আজ বিষ্ণুপদী সংক্রান্তি

(বৈশাখ সংক্রান্তি বিষ্ণু উপাসনার একটি অত্যন্ত শুভসময়৷ আমার মা প্রতিবছর এই সংক্রান্তিতে তুলসীতলা নিকিয়ে নিবেদন করেন ভেজানো ছোলা, আখের গুড়, মরশুমি ফল এবং বাতাসা। প্রদীপ জ্বালিয়ে দেন, পাশেই সুগন্ধি ধূপ। ‘হরি বোল, হরি বোল’ ধ্বনিতে পূর্ণ করে তোলেন চারপাশের আবহ। কাঠের বড় থালায় বছরের প্রথম পাকা আম, তরমুজ, ফুটি, কলায়Read More →

সরশুনায় ঘোষবাড়ি কালীমন্দির চত্বরের পরিবেশ ও জৈববৈচিত্র্য

সরশুনায় যাদবচন্দ্র ঘোষ রোডের ধারে অবস্থিত ঘোষ বাড়ির কালীমন্দির। এই ঘোষ বংশেরই পূর্বপুরুষ রায়বাহাদুর ডাক্তার যাদবচন্দ্র ঘোষ (১৮১০-১৮৮৬)। তিনি ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর চিকিৎসক ছিলেন। সাউথ সুবারবান মিউনিসিপ্যালটির ভাইস চেয়ারম্যান পদও অলংকরণ করেছিলেন তিনি। মন্দিরটি ১৩৪৩ বঙ্গাব্দে প্রতিষ্ঠিত। ঘটের পিছনে প্রতিষ্ঠাতা ঘোষ বংশের নরেশ-নলিনী’র নাম (ডা. যাদবচন্দ্র ঘোষের পৌত্র নরেশচন্দ্র ঘোষ ওRead More →

বিশ্ব বসুন্ধরা দিবসে গুজরাটের মিশন লাইফ এক অগ্রণী পদক্ষেপ।।

১৯৭০ সালে ২২ সে এপ্রিল মার্কিন সেনেটর গেলার্ড নেলসন ধরিত্রী দিবস প্রচলন করেন আর তখন থেকে পৃথিবীর অনেক দেশই এই ধরিত্রী দিবস বা বসুন্ধরা দিবস উদযাপন করে আসছে। এই দিবস ১৯৯০ সালে আন্তর্জাতিক ভাবে পালিত হয়েছে। অনুরূপ আরেকটি উৎসব হলো বিশ্ব পরিবেশ দিবস যা ৫ই জুন প্রায় অনেক দেশে জনপ্রিয়Read More →

গঙ্গাধর মহারাজের গঙ্গাপ্রীতি

তিনি শ্রীরামকৃষ্ণ-পার্ষদ স্বামী অভেদানন্দ মহারাজ। স্বামীজী তাঁকে সস্নেহে ‘গ্যাঞ্জেস’ নামে সম্বোধন করতেন। শশী মহারাজ সহ রামকৃষ্ণ সঙ্ঘের প্রাচীন সাধুদের কাছে চিঠিতে নিজের পরিচয়বাচক শব্দবন্ধে লিখতেন, ‘তোমার দাসানুদাস Ganges’. কারণ তাঁর পিতৃদত্ত নাম ছিল গঙ্গাধর গঙ্গোপাধ্যায়। মঠে তিনি ‘গঙ্গাধর মহারাজ’ নামে পরিচিত। তাঁর স্থাপিত রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের প্রথম শাখাকেন্দ্র সারগাছি-মুর্শিদাবাদেরRead More →

গঙ্গার উৎস সন্ধানে কবি হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

[কবি ও স্বদেশপ্রেমিক হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় (১৭ ই এপ্রিল, ১৮৩৮ – ২৪ শে মে, ১৯০৩)-এর গঙ্গা বিষয়ক কয়েকটি কবিতা বিশ্লেষণ করে গঙ্গানদীর সংজ্ঞা-স্বরূপ ও বৈশিষ্ট্য ফুটিয়ে তুলেছেন লেখিকা।] ১. গঙ্গার উৎস সন্ধানেকবি ‘গঙ্গার উৎপত্তি’ শীর্ষক কবিতায় দেখিয়েছেন কীভাবে হিমালয়ের গোমুখ থেকে গঙ্গা তার সহস্র তরঙ্গকে একত্রে মিলিয়ে উৎপন্ন হয়ে এসেছে। হরিদ্বারেRead More →

দেবী অন্নপূর্ণা এবং ভিখারি শিব

শিবের যে দারিদ্র্য, তা আসলে বৈরাগ্যের নামান্তর। তাঁর স্ত্রী স্বয়ং অন্নপূর্ণা, অন্নদাতা, অথচ তিনি ভিখারি। এ এক অভূতপূর্ব বৈপরীত্য! একটা প্রবল প্যারাডক্স, ব্যঞ্জনাধর্মী ব্যাখ্যান। ধন নেই, তা বড় ব্যাপার নয়; ধন মহাদেবের প্রয়োজন নেই। দারিদ্র্যের মধ্যে তো তাঁর অতৃপ্তি নেই! তা বোঝানোর জন্যই তো তিনি শ্মশানচারী! যিনি সিদ্ধিতে নিপুণ, তাঁরRead More →

ভারতকে জগৎসভায় শ্রেষ্ঠ আসনে বসানোর রায় দিন ২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে।

১.অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনের ডঙ্কা বাজলো। বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের দেশে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। তাই সমগ্র মানবজাতির নজর এই দেশ এবং নির্বাচনটি ঘিরে। দেশের নির্বাচন কমিশন, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ভোটকর্মী এবং সংবাদ মাধ্যমের ব্যস্ততা ও তৎপরতা এইসময় সর্বোচ্চ স্তরেই থাকে। তবে একজন তন্বিষ্ট-ভোটার হিসেবে, সাধারণ মানুষ হিসাবে আমজনতার একটি বড় দায়িত্বRead More →

বাঙ্গালি চিন্তাবিদ ও সাহিত্যিক ভূদেব মুখোপাধ্যায় -কে জন্মবার্ষিকীতে (জন্ম: ১৮২৭ সালের ২২ শে ফেব্রুয়ারী) শ্রদ্ধা জানিয়ে ড. বিজয় কুমার আঢ্য প্রণীত ‘স্বদেশ ও সমাজ ভাবনায় ভূদেব মুখোপাধ্যায়’ গ্রন্থটি সম্পর্কে আলোচনা করলেন

ড. বিজয় কুমার আঢ্য প্রখ্যাত সাপ্তাহিক পত্রিকা ‘স্বস্তিকা’-র প্রাক্তন সম্পাদক। আলোচ্য গ্রন্থটি তাঁর পিএইচডি গবেষণা সংক্রান্ত বিষয়বস্তুর একটি বিশিষ্ট অধ্যায় অবলম্বনে রচিত। প্রথম প্রকাশ ২০০৩; প্রিটোনিয়া পাবলিশার্স অ্যাণ্ড বুকসেলার্স সংস্করণ প্রকাশিত হয় ২০০৮ সালে। মুদ্রিত মূল্য ২৫০ টাকা। বিজয় বাবুর গবেষণাটি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক ১৯৯৪ সালে স্বীকৃত হয় এবং তিনিRead More →

মাতৃ ভাষা মাতৃ দুগ্ধ তুল্য

মাতৃভাষা দিবসের আলোচনায় প্রবেশের পূর্বেই একথা স্পষ্ট করা উচিত যে ভাষা যেন কারো দ্বারা প্রভুত্ববিস্তারের, দম্ভপ্রকাশের, যুদ্ধের অথবা দমনের জন্য শস্ত্র হয়ে ওঠা কখনই উচিত নয়। স্পষ্টভাবে ভাষা ঐ ব্যক্তির বা সমাজের সংস্কৃতির বাহন হিসেবে কাজ করে। ‘বর্তমান পরিপ্রেক্ষিতে দেশে মাতৃভাষা’ এটি বহুল আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে- অন্য দিকে দেশেRead More →

আইজ মোগো 21 শে ফেব্রুয়ারি

আইজ মুই (আমি) মোর (আমার) মাতৃবাসায় (মাতৃ ভাষায়) কতা (কথা) কৈলে (বললে) হীনমন্যতায় ভুগমুনা (ভুগবনা)। অন্য আঞ্চলিক বাংলা ভাষীরা, যেমন কৈলকাতার শান্তিপুরী আঞ্চলিক বাংলা ভাষীরা বা কুমিল্লার আঞ্চলিক বাংলা ভাষীরা মোরে এই কইয়া বেঙ্গাইতে (ব্যঙ্গ করতে) পারবেনা, মুই চর দিয়া আইছি, হেগো বাংলাই একমাত্র বিশুদ্ধ বাংলা। মুই একটা অবিজ্ঞতা (অভিজ্ঞতা)Read More →