যৌন নিগ্রহে অতুলনীয় পশ্চিমবঙ্গ – ৪ (অন্তিম পর্ব)

তৃতীয় পর্বের পর

লাভ জেহাদ। শব্দটা যখন প্রথমবার শুনি বেশ বিরক্তিকর মনে হয়েছিল। একে তো ইংরেজীর সঙ্গে আরবীর বকচ্ছপ দ্বারা হিন্দু সমাজের সংকট বোঝানোর প্রয়াস এবং দ্বিতীয়ত মেয়েদের বিয়ের ওপর পুরুষতান্ত্রিক খবরদারি। মেয়েরা যখন পরের সম্পত্তি তখন মেয়ে অন্য ধর্মে বা জাতে বিয়ে করলে এত হায় হায় কেন? আসলে সবাই জানে মেয়েরাই মূল স্রষ্টা, বংশগতির ধারক ও বাহক, প্রজাতির সৃষ্টি ও লয় তাদের থাকা না থাকার ওপর নির্ভরশীল। তাই তাদের দখলে রাখতে হবে। সেজন্যই প্রতিযোগিতায় হেরে গিয়ে মেয়েদের জীবনসঙ্গী চয়ন করার স্বাধীনতা খর্ব করতে ‘লাভ জেহাদ’তত্ত্ব আমদানি, যাতে প্রতিপক্ষের দল ভারি হয়ে নিজেরা সংখ্যাগুরুত্ব না হারায়। ব্যাপারটাকে অনার কিলিং জাতীয় মনোভাব থেকে আলাদা করে দেখিনি।

কেন শুধু মেয়েদের বিয়ে ও ধর্মান্তরণ নিয়ে এত চিন্তা, মেয়েদের যেখানে পৌরোহিত্যসহ অনেক ধর্মীয় অধিকার নেই? বিষয়টা গভীর অনুধাবনের। ‘অনুলোম’ বিবাহ অর্থাৎ উচ্চবর্ণের পুত্রের সঙ্গে নিম্নবর্ণের কন্যার বিয়েতে শাস্ত্রে বাধা না থাকলেও ‘প্রতিলোম’ বিবাহ বা বিপরীত ক্ষেত্রটি হিন্দু শাস্ত্রে নিষিদ্ধ। জাতপাত বা স্মৃতি শাস্ত্রের নিয়ম-নিষেধ সমর্থন না করলেও এই বিধানকে অনৈতিক বা অযৌক্তিক মনে হয় না। কারণ যার শরীরে সন্তান জন্ম নেয়, যে শরীর থেকে ঋতুমতী অবস্থাতেও কচি নিষ্পাপ পবিত্র শিশু দুধ পান করে পুষ্টি সংগ্রহ করতে পারে, সে স্বততঃই পবিত্র, উচ্চাসীন; নিম্নবর্ণের হলেও সে উচ্চবর্ণের পুরুষের সঙ্গে এক পংক্তিতে বসতে পারে। অন্যদিকে পুরুষদের সন্তান উৎপাদনে ভূমিকাও পরোক্ষ, আর যতই সোনার আংটির সঙ্গে তুলনা করা হোক, মনের গভীরে স্বেদগন্ধ শ্মশ্রু-গুম্ফ সমন্বিত প্রাণীটিকে নিজের প্রবৃত্তির কারণেই ততটা পবিত্র মনে হয় না। সুস্থ গার্হস্থ্যে তাই গর্ভবতী স্ত্রী বা স্তন্যদায়ী প্রসবিনীর সঙ্গেও সঙ্গম এড়িয়ে যাওয়া কর্তব্য, কারণ শুক্রের দ্বারা ভ্রূণ ও দুগ্ধ কলুষিত হতে পারে – এই বিশ্বাস প্রাচীন যুগ থেকেই ছিল। বাস্তবে সমাজের যত রাজ্যের নিঘিন্নে বিধান মেয়েদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হলেও শাস্ত্র প্রণেতা বিশেষত চিকিৎসা ও বিজ্ঞান শাস্ত্রের প্রণেতারা অন্তর থেকে উপলব্ধি করেছিলেন নারী নামক জননাধারটিকে নিষ্কলুষ রাখতে হবে। অথচ পুরুষদের সুবিধার জন্য তাকে সম্প্রদানযোগ্য সামগ্রী বানানো হয়েছে, স্বামীর উচ্ছিষ্ট খাওয়ার নিয়ম প্রবর্তন করা হয়েছে, আবার আচার বিচার পালন করে সংসারের পবিত্রতা রক্ষার দায়টাও তারই কাঁধে সমর্পিত। তাই প্রকৃতির নিয়মের বিরুদ্ধাচারণ করে কন্যাকে পরের বাড়ি পাঠালেও তাকে তার সমতুল্য বা উচ্চতর শ্রেণীর পাত্রস্থ করা শাস্ত্রীয় বিধান। নতুবা বাড়ি থেকে যা দূর করা হচ্ছে তা আস্তাকুঁড়ে যাচ্ছে না অট্টালিকায়, তাই নিয়ে পিতৃকুলের এত মাথাব্যথা থাকত না। কিন্তু প্রতিলোম সম্পর্কে কন্যা একবার আস্তাকুঁড়ে পড়লে সে পরিত্যাজ্য হয়ে যায়, আর ঠাকুরঘর বা হেঁসেলে স্থান হয় না।

এই অনুলোম প্রতিলোমের ধারণা বিপরীত মেরুর সম্প্রদায়ের মধ্যেও বিস্তর বিদ্যমান। তাদের কাছে হিসাবটা খুব সহজ – সন্তান উৎপাদনের জমি দখল এবং তার সর্বাধিক বা নিদেনপক্ষে অপটিমাম ব্যবহার। ফল দেবে এমন বৃক্ষ পরের বাগানে চলে গেলে লোকসান – মানে প্রতিলোম, আর ফলনশীল গাছ নিজের বাগানে লাগাতে পারলে লাভ – মানে অনুলোম। এই হিসাব কষেই তারা অন্য সমাজের নারী মৃগয়ায় যেমন উৎসুক, নিজের সমাজের মেয়েদের দখলে রাখতে ততটাই কট্টর ও মরিয়া, যার জেরে মুসলিম মেয়ের হিন্দু প্রেমিককে মেয়ের বাড়ির হাতে নৃশংসভাবে প্রাণও দিতে হয়েছে। ওদের কাছে বিধর্মীরা মোটেই অস্পৃশ্য নয়। কলমা পড়ে মহম্মদকে আল্লা প্রেরিত একমাত্র রসুল মানার অঙ্গীকার করে নিলে এবং সেই সঙ্গে বিধর্মী নিজের বিশ্বাস ও সমাজের সঙ্গে বেইমানি করতে রাজি হলেই ‌পাক বা পবিত্র হয়ে যায়। তাই মুসলিমদের ক্ষেত্রে বিয়ে যেখানে একটা আইনি চুক্তি, সেখানে মুসলিম মেয়েদের অমুসলিম ছেলেকে বিয়ে করার অনুমতি নেই, অথচ মুসলমান পুরুষরা কেতাব অনুসারী (“People of the Book”) যার মানে দাঁড়ায় খ্রিস্টান ও ইহুদিদের বিয়ে করতে পারে। তবে এই অনুবিধিকে সম্প্রসারিত করে হিন্দু নারী মৃগয়াও তাদের মধ্যে শুধু বৈধতা নয় যথেষ্ট জনপ্রিয়তা পেয়ে এসেছে। পাকাপোক্ত জরায়ু দখলের বন্দোবস্ত।

শুচি অশুচির বিচার থেকেই হিন্দু পুরুষরা প্রাচীন ও মধ্যযুগে অন্য সম্প্রদায়ের নারীদের দিকে হাত বাড়াত না, আর নিজেদের নারীরা অন্য সম্প্রদায়ে চলে গেলে আর ফিরে পেতেও অরুচি বোধ করত। এইভাবে এক সময় হিন্দু সমাজের প্রচুর লোকক্ষয় হওয়ার পর ছুৎমার্গ সরে গিয়ে কিছুটা উদারতা এসেছে। আর উদারতা অর্থাৎ পবিত্রতা নিয়ে নিজেদের সংস্কার বিসর্জন দিতে গিয়ে বিকারগ্রস্ত শত্রুদের প্রভাবে হিন্দু সমাজেও ধর্ষক কিছু কিছু তৈরি হয়েছে। নতুবা এই জাতীয় শব্দ মধ্যযুগে আরব তুর্কী বর্বরদের আগমনের আগে ভারতবাসীর অভিধানে ছিলই না। দাম্পত্যে বলপ্রয়োগের ব্যবস্থা থেকে থাকলেও তাকে এই বলাৎকারের আওতায় আনা যায় না।

অন্য দিকে এইসব শৌখিন মূল্যবোধ থেকে মুক্ত ইসলাম জন্মলগ্ন থেকেই সাম্প্রদায়িক সম্প্রসারণ করে সবাইকে একই মতবাদের ছত্রছায়ায় আনার তাগিদে যেকোনও কৌশল প্রয়োগ করতে সচেষ্ট। সেই চেষ্টা আগেও হয়েছে, এখনও হচ্ছে রীতিমতো পরিকল্পনা মাফিক। এর জন্য ওদের আন্তর্জাতিক চক্র আছে। রীতিমতো প্রশিক্ষণ পেয়ে তারা কখনও হিংস্রতা ও দরকারে ভদ্র ব্যবহারের আল তাকিয়া দ্বারা গাছের ও তলার দু জায়গা থেকেই ফল আহরণ করে চলেছে। বেশ কিছু দিন আগে কয়েকটি ভিডিও ও কেস দেখে মনে হয়েছিল এই দেশের কিছু রাজনৈতিক দল ও তাদের পরিচালিত সরকারও এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত। নতুবা পশ্চিমবঙ্গে মুসলিম যুবকের সঙ্গে ‘‌স্বেচ্ছায়’ টাকা পয়সা কম্পিউটার নিয়ে পালানো হিন্দু স্কুলের ছাত্রী কখনও তার বাবাকে ‌কন্যাশ্রী প্রকল্পের টাকায় কম্পিউটর কিনেছে বলে দাবি করে নিজের অধঃপতনের সিদ্ধান্তে অনড় থাকতে পারত না। প্রেম বা বিয়ে করে কী ভয়াবহ পরিণতি হচ্ছে একের পর এক তা দেখেও হিন্দু মেয়েদের পিঁপড়ের মতো পাখা গজাচ্ছে, তা হতে পারে না। বহু ক্ষেত্রেই ছেলেরা নিজের সম্প্রদায়গত পরিচয় গোপন করে সম্পর্ক এত দূর পর্যন্ত নিয়ে যাচ্ছে যেখান থেকে একটি মেয়ের পক্ষে ফেরা সম্ভব হয় না, আর ফিরতে চাইলেও প্রাণ নিয়ে ফিরতে পারে না। যারা প্রত্যাখ্যান করে তাদের অ্যাসিডে ঝলসে যাওয়া থেকে গণধর্ষণের পর ছিন্নভিন্ন হয়ে যাওয়ার মতো যে পরিণতি হয় তা আমরা দেখেও দেখি না। অর্থাৎ ওদের বিশ্বাস করে ভালোবাসলেও আজীবন দাসত্ব, নয় নারকীয় মৃত্যু, আবার এড়াতে চাইলেও একই পরিণতি।

অন্যদিকে মহামারীর মতো ইসলামে ধর্মান্তরণ ছড়িয়ে পড়ছে হিন্দু ছেলেছোকরাদের মধ্যেও, বিশেষত প্রতিবেশী বাংলাদেশে। ইসলাম কবুল না করে জীবন্ত দগ্ধ হওয়ার চেয়ে কবুল করে পাপবোধ ছাড়াই এন্তার ইন্দ্রিয় সুখ ভোগ করার লাইসেন্স পাওয়া নিশ্চয়ই বেশি আকর্ষণীয়। একবার ঐ আসমানী কিতাবের অনুসারী হলে খুন, ধর্ষণ, লুঠপাট যৌনদাসী রাখা, নিজের বোন এমনকি কন্যাকে সম্ভোগ করার মতো ঘৃণ্য কাজগুলোও আর অপরাধ থাকবে না, যথেচ্ছ ব্যাভিচারই ধর্মাচরণের স্বীকৃতি পেয়ে যাবে। কিন্তু হিন্দু থাকলে কোনও পন্থ অবলম্বন করেই রক্ষা পাওয়া যাচ্ছে না।

চরম অনৈতিক ও কদর্য মতাদর্শে বলীয়ান হয়ে এই অতি সুসংগঠিত জেহাদী আগ্রাসনকে প্রতিরোধ করতে হলে হিন্দুদের যতখানি সংগঠিত হওয়া দরকার, সেই একতা তাদের নেই।এই পতন ও ভাঙন আটকানোর সদর্থক চেষ্টা যেমন সমাজে চলছে তেমনি স্বঘোষিত কিছু মাতব্বর মেয়েরা আলতা শাঁখা সিঁদুরে সাজল কি সাজল না (অবিবাহিত বা বিধবাদের ক্ষেত্রে কী বিধান কে জানে), ব্লাউজের পিঠ কতটা কাটা, কে কোন দেবতাকে আদর্শ মনে করে অথবা করে না– ইত্যাদি নিয়ে খাপ বসিয়ে নিজেদের সমাজকেই আরও দুর্বল করে দিচ্ছে। এই জবরদস্তি মাতব্বরিও আদতে ইসলাম প্রতিবেশেরই কুফল। অথচ এই বীর পুংগবরা নিজেদের আদর্শ সম্বল করে জোট বাঁধতে জানে না অতীতে যার পরিচয় একাধিকবার হিন্দুরা রেখেছে; হেরে গিয়েছে শুধু বিজিত শত্রুকে ক্ষমা করার মাসুল দিয়ে ও ছল চাতুরি অবলম্বন না করায়। আজকের পর্নো আসক্ত আত্মকেন্দ্রিক হিন্দু যুবকরা একটিও শত্রুকে দমন করার হিম্মত রাখে না, কিন্তু শ্রীকৃষ্ণের চরিত্র শুদ্ধির জন্য রাধারাণীকে নবাবী হারেমের প্রোডাক্ট বা বৈষ্ণবীয়  ষড়যন্ত্র বলে নিজেদেরই বিশ্বাসকে অপমান করতে পারে। হিংস্র নেকড়েদের কাছ থেকে ultra male chauvinismএর শিক্ষা নিয়ে সমাজ ও প্রজাতির বংশগতির মূল ধারক ও বাহক নারীদের রক্ষা করার বদলে তাদের আরও দমন পীড়ন করার প্রতিযোগিতায় মুসলিমদের সঙ্গে পাল্লা দেয়।

                লাভ জেহাদ ওরফে প্রতারণা জেহাদ বা সোজাসুজি ধর্ষণ জেহাদের আন্তর্জাতিক চক্রের সঙ্গে সত্যি বলতে কী, ব্যক্তিবিশেষের পক্ষে পাল্লা দেওয়া সম্ভব নয়, ক্ষুদ্র সংগঠনগুলোর পক্ষেও সম্ভব নয়। পশ্চিমবঙ্গে হিন্দু বাঙালীদের মধ্যে বিপ্লবী দল গড়ে তোলার মতো মেরুদণ্ডও আর অবশিষ্ট নেই, যেটার খুব দরকার ছিল। সেটা আবার গড়ে উঠলেও নিজের দেশবাসীকে রক্ষা করাই তাদের উদ্দেশ্য হত, ইসলামি জঙ্গী সংগঠনগুলোর মতো এলোপাতাড়ি ধর্ষণ করার মতো কাজটা সহজ হত না। সুতরাং এই বিপুল আর্থিক সামরিক ও প্রাশিক্ষণিক মদতপুষ্ট চক্র যা দেশেরই একাংশের কাছ থেকে বৌদ্ধিক ও নৈতিক সহযোগিতাও পেয়ে যাচ্ছে, তার করাল থাবা থেকে দেশবাসীকে বাঁচাতে গেলে দেশের সরকারকেই দৃঢ় পদক্ষেপ নিতে হবে। 

                পরিশেষে জানাই লাভ জেহাদ শব্দটা নাগপুরে সঙ্ঘের হেসেলে রান্না করা হয়নি। Chicago Tribune, Foreign Policy-র প্রতিনিধি ১৯৪৭-এ ভারত ভাগের সময় দাঙ্গা পরিস্থিতিতেও উদ্ভূত হয়েছিল বলে মত প্রকাশ করেছেন। ২০০৯ সালে কেরালায় ও কর্ণাটকের মাঙ্গালোর উপকূলে ব্যাপক ধর্মান্তকরণের ফলে প্রথম এই লাভ জেহাদ শব্দটি খবরে উঠে আসে। কেরালার ক্যাথলিক চার্চ বিশপ দাবি করেন ৪৫০০ খ্রিস্টান মেয়েকে ধর্মান্তরণের জন্য লক্ষ্য স্থির করা হয়। আর ‘হিন্দু জনজাগৃতি মঞ্চ’ জানাচ্ছে শুধু কর্ণাটকেই ৩০,০০০ হিন্দু মেয়েকে ইসলামে রূপান্তরিত করে ফেলা হয়। শ্রী নারায়ণ ধর্ম পরিপালনের জেনারেল সেক্রেটারিও জানিয়েছিলেন এইভাবে ছলেবলে কৌশলে অন্য সম্প্রদায়ের মেয়েদের মুসলিম বানানোর প্রক্রিয়ার কথা। ব্যাপারটা পাকিস্তান তো বটেই সংযুক্ত রাজ্য তথা ব্রিটেনেও বেশ চালু।  উদার রাজনৈতিক ব্লগার Sunny Hundal বলেছেন, “In the 90s, an anonymous leaflet (suspected to be by Hizb ut-Tahrir followers) urged Muslim men to seduce Sikh girls to convert them to Islam.” এরপর শিখরা নড়েচড়ে বসে। আর তারপরেও যদি হিন্দুদের পরামর্শ দেওয়া হয় জেগে ঘুমিয়ে ঘর পোড়ানোর, তাহলে কিছু বলার নেই। ২০১৪ সালে উত্তরপ্রদেশে যোগী আদিত্যনাথ এই ব্যাপারে পদক্ষেপ নিতে চাইলে মিডিয়া ও আদালত যৌথভাবে স্বেচ্ছা প্রেমে ব্যাগড়া দানের অভিযোগে তাঁকে থামিয়ে দেয়। উত্তরপ্রদেশে ২০২০-তে প্রণীত ধর্মান্তরণ বিরোধী আইন প্রশাসনিক পদক্ষেপ হিসাবে খুব গুরুত্বপূর্ণ হলেও মেয়ের প্রতি হিংস্রতা দমনে কতটা সহায়ক হবে এখনই বলা যাচ্ছে না। আর পশ্চিমবঙ্গে যেখানে পঙ্গপালের মতো বাংলাদেশী ও রোহিঙ্গা মুসলিমরা অনুপ্রবেশ করছে আর সেই সঙ্গে ধর্ষণ হত্যা ও ধর্মান্তরণের মড়ক লেগেছে হিন্দু বাঙালীর সমাজে, বঙ্গ বিজেপি ক্ষমতায় এলে সেটাই হবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

  1. Love Jihad https://en.wikipedia.org/wiki/Love_Jihad
  2. Cornell, Vincent J. (2007). Voices of Islam: Voices of life : family, home, and society. Greenwood Publishing Group. p. 61. ISBN 9780275987350. This includes Jew, Christians and Sabeans (a sect that most Muslims believe no longer exists). Zoroastrians, certain types of Hindus, and Buddhists are accepted by some Muslims as ‘People of the Book’ as well, but this is a matter of dispute.
  3. Sarkar, Tanika (1 July 2018). “special guest contribution: is love without borders possible?”. Feminist Review. 119 (1): 7–19. doi:10.1057/s41305-018-0120-0. ISSN 1466-4380. S2CID 149827310.
  4.  Ch; Oct 19, rima Banerjee / TNN /; 2020; Ist, 12:09. “Ram Sene coined ‘love jihad’, but first ‘case’ goes back a century | India News – Times of India”. The Times of India. Retrieved 14 November 2020.
  5. “Beware of ‘love jihad'”. Mathrubhumi. Kochi, Kerala, India: mathrubhumi.org. 15 October 2009. Retrieved 18 October 2009.[dead link]
  6. “Is ‘Love Jihad’ terror’s new mantra?”. Rediff. 14 October 2009. Retrieved 18 April 2014.
  7. “Mangalore: Eight Hindu Organisations to Protest Against ‘Love Jehad'”. Daijiworld.com. 14 October 2009. Retrieved 18 April 2014.
  8. “SNDP to campaign against Love Jihad: Vellappally”. Asianet. 19 October 2009. Archived from the original on 10 March 2012. Retrieved 20 October 2009.
  9. “SNDP to join fight against ‘Love Jihad'”. ExpressBuzz. 19 October 2009. Retrieved 20 October 2009.
  10. Yudhvir Rana (10 January 2011). “‘Not just White girls, Pak Muslim men sexually target Hindu and Sikh girls as well”. The Times of India. Retrieved 18 April 2014.
  11. “Police protect girls forced to convert to Islam”. Thisislondon.co.uk. 22 February 2007. Retrieved 18 April 2014.
  12. Sunny Hundal (3 July 2012). “EDL and Sikh men unite in using women as pawns | Sunny Hundal | Opinion”. The Guardian. Retrieved 12 September 2016.

শ্রীপর্ণা বন্দ্যোপাধ্যায়

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.