প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ‘চৌকিদার’, এমন প্রচার বহু আগে থেকেই করে আসছে বিজেপি। সম্প্রতি লোকসভার আগে ট্যুইটারে নামের আগে ‘চৌকিদার’ জুড়ে দিয়ে প্রচার চালাতে শুরু করেছে বিজেপির নেতা-মন্ত্রী থেকে শুরু করে কর্মী-সমর্থকেরা। ক্যাম্পেনের নাম দেওয়া হয়েছে ‘ম্যায় ভো চৌকিদার।’ এবার আরও একধাপ এগিয়ে ফেসবুকের প্রোফাইল ছবির জন্য বানানো হল নতুন ফ্রেম।

রবিবার সকালেই এমনই একটি ছবি দিয়ে প্রচারের সূচনা করেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। ফেসবুক প্রোফাইলের ছবির জন্য বানানো ওই ফ্রেমে রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ছবি। আর লেখা রয়েছে ‘ম্যায় ভি চৌকিদার।’

এদিন অমিত শাহ ছবিটি পোস্ট করে লিখেছেন, ‘ম্যায় ভো চৌকিদার’ মুভমেন্টে আরও শক্তি জোগাতেই এই ছবি বানিয়েছেন তিনি। মোদীকে সমর্থন জানাতে প্রত্যেককেই এই ফ্রেম ব্যবহার করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

তবে এই ‘চৌকিদার’ মুভমেন্ট নিয়ে বারবার আক্রমণ করেছে বিরোধীরা। এইভাবে সত্যিটাকে চাপা দেওয়া যাবে না বলে উল্লেখ করেছে কংগ্রেস।

তবে বিজেপি ট্যুইটারে এই মুভমেন্ট শুরু করার পর দিন দুয়েকের মধ্যেই ভারতে টপ ট্রেন্ডিং শব্দ হয়ে যায় ‘চৌকিদার৷’ ট্যুইটারে যার সংখ্যা ছাড়িয়ে যায় কয়েক লক্ষ। সোশ্যাল মিডিয়ার যুদ্ধ জয় করে বেশ আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠে গেরুয়া শিবির৷ কারণ তাঁদের ব্যবহার করা চৌকিদার শব্দটি এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় হিট৷

লোকসভা নির্বাচনের আর একমাসও বাকি নেই৷ তার আগে চৌকিদার শব্দে সোশ্যাল মিডিয়া জয়, বিজেপির পালে বেশ কিছুটা হাওয়া দিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে৷

২০১৪ সালে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর দেশের চৌকিদার হিসেবে কাজ করেছেন প্রধানমন্ত্রী, এমনই দাবি তাঁর৷ সেই দাবি নিয়েই ২০১৯ সালে নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে চাইছেন মোদী৷ কংগ্রেসের যাবতীয় ট্রোল উপেক্ষা করেই বিজেপি ভরসা রাখছে চৌকিদার শব্দটির ওপর৷

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.