বলিউডের অন্যতম মার্জিত ও রাজকীয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত অদিতি রাও হায়দরি। সম্প্রতি সঞ্জয় লীলা বনশালি পরিচালিত ‘হীরামন্ডি’ সিরিজে তাঁর অভিনয়, সৌন্দর্য এবং বিশেষ করে ‘বিবজ্বল’ নাচের মুদ্রায় মন্ত্রমুগ্ধ হয়েছেন দর্শকরা। তবে লাইমলাইটে থাকার পাশাপাশি তাঁর লুক নিয়ে যেমন প্রশংসা জুটেছে, তেমনই শুরু হয়েছে বিতর্কও।
রূপের রহস্য ও অস্ত্রোপচারের চর্চা
অদিতির সৌন্দর্য নিয়ে সমাজমাধ্যমে আলোচনার শেষ নেই। তবে নেটিজেনদের একাংশ তাঁর বর্তমান ছবির সঙ্গে আগের ছবির তুলনা টেনে দাবি করছেন যে, অভিনেত্রীর মুখের আদলে আমূল পরিবর্তন এসেছে। গুঞ্জন উঠেছে, প্লাস্টিক সার্জারি বা কসমেটিক অস্ত্রোপচারের মাধ্যমেই নাকি নিজের চেহারার এই ভোলবদল ঘটিয়েছেন তিনি। যদিও অদিতি বরাবরই এসব চর্চাকে বিশেষ গুরুত্ব না দিয়ে নিজের গ্ল্যামার ও আভিজাত্য বজায় রেখেছেন।
অদিতির জীবনের ‘আসল মালিক’ ও স্বামী সিদ্ধার্থের রসিকতা
অভিনেতা সিদ্ধার্থের সঙ্গে ঘর বাঁধার পর ব্যক্তিগত জীবনেও বেশ সুখী অদিতি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী তাঁর দুই পোষ্য পার্সিয়ান বিড়াল— ইগি ও অলির প্রতি তাঁর গভীর স্নেহের কথা জানান। অভিনেত্রী রসিকতা করে বলেন যে, তাঁর মুখের গড়ন নাকি অনেকটাই বিড়ালের মতো।
অদিতির এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে স্বামী সিদ্ধার্থ নারায়ণ এক মজার প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। তিনি বলেন:
- অদিতির মুখের গড়ন মোটেই বিড়ালের মতো নয়।
- সিদ্ধার্থের মতে, অদিতি অনেকটা ‘গোল্ডেন রিট্রিভার’ (এক বিশেষ প্রজাতির কুকুর)-এর মতো, যাকে সারাক্ষণ বিনোদন দিতে হয় বা যে সর্বদা ইতিবাচক শক্তি ছড়িয়ে দেয়।
বিড়াল-প্রেম ও জীবনদর্শন
স্বামীর এই খুনসুটি সত্ত্বেও অদিতির বিড়াল-প্রীতি অটুট। তাঁর মতে, বিড়ালের ভালোবাসা অর্জন করে নিতে হয়। অদিতির কথায়, “বিড়ালরা কখনো আগ বাড়িয়ে বিরক্ত করে না, তাদের এই বৈশিষ্ট্যটি আমার অসাধারণ লাগে এবং এখান থেকে অনেক কিছু শেখার আছে।” কাজের চাপে পোষ্যদের বাড়িতে রেখে গেলে তিনি প্রায়ই এক ধরনের অপরাধবোধে (guilt) ভোগেন বলেও জানিয়েছেন অভিনেত্রী।
আপাতত কাজ এবং পোষ্যদের নিয়ে অদিতির এই ঘরোয়া ও পেশাদার জীবনের রসায়ন ভক্তদের বেশ নজরে কেড়েছে। বিনোদন জগৎ থেকে ব্যক্তিগত জীবনের খুনসুটি— সব মিলিয়েই এখন খবরের শিরোনামে এই ‘হীরামন্ডি’ তারকা।

