারতের বিরুদ্ধে সীমিত ওভারের সিরিজ় ছাড়াও অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ চারটি অ্যাওয়ে টেস্ট ম্যাচ রয়েছে। নিজের দেশের হয়ে খেলার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি জানান, বিবিএলের চুক্তি আর্থিকভাবে অত্যন্ত লাভজনক হলেও দেশের হয়ে মাঠে নামাকেই তিনি সব সময় সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়েছেন। দলের হয়ে সব টেস্টে সুযোগ না পেলেও এই ঐতিহাসিক সিরিজ়ের প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করতে মুখিয়ে রয়েছেন তিনি।

