সন্তানের মুখই দেখতে পাননি শহীদ সুখদয়াল! গুলি লাগার পরেও, জঙ্গিকে খতম করেছিলেন তিনি

আমাদের সুরক্ষার জন্য ভারতীয় সেনার (Indian army) এক জওয়ান নিজের জীবন বিপন্ন করে দেওয়ার জন্য একবারও ভাবেনা। ওনার চলে যাওয়ার পর ওনার কাহিনী আমাদের মধ্যে থেকে যায়, আর সেটা শুনেই আমরা অনুপ্রেরণা পাই। আজ আমরা দেশের এক বীর জওয়ান শহীদ সুখদয়ালের (Sukhdayal Singh) কাহিনী আপনাদের জানাবো।

২০১৭ এর অগস্ট মাসে শহীদ হওয়ার একমাস আগেই পুত্র সন্মানের জন্ম হয়েছিল। কিন্তু শহীদ জওয়ান তাঁর পুত্র সন্তানের মুখ না দেখেই বীরগতি প্রাপ্ত করেন। ১৯ আগস্ট এর দিনে জম্মু কাশ্মীরের জঙ্গি অনুপ্রবেশ রুখতে গিয়ে পাঠানকোট জেলার সমরালা গ্রামের বীর যোদ্ধা সুখদয়াল সিং গুরুতর আহত হন, এবং মিলিটারি হাসপাতালে চিকিৎসার সময় তিনি মারা যান।

২৬ বছর বয়সী শহীদ সুখদয়াল সিং ২০১৩ সালে ভারতীয় সেনায় যোগ দেন। তিনি ২৮ ন্যাশানাল রাইফেলসে সিপাহী এর মর্যাদা পান। ডিসেম্বর ২০১৬ আলে সুখদয়ালের বিয়ে পল্লবীর সাথে হয়। সুখদয়ালের পরিবার অনুযায়ী, একমাস আগেই এক পুত্র সন্তানের জন্ম দিয়েছিল পল্লবী। কিন্তু সুখদয়াল তাঁর সদ্যজাত সন্তানের মুখ না দেখেই শহীদ হয়ে যান।

শহীদ জওয়ানের মা জানান, সুখদয়াল দেড় মাস আগেই ছুটিতে এসেছিল, আর তাঁর যাওয়ার চারদিন পরেই পুত্র সন্তানের জন্ম হয়। কিন্তু আমরা কেউ ভাবতে পারিনি যে, সুখদয়াল নিজের ছেলের মুখ দেখতে পারবে না।

শহীদ জওয়ানের মা জানান, তাঁর ছোট ছেলে সুখদয়াল ছোট বেলা থেকেয় ভারতীয় সেনায় যোগ দিতে চেয়েছিল। সে ছোট থেকেই বলত সেনা যোগ দিয়ে আমি দেশের সেবা করবো, আর শত্রুদের খতম করব। সে চরম পরিশ্রম করে, আর সেনাতে ভর্তি হয়ে যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.