ডাক্তার বিধানচন্দ্র রায় ও ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর সম্পর্ক

তখন যোগমায়া দেবীর বয়স ৮২ বছর; যোগমায়া দেবী স্যার আশুতোষ মুখার্জীর সহধর্মিণী, ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর বৃদ্ধা মা। ১৯৫৩ সালের ২৪ শে জুন সকালে তিনি খবর পেয়েছেন আগের দিন তাঁর প্রিয়তম পুত্র কাশ্মীরে ‘এক বিধান এক প্রধান এক নিশান’-এর জন্য আন্দোলন করতে গিয়ে বন্দীদশায় বিনা চিকিৎসায় মারা গেছেন। শোকে একেবারে ভেঙ্গেRead More →

শ্যামাপ্রসাদের সম্পর্কে অধ্যাপক হরিপদ ভারতী।

আজ ( ২৮ শে জুন ) অধ্যাপক হরিপদ ভারতীর জন্মদিন। তিনি ভারতীয় জনতা পার্টির, পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশের প্রথম সভাপতি ছিলেন৷ ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় (Dr. Shyamaprasad Mukherjee) প্রতিষ্ঠিত ‘ভারতীয় জনসঙ্ঘ’-এ যোগদান করেছিলেন, তাই পরবর্তীকালে ‘ভারতীয় জনতা পার্টি‘ হল। তাঁর জন্মদিনে শ্রদ্ধার্ঘ্য জানাচ্ছি তাঁরই লেখনি থেকে। শ্যামাপ্রসাদ সম্পর্কে শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি একটি প্রবন্ধRead More →

জেনে নিন অধ্যাপক হরিপদ ভারতীর পরিচয়

(প্রবন্ধের সঙ্গে ছবিটি এঁকেছেন শ্রী শীর্ষ আচার্য)আজ ২৮ শে জুন বিশিষ্ট বিদ্যাবিদ ও বিজেপি, পশ্চিমবঙ্গ ইউনিটের প্রথম রাজ্য সভাপতি অধ্যাপক হরিপদ ভারতীর (Haripada Bharati) (২৮শে জুন, ১৯২০ — ১৯ মার্চ, ১৯৮২) জন্মদিন। অধ্যাপক হরিপদ ভারতী ১৯৭৭ সালে জনতা পার্টির প্রার্থী হিসাবে অধুনালুপ্ত জোড়াবাগান বিধানসভা ক্ষেত্রে লড়াই করে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সিপিএমেরRead More →

অধ্যাপক হরিপদ ভারতী ছিলেন ভারতীয় জনতা পার্টির সম্পদ।

২৮ শে জুন বিশিষ্ট বিদ্যাবিদ ও বিজেপি, পশ্চিমবঙ্গ ইউনিটের প্রথম রাজ্য সভাপতি অধ্যাপক হরিপদ ভারতীর (Haripada Bharati) (২৮শে জুন, ১৯২০ — ১৯ মার্চ, ১৯৮২) জন্মদিন। আমরা ছোটোবেলায় উনাকে বিশিষ্ট চিন্তাবিদ বলে জানতাম, তখন আমি নিতান্তই ছোটো। বাবার কাছে জেনেছিলাম, উনার মত বিদ্বজ্জনকে রাজ্যের সাধারণ মানুষ অন্তর থেকেই শ্রদ্ধা করতেন। রাজনীতিরRead More →

অধ্যাপক হরিপদ ভারতী জরুরি অবস্থায় কারারুদ্ধ হয়েছিলেন।

অধ্যাপক হরিপদ ভারতী (Haripada Bharati) (২৮ জুন, ১৯২০ — ১৯ মার্চ, ১৯৮২) ছিলেন ভারতীয় জনসঙ্ঘের এক প্রথিতযশা নেতা, সুবক্তা এবং আদ্যন্ত পণ্ডিত এক ব্যক্তি। জনতা পার্টির সদস্য হিসাবে ১৯৭৭ সালে তিনি বিধায়ক নির্বাচিত হন। আমৃত্যু তিনি বিধায়ক ছিলেন।জরুরী অবস্থার সময় (১৯৭৫ সালের ২৭ শে জুন) তিনি ‘মিসা আইনে’ কারারুদ্ধ হন।Read More →

ধর্ম মানুষের মজ্জাগত ব্যাপার,’ইজম্’ সচেতন মনের আমদানি

১৯৬২ সাল, ভারত-চীন যুদ্ধ (২০ অক্টোবর — ২১ নভেম্বর)-এর কাছাকাছি সময়। ত্রিভুবন নারায়ণ সিং (Narayan Singh) -এর সঙ্গে জহরলাল নেহেরু (Jaharlal Nehru) -র একটি কথোপকথনের কথা বলছেন দত্তপন্থ ঠেংড়ীজী। টি. এন. সিং উত্তর প্রদেশের মানুষ; পরে সেখানকার মুখ্যমন্ত্রী (১৮ ই অক্টোবর, ১৯৭০ — ৪ ঠা এপ্রিল, ১৯৭১) এবং তারও পরেRead More →

অরণ্য ষষ্ঠীর দিনটিই জামাই ষষ্ঠী

জ্যৈষ্ঠ্যমাসের শুক্লা ষষ্ঠীর দিনটিতে পালিত হয় আরণ্যক জীবনাভিজ্ঞতার এক অপরূপ কৃত্য ‘অরণ্যষষ্ঠী’। দিনটি জামাইষষ্ঠী, বাঁটাষষ্ঠী বা স্কন্দষষ্ঠী নামেও অভিহিত। অরণ্যের সঙ্গে এই দিনটি সম্পৃক্ত, সম্ভবত অরণ্য-কেন্দ্রিক সভ্যতার সঙ্গে মানুষের হারানো যোগসূত্রের সাক্ষ্য-বহনকারী একটি পার্বণ। যখন অরণ্য-মাতাই ছিলেন মানুষের বেঁচে থাকার যাবতীয় রসদদার। মানুষ যে যুগ থেকে খাদ্য-বস্ত্র-বাসস্থান-ভেষজের জন্য নির্ভর করতোRead More →

সংগঠন কাকে বলে? সাংগঠনিক বল, কার্যকর্তা নির্মাণ কী করে হয়?

যৌবন বয়সে দত্তপন্থ ঠেংড়ীজী গাঁয়ের কয়েক বন্ধু মিলে এক কৃতবিদ্য গুরুজির কাছে কুস্তি, লড়াই আর লাঠিখেলা শিখতে যেতেন। আখড়াটি পারিপার্শ্বিক অঞ্চলে খুবই বিখ্যাত ছিল। অতি দ্রুত তারা খুবই পারদর্শী হয়ে উঠেছিলেন শরীরচর্চার নানান আঙ্গিকে। কিন্তু প্রতিদিন ফেরার সময় তারা লড়াইয়ের পোষাক পরে, ঢিণ্ডোরা পেটাতে পেটাতে, সোজা পথের বদলে আশেপাশের গ্রামRead More →

নারদের কাছ থেকে সমুদ্র-মন্থনের সংবাদ পান মহাদেব

“হাটের লোকের পায়ে-চলা রাস্তার বাইরে আমাদের পা সরতে ভরসা পায় না বলেই আমাদের দেশে স্টাইলের এত অনাদর। দক্ষযজ্ঞের গল্পে এই কথাটির পৌরাণিক ব্যাখ্যা মেলে। ইন্দ্র চন্দ্র বরুণ একেবারে স্বর্গের ফ্যাশানদুরস্ত দেবতা, যাজ্ঞিক মহলে তাঁদের নিমন্ত্রণও জুটত। শিবের ছিল স্টাইল, এত ওরিজিন্যাল যে মন্ত্র-পড়া যজমানেরা তাঁকে হব্যকব্য দেওয়াটা বে-দস্তুর বলে জানত।”Read More →

করোনা-পরিদৃশ্য সময়ের জনজীবন ও পরিবেশ: দেশবাসীর ভূমিকা

গত ২৬ শে এপ্রিল, অক্ষয় তৃতীয়ার দিন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সরসঙ্ঘচালক ডাক্তার মোহনজী ভাগবত (Mohan ji Bhagwat) ‘বর্তমান পরিদৃশ্য এবং হমারী ভূমিকা‘ শীর্ষক যে ভাষণ দেন, তার অন্তর্গত পরিবেশ-সচেতনতার বিষয়ে যা যা বলেছেন, তার প্রেক্ষিতেই প্রস্তুত আলোচনা এবং বিচার বিশ্লেষণ। মোহনজীকে বরাবরই তাঁর ভাষণে ভারতীয় সংস্কৃতির নানান প্রেক্ষিত তুলে ধরতেRead More →