ইংরেজিতে পদবীর বানান লিখতেন Sircar। খ্যাতনামা ডাক্তার ছিলেন, ছিলেন শিক্ষাবিদ৷ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসাবেও তাঁর অধিষ্ঠান (১৯১৯-১৯২১), শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর সঙ্গেও ছিল ঘনিষ্ঠতা। একসময় কলকাতার একটি স্কুলে শিক্ষকতা করেছিলেন, সেই স্কুলে সহকর্মী হিসাবে পেয়েছিলেন নরেন্দ্রনাথ দত্তকে, পরে যিনি স্বামী বিবেকানন্দ। তাঁর মৃত্যুর (১৮/০৫/১৯৪৩) কয়েক বছর পর ১৯৪৮ সালে তাঁর নামে NRSRead More →

আজ ১৭ ই মে নারদ-জয়ন্তী । সাংবাদিক হিসাবে বিশ্বের কাছে প্রথম উপস্থাপন দেবর্ষি নারদ। আজ যখন সাংবাদিকতার পেশা ক্রমেই নিজেকে অসম্মানিত করে চলছে, ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়া ক্রমেই অনৈতিক অর্থের কাছে বিকিয়ে যাচ্ছে, সাংবাদিকরা নিজেদের কর্তব্য থেকে বিরত হয়ে অশুভ শক্তির পদলেহন করে চলেছে, তখন নিরপেক্ষ নারদের ভূমিকা বারে বারেRead More →

মাতৃস্নেহের কী কোনো বিকল্প হয়? জগতের এ এক আশ্চর্য মহাভাব। শিশুর যাবতীয় ব্যাধির মহৌষধ মা, যেন অব্যর্থ মকরধ্বজ। “কুপুত্র যদি বা হয় — কুমাতা কখন নয়।” মাতৃত্বের প্রকাশ যত, অপ্রকাশ তার চেয়ে বহু গুণ। শৈশবে আমরা কেবলই মাকে খুঁজি, তার আঁচলে লুকোই। যখন যৌবনের জটিলতায় পা বাড়াই তখন সেই সহজাতRead More →

শ্রীরামকৃষ্ণ-সত্তায় অর্ধেক রাম, অর্ধেক কৃষ্ণ; ইদানীং তিনি রামকৃষ্ণ। একইদেহে রাম আর কৃষ্ণ সুমধুর; একতারাতে দোঁহে বাঁধা। অথচ অবতার-বরিষ্ঠ শ্রীরামকৃষ্ণ-র পরিচিতির মধ্যে বাংলার বুধজন যেভাবে তাঁর শ্রীরাম সত্তাকে, শ্রীরাম-সাধনাকে লুকিয়ে রাখতে চান, তার মধ্যে অনৈতিক উদ্দেশ্যই কাজ করে। সুযোগসন্ধানী মানুষ তো বলেই বসেন, বাংলায় শ্রীরাম-সাধনা একেবারেই অপ্রচলিত, একটি রাজনৈতিক দলই তারRead More →

আমাদের ভারত, ২০ এপ্রিল: শ্রীরামকৃষ্ণ-পার্ষদ স্বামী অখণ্ডানন্দজী মহারাজ মুর্শিদাবাদ জেলার মহুলা-সারগাছিতে ১৩০৩ বঙ্গাব্দের (১৮৯৭ সালে) অন্নপূর্ণা পূজার দিন সেবাধর্মের সূত্রপাত করেন। তাঁর প্রতিষ্ঠিত সারগাছি রামকৃষ্ণ মিশন বেলুড়ের অধীন প্রথম শাখা কেন্দ্র। কয়েকটি অনাথ বালকে নিয়ে আশ্রমের কাজ শুরু করলেন তিনি। একটি চিঠিতে স্বামী বিরজানন্দকে তিনি লিখছেন, “১৩০৩ সালের শুভ অন্নপূর্ণাRead More →

আমাদের ভারত, ২২ মার্চ: জল তো অনেক, পানীয়জল কই? ইংরেজ কবি Samuel Taylor Coleridge ১৭৯৭-৯৮-এ ‘The Rime of the Ancient Mariner’ কাব্যে লিখছেন, “Water, water, everywhere /Nor any drop to drink.” ঠিক ১০০ বছর বাদে ২৯ আগষ্ট, ১৮৯৭ সালে ওড়িশার আলভা খালে বজরায় বসে রবীন্দ্রনাথ লিখছেন, ‘দেবতার গ্রাস’ কবিতাখানি, “জলRead More →

যে দিনটিকে আমরা জামাই ষষ্ঠী, বাঁটাষষ্ঠী বা স্কন্দষষ্ঠী নামে জানি, তারই আরেক নাম ‘অরণ্য ষষ্ঠী’। এটি একটি নারীব্রত। জ্যৈষ্ঠ্যমাসের শুক্লা ষষ্ঠীতে পালিত হয় এই ব্রত। আরণ্যক জীবনাভিজ্ঞতার এক প্রাচীন স্মৃতি এর মধ্যে লুকিয়ে আছে। অরণ্যের সঙ্গে এই দিনটি যুক্ত, সম্ভবত অরণ্য-কেন্দ্রিক সভ্যতার সঙ্গে মানুষের হারানো যোগসূত্র। তখন অরণ্য-মাতাই ছিলেন মানুষেরRead More →

কচু:বৈশাখ মাস কচু লাগানোর সময়। ফাল্গুন থেকে জ্যৈষ্ঠমাস পর্যন্ত কচু রোয়া যাবে। কালী, ধলী ভাল জাত। প্রতি বিঘায় বীজ-কচু লাগবে ৭০ থেকে ১৪০ কেজি। ৬০x৩০ সেন্টিমিটার দূরত্বে কচু লাগাতে হবে। বিঘা প্রতি ১৫, ২৫ এবং ৭ কেজি করে ইউরিয়া, সিঙ্গল সুপার ফসফেট এবং মিউরিয়েট অব পটাশ প্রাথমিক সার হিসাবে দিন।Read More →

“ফাগুনে আগুন/চৈতে মাটি/বাঁশ বলে শীঘ্র উঠি।” গ্রাম বাংলার একটি পরিচিত কৃত্য হল বাঁশ বাগানের মেঝেতে ফাগুনমাসের সন্ধ্যায় অগ্নিসংযোগ। শীতকাল থেকেই বাঁশঝাড়ের তলায় পুরু হয়ে থাকে পাতার রাশি। বাঁশবাগানে হাঁটলে পা দেবে যায়। তারই মধ্যেই খসখস আওয়াজ তুলে হেঁটে চলতে খুব পছন্দ করতাম। মা বলতেন, “ওদিকে যাস নে, চন্দ্রবোড়া সাপ থাকে।”Read More →

বিশ্ব সৃষ্টিতে নারী আর পুরুষের সমান হস্তক্ষেপ। ‘নারী’ কবিতায় কাজী নজরুল ইসলাম লিখছেন, “বিশ্বের যা কিছু মহান/সৃষ্টি চির কল্যাণকর / অর্ধেক তার করিয়াছে নারী/ অর্ধেক তার নর।” অপরদিকে ‘মানসী’ কবিতায় রবীন্দ্রনাথ লিখছেন, “শুধু বিধাতার সৃষ্টি নহ তুমি নারী –/ পুরুষ গড়েছে তোরে সৌন্দর্য সঞ্চারি/ আপন অন্তর হতে।” কবিতার শেষে গিয়েRead More →